ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর রোববার, ২০১৯ || ৩১ ভাদ্র ১৪২৬
LifeTv24 :: লাইফ টিভি 24
৫০৪

আজ ভালোবাসা দিবস

প্রকাশিত: ০৯:২১ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

হ্রদয়ের ভালোবাসা

হ্রদয়ের ভালোবাসা


আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস (সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে)। ভালোবাসা কোনো দিবস বা সময়-ক্ষণ গুণে আসে না। ভালোবাসার সত্ত্বা সার্বজনীন। ভালোবাসা বহুরূপী। তবুও কালের পরিক্রমায় ১৪ ফেব্রুয়ারি যেন ভালোবাসা প্রকাশের একটি আনুষ্ঠানিক দিবসে রূপ নিয়েছে।

সকল সংকোচ আড়াল করে আপনকে আপন করার দিন আজ। প্রেম-ভালোবাসার নির্মল আনন্দে মেতে উঠবে বিশ্ব। বিশেষত তরুণ-তরুণীরা প্রেমময় আবেগে ভালোবাসার বাহু মেলে ধরবে। শুধু তাই নয়, দম্পতি, সন্তান, বাবা মা বন্ধু সবার জন্য ভালোবাসা দিবসটি অন্য রকম। 
সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ভালোবাসা দিবসের ছোঁয়া লেগেছে সম্প্রতি। বিশেষ করে শহুরে জীবনে এই দিবসের প্রভাব দিনে দিনে বেড়েই চলছে। তবে গ্রামেও এখন ভালোবাসা দিবসের বিশেষ আয়োজন লক্ষ্য করা যায়।

ফুলে ফুলে সাজবে ভালোবাসার মন। মালাবদলও হয় এমন দিনে। অনলাইন, মোবাইল, ক্ষুদেবার্তায় ভালোবাসার রূপ ফুটে উঠবে। গোলাপের পাপড়ি দিয়ে নতুবা লিপস্টিক মাখা চুমোর চিত্র প্রেমচিঠিতে মেখে পাঠাবে প্রিয়তমার কাছে। আর নানা আকর্ষণীয় উপহারসামগ্রী দিয়ে মনজয় করতে প্রেমচিঠি পাঠাবে প্রিয়তমার কাছে।

ভালোবাসা দিবসে শুধু তরুণ-তরুণীই আনন্দে মাতবে এমন নয়। পরিবার-স্বজন আর বিভিন্ন বয়সী মানুষদের মাঝেও এ দিবসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।


জানা গেছে, দুটি প্রাচীন রোমান প্রথা থেকে এ উৎসবের সূত্রপাত। এক খ্রিস্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ফাদার সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নামানুসারে দিনটির নাম ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ করা হয়। ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি খ্রিস্টানবিরোধী রোমানসম্রাট গথিকাস আহত সেনাদের চিকিৎসার অপরাধে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

মৃত্যুর আগে ফাদার ভ্যালেন্টাইন তার আদরের একমাত্র মেয়েকে একটি ছোট্ট চিঠি লেখেন, যেখানে তিনি নাম সই করেছিলেন ‘ফ্রম ইওর ভ্যালেনটাইন’। সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের মেয়ে এবং তার প্রেমিক মিলে পরের বছর থেকে বাবার মৃত্যুর দিনটিকে ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ হিসেবে পালন করা শুরু করেন। যুদ্ধে আহত মানুষকে সেবার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে ভালোবেসে দিনটি বিশেষভাবে পালন করার রীতি ক্রমে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

আজ ভারতের গুজরাটে প্রায় ১০ হাজার ছাত্র একটি শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। তারা ‘বাবা মায়ের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করবে না’ বলে শপথ নেবে। পাকিস্তানের পাঞ্জাবের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ভালোবাসা দিবসের বদলে ‘বোন দিবস’ পালন করা হবে। দুই বৈরী দেশেরই এই আয়োজন পাশ্চাত্য সংস্কৃতির বিরোধিতা করে।