ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর সোমবার, ২০১৯ || ১ আশ্বিন ১৪২৬
LifeTv24 :: লাইফ টিভি 24
১৫৪

রোজায় কেন খাবেন ইসুবগুলের ভুসি?

প্রকাশিত: ২২:০৩ ২৬ মে ২০১৯  


রমজানে প্রায় প্রতি ঘরেই থাকে ইসুবগুলের ভুসি। সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে এর শরবত উপাদেয়। ইসুবগুলের ভুসির রয়েছে বেশ স্বাস্থ্য উপকারিতা। 

হজমসহ পেটের নানা সমস্যা থেকে বাঁচতে ইসুবগুলের ভুসি খা রোজাদারেরা। তবে এ মাসেই নয়, সারাবছর এটি খাওয়া যেতে পারে। এতে পেটের যেকোনো সমস্যা দূর হয়।

পাইলসের প্রধান কারণ কোষ্ঠবদ্ধতা। এ ধরনের রোগীদের নিত্যদিনের ওষুধ ইসবগুল। প্রতিরাতে পানিতে পরিমাণমতো ভুসি মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা সমাধানে ইসবগুল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে ৫-১০ গ্রাম ইসবগুল এককাপ ঠাণ্ডা বা হালকা গরম পানিতে আধ ঘণ্টা ভিজিয়ে নিতে হবে। পরে তাতে ২/৩ চামচ চিনি মিশিয়ে সেহরিতে বাসি পেটে বা রাতে শোয়ার আগে খেলে প্রচুর উপকার হয়।

ডায়রিয়া উপশমে দারুণ উপকারি ইসুবগুলের ভুসি। এজন্য -২০ গ্রাম ভুসি দিনে দুইবার খেতে হবে।

প্রসাব হলুদ হলে কিংবা প্রসবের ধার জ্বালাপোড়া করলে এ ভুসি ভীষণ উপকারি। দিনে দুইবার এক গ্লাস শরবতের সঙ্গে ইসবগুলের ভুসি খেলে প্রসাবের জ্বালাপোড়া চলে যায়।

আমাশয় নিরাময়ে ইসবগুল খুবই কার্যকরী। এ ভুসি এর জীবাণু ধ্বংস করে দেয়। এ ধরনের রোগীরা সেহরি ইফতারে একবার করে শরবতের সঙ্গে এটি খেলে উপকার পাবেন।

ইসুবগুলের ভুসি কোলেস্টেরল  উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। ওজন কমাতে চাইলে প্রতিদিন এটি খেতে হবে। টাইপ- ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি দারুণ পথ্য।

মাথা ঘুরলে বা হাত- পা জ্বালাপোড়া করলে ইসুবগুলের ভুসি খেতে হবে।  এক গ্লাস আখের গুড়ের শরবতের সঙ্গে ভুসি মিশিয়ে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাওয়া যায়।