ঢাকা, ১১ ডিসেম্বর বুধবার, ২০১৯ || ২৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬
LifeTv24 :: লাইফ টিভি 24
৮৫

তিলের যত অজানা উপকারিতা

প্রকাশিত: ২২:৫৪ ৯ অক্টোবর ২০১৯  


খাদ্য হিসেবে তিল খুবই প্রিয়। নাড়ু, মোয়া, পিঠা, পায়েস ইত্যাদি মিষ্টি জাতীয় খাবারের স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা হয় এটি।  এছাড়া তিলের তেল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি। রূপচর্চার ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করা হয়। পুষ্টি সমস্যা নিরসনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তিলের পণ্য।
এবার চলুন জেনে নিই, তিলের যত অজানা উপকারিতার কথা-
১. প্রতিদিন ভোরে এক চামচ কালো তিল চিবিয়ে খেতে হবে। এভাবে খাওয়ার ৩ ঘণ্টা পর্যন্ত কিছু খাওয়া যাবে না। সকালে শরীরে তেলের মালিশও করা যায়। এতে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া যাবে।
২. নিয়মিত তিল খেলে শরীরের মেদ কমে যায়। ফলে চেহারা থাকে আরও স্লিম ও স্মার্ট।
৩. যেসব শিশুর শরীরের বৃদ্ধি কম। তাদের শারীরিক বৃদ্ধির জন্য তিল খুবই উপকারি।
৪. তিল খেলে দাঁত মজবুত হয়। মাড়ি থেকে পুজ পড়া বন্ধ হয়। জিহ্বার ঘা শুকায়।
৫. সর্দি, কাশি হয়, বুকে কফ জমে যায়। এ জাতীয় অসুখে কালো তিলের তেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সর্দি, কাশি সারাতে দ্রুত কাজ করে এটি। তিলের তেল মাথার যন্ত্রণা কমিয়ে দেয়। বুদ্ধি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৬. অনেকেরই অকালে চুল পেকে যায়। কারো দুর্বল হয়ে চুল পড়ে যায়। তাদের এ সমস্যা নিরসনে কালো তিলের তেল খুবই উপকারি। নিয়মিত এর ব্যবহার টাক মাথায় চুল গজাতেও সাহায্য করে।
৭. তিল খেলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয়। সব ইন্দ্রিয়ের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তিলের তেল শরীরের রং উজ্জ্বল করে। শরীরের ছোট ছোট দোষ ত্রুটি দূর করে।
৮. তিল, যব, চিনি চূর্ণ করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে সন্তানসম্ভবা বা সগর্ভা (যাদের সন্তান হবে), প্রসূতা বা প্রসূতির (যাদের সন্তান হয়েছে) রক্তস্রাব বন্ধ হয়।
৯. যেসব শিশু রাতে বিছানায় প্রসাব করে তাদের কালো তিলের সঙ্গে এক টুকরো মুলো খাওয়ালে ওই বদঅভ্যাস দূর হয়।
১০. শরীরের পুড়ে যাওয়া জায়গায় তিল পিষে, জলে ধোওয়া ঘি ও কর্পূর মিশিয়ে প্রলেপ দিলে সুফল পাওয়া যায়। তিলের তেল গরম করে লাগালেও আশ্চর্য সুফল পাওয়া যায়।
১১. যদি ক্ষত বা ঘা না সারে তা হলে তিল পিষে মধু আর ঘি মিশিয়ে লাগালে দারুণ কাজ করে।
১২. পেষা কালো তিল এক ভাগ, চিনি দুভাগ এবং ছাগলের দুধ চার ভাগ একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে রক্ত-আমাশা সারে।
১৩. যদি মেয়েদের ঋতুস্রাব ঠিকমতো না হয় কিংবা হওয়ার সময় খুব ব্যথা-বেদনা হয়, তা হলে তিলের তেল খাওয়া উচিত। দু’চা চামচ তিল পিষে নিয়ে এক গ্লাস পানিতে ফুটিয়ে নিন। এক চতুর্থাংশ পানি থেকে গেলে সেই পানিটুকু পান করলে মাসিক ঠিকমতো হবে।