ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর শনিবার, ২০১৯ || ৩০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬
LifeTv24 :: লাইফ টিভি 24
২৪৩

জেনে নিন দৈনন্দিন রুটিন

রমজানে কী খাবেন, কী খাবেন না

প্রকাশিত: ২০:০০ ৫ মে ২০১৯  


মাহে রমজান আসে আমাদের আত্মশুদ্ধি ও শারীরিক প্রশান্তির সুযোগ করে দেয়ার জন্য। পবিত্র কোরআন মাজিদ অবতীর্ণ হওয়ায় এ মাসের মাহাত্ম্য অনেক। এসময়ে সিয়াম সাধনা বা রোজা রাখার পাশাপাশি  সব কাজকর্ম ও আচরণে আমাদের সংযম পালন করতে হয়। বরকতময় এ মাসে তারাবিহ-তাহাজ্জুদ ছাড়াও বেশি নফল ইবাদত করা, কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া-দরূদ পড়তে হয়।

প্রতিনিয়ত আমাদের করা গুণাহর জন্য সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হয়। সেজন্য এ রহমতের-মাগফিরাতের মাসে বেশি ইবাদত করেন মুসলিমরা। এজন্য শরীর সুস্থ রাখা প্রয়োজন। কিছু নিয়ম মেনে চললে আমরা সুস্থ শরীর ও প্রশান্ত মন নিয়ে নিয়মিত কাজকর্মের সঙ্গে ইবাদাত বন্দেগীও করতে পারব। এজন্য সব আগে নজর দিতে হবে খাবার-দাবারে।

১. ভোররাতে সেহরি খাওয়া শুধু সুন্নতই নয়, সঙ্গে আমাদের সারাদিনের রসদ ও পানীয় শরীরে জমা হবে। তাই ভোররাতে সহজপাচ্য ও হালকা মসলাযুক্ত খাবার, দুধ, দই, ফলমূল এবং ২/৩ গ্লাস পানি পান করা প্রয়োজন।

২. ইফতারে লেবু-চিনির শরবত, তাজা ফলের শরবত ও দাতন রকম ফল থাকা বাঞ্চনীয়। তেলে ভাজাপোড়া কম খেলে আমাদের পাকস্থলী খাবারগুলোকে সহজে হজম করতে পারে। ভোররাতে অন্যান্য খাবারের সঙ্গে থাকতে পারে ফিরনী, পায়েস, সিদ্ধ ডিম, দই চিড়া, নরম খিচুড়ি ইত্যাদি। বিশেষ করে বয়স্ক রোজাদারের জন্য এগুলো সহজপাচ্য ও উপাদেয়।

৩. ইফতারিতে খেজুর, তরমুজ, কলা, বাঙ্গি, আনারস, পেয়ারা, শসা এসব দুই তিন রকম দেশি ফল রাখা যেতে পারে। এ বছর আমের মৌসুমে রোজা থাকায় আম খাওয়া যেতে পারে ইফাতারে ও সেহরিতে। কারণ আম আশযুক্ত, ভিটামিন ও খনিজে ভরপুর।

৪. রাতের খাবর ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে খাওয়া বাঞ্ছনীয়। এশার নামাজসহ তারাবিহ শেষ করেই রাতের খাবার খাওয়া উত্তম। কারণ ভরা পেট নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে নামাজ পড়া উচিত নয়। তাতে হজমের ব্যাঘাত ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। নামাজের মাঝখানে হালকা দুই একটা ফল ও পানি পান করা যেতে পারে।

৫. পবিত্র রমজানে সুস্থতার সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাজকর্ম ও ইবাদাত বন্দেগী করার জন্য শরীর সুস্থ রাখার বিকল্প নেই। তাই রাতের বেলায় পরিমিত (অল্প) পরিমাণে বারবার আহার করা উত্তম, তেল ও চর্বিযুক্ত ভাজাপোড়া ভারি খাবার খেলে তা হজমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। পরিমিত ও সুষম পানাহার ও খাবারই আমাদের রমজানুল মোবারকে শারীরিক সুস্থতার সঙ্গে রহমানুর রাহিমের ইবাদাত বন্দেগী করার তওফিক জোগাতে পারে।