ঢাকা, ০৩ ডিসেম্বর শুক্রবার, ২০২১ || ১৯ অগ্রাহায়ণ ১৪২৮
good-food
১০৯

বিশ্বনেতাদের কাছেও বিশ্বজনীন শেখ হাসিনা

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৩:১৪ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১  

জীবন মানেই যেনো বহু নির্বাচনী পরীক্ষা। সেই পরীক্ষার বাঁকে বাঁকে উত্তীর্ণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সার্বজনীন এই নেত্রীর বিশ্বজয়ের গল্প এখন মানুষের মুখে মুখে। বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে চার-বারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ পা রাখলেন পঁচাত্তরে।

 

মধুমতির দুই পাড়ে সেদিন ছিল কাশ ফুলের সমারোহ। সাদা মেঘের ভেলায় চড়ে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় এলেন এক কিংবদন্তি। দিনটি ১৯৪৭ সালের ২৮ শে সেপ্টেম্বর। জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান ও ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের বড় মেয়ে তিনি। 

 

শৈশবের দূরন্ত সময় পেরিয়ে ভর্তি হন আজিমপুর গার্লস স্কুলে। অতপর ইডেন কলেজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্ত্বর কাঁপালেন মাস্টার্সে ভর্তি হয়ে। পিতার অনুকরণে নেতৃত্বের ভিত হয় শক্ত, দেশপ্রেম যার ততোধিক  শক্তিশালী।

 

পাকিস্তানি শোষকের বিরুদ্ধে দুর্বার মিছিল আর লাগাতার আন্দোলনে সরব ছিলেন তিনি। কলেজ শাখা সংসদের ভিপি শেখ হাসিনার নেতৃত্বও ছিল যারপরনাই বলিষ্ঠ।

 

যুদ্ধ শেষে আসে স্বাধীনতা। কিন্তু মুক্তির স্বাদ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে চিহ্নিত ঘাতকেরা। পুরো দেশ ঢুকে পরে অন্ধকারে। বিদেশে অবস্থান করায় বেঁচে যান শেখ হাসিনা।

 

শেখ হাসিনার সহপাঠী অধ্যাপক নাসরিন আহমাদ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে চিরতরে বাংলাদেশের মাটি থেকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টাই হয়েছিল সেদিন। কিন্তু এটা আমাদের সৌভাগ্য যে সেদিন বেঁচে গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা।“

 

দেশের আপামর বাঙালিকে পরিবারের সদস্য গণ্য করে ১৯৮১ সালের ১৭ দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। নতুন করে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। গণতন্ত্রের সলুকসন্ধানী শেখ হাসিনাতে ভরসা পায় মানুষ। রাজনীতির কাঁটা বিছানো পথ উতরে রাষ্ট্রনেতা শেখ হাসিনা আজ বিশ্বনেতাদের কাছেও বিশ্বজনীন।

 

অধ্যাপক নাসরিন আহমাদ বলেন, ‘টানা তৃতীয় মেয়াদ ক্ষমতায় থাকা একটা স্ট্যাবিলিটি। যখন স্ট্যাবিলিটি থাকে তখন শান্তি থাকে এবং যেকোনও কাজ এগিয়ে নেয়া যায়। সে ক্ষেত্রে সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এজন্য  আর্থ সামাজিক সব সূচকেই আমরা এগিয়ে আছি।’  

 

এ যেনো ভিনি-ভিডি-ভিসি। অর্থাৎ আসলেন, দেখলেন এবং জয় করলেন। তাই, চারবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাতে মুগ্ধ দেশ। বন্দি গণতন্ত্রের খাঁচা ভেঙে মুক্তির স্নিগ্ধতা ছড়িয়ে দিয়েছেন তাঁর প্রতিদিনের কাজে। 

 

জয়তু শেখ হাসিনা। জন্মদিনে শুভকামনা।