ঢাকা, ১৭ অক্টোবর শনিবার, ২০২৬ || ২ কার্তিক ১৪৩৩
good-food
২৫৩

শাহরুখপুত্রের মামলার তদন্তে অনিয়ম, প্রশ্নের মুখে এনসিবির ৭-৮ জন

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ২২:০৪ ১৮ অক্টোবর ২০২২  

শাহরুখপুত্র আরিয়ান খানের মাদক মামলার তদন্তে ব্যাপক অনিয়ম ছিল। নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) অভ্যন্তরীণ তদন্তে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে বলে গুঞ্জন উঠেছে। এ মামলায় তদন্তের দায়িত্বে থাকা সাত-আটজন কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাদের সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে।

 

গত বছরের অক্টোবরে মাদককাণ্ডে বলিউড কিং শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ানের নাম ওঠে। বিলাসবহুল কর্ডেলিয়া ক্রুজ থেকে আরিয়ান এবং তার সঙ্গীদের আটক করা হয়। পরে গ্রেপ্তার দেখানো হয় শাহরুখপুত্রকে। প্রায় ২৬ দিন হাজতে থাকতে হয় তাকে।

 

ছেলের এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে ভেঙে পড়েন শাহরুখ। সব শুটিং বাতিল করে আরিয়ানকে জামিনের জন্য মরিয়া হয়ে যান। একপর্যায়ে মুম্বাই হাইকোর্ট তার জামিন মঞ্জুর করেন। চলতি বছরের মে মাসে আরিয়ানকে ক্লিনচিট দেয় এনসিবি।

 

তারা জানায়, শাহরুখপুত্রের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ মেলেনি। ইতোমধ্যে আবার তার গ্রেপ্তারি ও মাদক মামলায় তদন্তের দায়িত্বে থাকা সমীর ওয়াংখেড়েকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই মামলায় দায়িত্ব নেয় নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর বিশেষ তদন্তকারী দল।

 

শোনা যাচ্ছে, এই দলই মঙ্গলবার এনসিবির দিল্লি হেডকোয়ার্টারে ভিজিলেন্স রিপোর্ট জমা দিয়েছে। তাতেই আরিয়ান মামলার দায়িত্বে থাকা সাত থেকে আটজন এনসিবি কর্মকর্তাদের সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। পাশাপাশি আরিয়ান মামলায় বহু অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের অভিপ্রায় নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। আরিয়ান মামলার তদন্তের স্বার্থে প্রায় ৬৫ জনের জবাবন্দি নেওয়া হয়। যাদের মধ্যে কয়েকজন একাধিকবার নিজেদের জবানবন্দি বদল করেছিলেন।  তবে আরিয়ান মামলায় ব্ল্যাকমেল করে যে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছিল তা প্রমাণিত হয়নি।