ঢাকা, ২৪ জুলাই শুক্রবার, ২০২৬ || ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
good-food

যে ৬ অভ্যাসে কমে কোলেস্টেরল

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৫:১৫ ২৪ জুলাই ২০২৬  

এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে হলে লাইফস্টাইলে নজর দেওয়া জরুরি। তার জন্য রোজের অভ্যাসেও কিছু বদল আনতে হয়। সম্প্রতি ফিটনেস ইনফ্লুয়েন্সার মীনাক্ষী কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে কিছু অভ্যাসের কথা শেয়ার করেছেন। 

কোন অভ্যাসে কমতে পারে কোলেস্টেরল?

# প্রতিদিন এক কাপ ডাল বা কলাই খাওয়া

# প্রতিদিন এক টেবিল চামচ বাদাম খাওয়া

# রিফাইন্ড বা প্রক্রিয়াজাত আটা-ময়দার বদলে হোল গ্রেইন বা দানাশস্য বেছে নেওয়া

# ডায়েটে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রাখা উচিত

# নিয়মিত স্ট্রেন্থ ট্রেনিং করা

# পর্যাপ্ত ঘুম

অভ্যাস কীভাবে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়?

ডাল ও কলাই

এতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে। ফাইবার অন্ত্রে কোলেস্টেরলের শোষণ কমাতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে ফাইবার।

বাদাম

আমন্ড, আখরোটের মতো বাদামে স্বাস্থ্যকর আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, ফাইবার এবং প্ল্যান্ট বেসড প্রোটিন রয়েছে। এগুলো এলডিএল কমাতে এবং এইচডিএল কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে। 

হোলগ্রেইন বা দানাশস্য

ময়দা বা রিফাইন্ড শস্যের খাবার কোলেস্টেরলের সমস্যা বাড়ায়। এর পরিবর্তে হোলগ্রেইন বা গোটাশস্য খেলে শরীর পর্যাপ্ত ফাইবার পায়। এই ধরনের খাবার ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। 

স্বাস্থ্যকর ফ্যাট

কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লে ফ্যাটজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হয়। তবে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ডায়েটে রাখতে হয়। অলিভ অয়েল, সর্ষের তেল, অ্যাভোকাডো, বিভিন্ন বীজ এবং মাছে হেলদি ফ্যাট পাওয়া যায়। এগুলো কোলেস্টেরল মাত্রা উন্নত করতে সাহায্য করে।

ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুম

শুধু ডায়েট দিয়ে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় না। হার্ট ভালো রাখতে হলে নিয়মিত ব্যায়াম করাও দরকার। এতে শরীরে রক্ত সঞ্চালন সচল থাকে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। আর পর্যাপ্ত ঘুম সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। কারণ ঘুমের অভাবে ওবেসিটি, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, প্রদাহ ইত্যাদি বাড়তে থাকে। তাই ঘুমের সঙ্গে আপস নয়।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে আর কী করা উচিত?

# কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ধূমপান ও মদ্যপানও ত্যাগ করতে হবে।

# ছুঁয়ে দেখা যাবে না প্রক্রিয়াজাত খাবার।

# হৃদরোগে আক্রান্ত হলে বা বংশে হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়ার ইতিহাস থাকলে নিয়মিত লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষা করাতে হবে।

# ডায়াবিটিস ও কিডনির রোগ থাকলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই চলতে হবে।

লাইফস্টাইল বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর