আমার বেতন কমে গেলেই তাদের প্রতিষ্ঠান লাভজনক হবে!
জিমি আমির
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৫:১২ ১ মে ২০২১
যে কাজেই যিনি শ্রম দিচ্ছেন তিনি শ্রমজীবী। তা রাস্তায় ইট ভাঙাই হোক বা এসিরুমে বসে কাজ করাই হোক। প্রত্যেকটি কাজের পরিশ্রম আছে। শ্রমের ধরণ তো আছেই। পুরোপুরি শারীরিক, আবার পুরোপুরি মগজের আবার দুটোই হতে পারে।
একটু ভেঙে বললে দাঁড়ায়, খেটে খাওয়া মানুষটা মগজ দিয়ে চিন্তা খুব একটা করেন না। যিনি এসিরুমে বসে কাজ করছেন তিনি চেয়ারে বসেই পাগল হয়ে যাচ্ছেন, হতাশায় চুল ছিঁড়ছেন। না, আনন্দে নয়, কাজের চাপে। আর রোদ, বৃষ্টিতে ভিজে এক অংশ কাজের পর এসিরুমে বসে যিনি বাকিটা শেষ করছেন, তাকে সমান তালে শরীর ও মাথা দুটো দিয়েই পরিশ্রম করতে হচ্ছে। (এখানে আমি অবশ্য সাংবাদিকদের বুঝিয়েছি)। কারো শ্রমকেই কি খাটো করে দেখার সুযোগ আছে?
একটা উদাহরণ দেই। ২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্রোহের সময় সিটি কলেজ পার হয়ে হোটেল আম্বালা ইনের দিকে আইল্যাল্ডের ওপর দাঁড়িয়ে আমার ক্যামেরাম্যান ফুটেজ নিচ্ছিলেন। গোলাগুলির সেই সময়ে তার পাশে দাঁড়িয়ে থেকে তাকে সঙ্গ দেওয়া, কাজে সহযোগিতা করা আমার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। ওই একই সময়ে হেলিকপ্টার থেকে লিফলেট ফেলা হচ্ছিল বিদ্রোহী সেনাদের আত্মসমর্পনের আহ্বান জানিয়ে।
এরপর সারাদিন ফোনো লাইভ, পরিস্থিতির সঙ্গে থেকে সন্ধ্যায় অফিসে ফিরে স্ক্রিপ্ট করে ভয়েস দিয়ে ফুটেজ কেটে নিউজ অন এয়ার করে বাসায় ফিরতে রাত ১০ টা। (সারাদিন রোদে পোড়ার পাশাপাশি ভাবতে হবে ফুটেজ কি নেবেন, স্ক্রিপ্ট কেমন হবে? টিম লিডার হিসেবে রিপোর্টারকে ভাবতে হয় ক্যামেরাম্যান, ড্রাইভার, ক্যামেরা, গাড়িসহ নিজের নিরাপত্তা নিয়েও। তিনি কি আপাদমস্তকই শ্রম দিচ্ছেন না?)।
আমাদের মায়েরা জীবনভর বিনা পারিশ্রমিকে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন গোটা সংসারের পেছনে। কোন শ্রমকে খাটো করে দেখবেন?
এত কথা কেন বলছি? আমার হতাশা, ক্ষোভ বা কষ্ট যাই বলি না কেন তা হচ্ছে, শ্রমের পারিশ্রমিক নিয়ে, পারিশ্রমিকের বৈষম্য নিয়ে।
সারাদিন গায়ে গতরে খেটে খাওয়া মানুষটির কাছে গেলে তার চোখে হতাশা দেখবেন। কারণ তিনি উপযুক্ত পারিশ্রমিক পাননি। এসি রুমে বসেও যারা কাজ করেন তাদের অনেকেই মাসের ২০ তারিখের পর থেকে চিন্তায় পড়ে যান পকেটের অবস্থা ভেবে।
অথচ উল্টো পিঠে দেখুন, যিনি পরিশ্রম করিয়ে নিচ্ছেন তিনি কখনো নিজের বুদ্ধিতে ঠকাচ্ছেন, কখনো অন্যের বুদ্ধিতে। বুদ্ধিদাতা এই তৃতীয় ব্যক্তি তেলতেলে বুদ্ধি দিয়ে প্রায় বিনা পরিশ্রমে নিজেরটাসহ অন্যের থেকেও কেড়ে নেওয়া পারিশ্রমিকের অংশ বিশেষও পকেটে ঢোকাচ্ছেন। প্রশ্ন আসতে পারে না, যিনি নিরন্তর ঠকে যাচ্ছেন তিনি কি তার পরিপূর্ণ শ্রমটা দেবেন?
জীবনের তাগিদে কাজ করার বিকল্প নেই। কিন্তু সেই কাজের পিঠে যে হতাশার গল্পগুলো সেগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করা গেলে হয়তো একটি প্রতিষ্ঠান, কোনো কোম্পানি বা দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক বা রাজনৈতিক চিত্রটাই বদলে যেত। বাদ দেই, এসব চিন্তার জন্য অনেক বড় বড় লোক আছে।
তবে, একটা কথা না বললেই নয়, নারী হয়েও বৈষম্যের শিকার কি কম হয়েছি? দিনশেষে বাসায় ফেরার সময় হঠাৎ জরুরী অ্যাসাইনমেন্টে আবার বের হয়েছি। সারাদিন না খেয়ে ওই রাত দুপুরে ফিরে আর খাওয়া মাথায় থাকতো না।
ভোর ৪টায় বের হয়ে একই স্পটে পুরুষ সহকর্মীর সঙ্গেই সমানতালে কাজ করেছি। কিন্তু হিসেবের খাতা নিয়ে বসলেই ঠিক আমার নামের জায়গায় এলেই যেন সেই মালিকরা এলোমেলো হয়ে যেতেন। অন্যতম বড় কারণ আমি নারী। আমার কম প্রাপ্তিটাই যেন নিয়ম! অন্য খরচের হিসেব মাথায় নিয়ে আমার বেতন কাঁটছাট করতেন। বিষয়টি ঠিক এরকম আমার বেতন কমে গেলেই তাদের প্রতিষ্ঠান লাভজনক হবে।
আমি শুধু বলতে চাই, কাজ করতে গেলে পরিশ্রমের বিষয় আসবেই। আর পরিশ্রম কে, কিভাবে, কোথায় করছে সেটাও বড় কথা নয়। বড় কথা হচ্ছে ন্যায্য পারিশ্রমিক। আমি আমার ন্যায্য প্রাপ্যটা পেলেই খুশি। বিশ্ব শ্রম দিবসে এটাই আমার চাওয়া।
বি:দ্র: এর মধ্যে অনেকেই ভাল আছেন, মালিক হিসেবেও। অনেক সহকর্মীও আছেন, তেলতেলে বুদ্ধি না দিয়ে অন্য সহকর্মীকে বরং সাহায্যই করেন। ভাল থাকুন তারা।
- ভাত রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুতে বলা হয় কেন?
- মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বর প্লেট রাখা বাধ্যতামূলক
- বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি
- এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
- এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
- ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, ধারণা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
- বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি পরিবর্তন
- ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’, নেহার ভিডিও নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে হাসান মাহমুদ
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
- বিধবা কার্ড দিলে সবার আগে এমপির বউ নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে পুশইন নয়: কলকাতা হাইকোর্ট
- বিয়ের জন্য যেমন ছেলে চান মিমি
- যেসব খাবার একসঙ্গে খেলে বেশি পুষ্টি মিলে
- বিমানবন্দরে ‘সোনার ডিম’ উদ্ধার: ৫ দিনের রিমান্ডে আসামি
- রূপপুরের বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ: রোসাটম
- শান্তিতে নোবেলজয়ী কে এই নাভি পিল্লাই
- হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসে হাসান মাহমুদ
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- হঠাৎ চুল পড়া বাড়লে কি করবেন?
- দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত যেভাবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- একটি দৃশ্যের জন্য এখনো বারবার মহড়া দেন অমিতাভ
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা জাতীয় স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য

