আমদানিতে বাড়ল ডলারের দাম
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ০২:৪১ ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪
বাজারে ডলারের দাম সাড়ে ৪ মাস স্থিতিশীল থাকার পর আবার বাড়তে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি ব্যাংক ডলার সংকট মেটাতে বাড়তি দামে রেমিট্যান্সের বৈদেশিক মুদ্রা কেনা শুরু করেছে। এতে খরচ বাড়ায় আমদানিতেও চড়া দামে ডলার বিক্রি হচ্ছে। এসব ব্যাংক সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা দরে রেমিট্যান্সের ডলার কিনে আমদানিতে সর্বোচ্চ ১২৪ টাকায় বিক্রি করছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া সীমা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১২০ টাকায় ডলার বেচাকেনার কথা। নির্ধারিত দরের চেয়ে ৩ থেকে ৪ টাকা বেশিতে ব্যাংকে ডলার বেচাকেনা হচ্ছে। তবে ব্যাংকগুলো নিজস্ব তহবিল থেকে প্রণোদনা দিয়ে বাড়তি দাম সমন্বয় করবে বলে জানা গেছে। ফলে ডলারের দাম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সীমার মধ্যেই থাকছে। তবে প্রবাসীরা প্রণোদনা বাবদ বাড়তি পাচ্ছেন আড়াই শতাংশ।
সূত্র জানায়, আমদানিতে ডলারের দাম বাড়ানোর ফলে খরচ বেড়ে যাবে। এতে আমদানি পণ্যের দাম বাড়বে। ফলে বাজারে আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়বে। এখনও মূল্যস্ফীতিতে আমদানিজনিত চাপ রয়ে গেছে। ডলারের বাড়তি দাম এই চাপকে আরও বাড়িয়ে দেবে।
১২ নভেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এক সার্কুলার দিয়ে বলা হয়, এখন থেকে আমদানির দায় নিয়মিত শোধ করতে হবে। কোনো দেনা বকেয়া রাখা যাবে না। কোনো ব্যাংকের আমদানির দায় বকেয়া থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ হুঁশিয়ারির পর ব্যাংকগুলোতে আমদানির বকেয়াসহ চলতি দায় পরিশোধের চাপ বেড়ে যায়। এতে ডলারের চাহিদাও বাড়ে। কিন্তু চাহিদার অনুপাতে সরবরাহ বাড়ছে না। ফলে ব্যাংকগুলো আমদানির দায় পরিশোধ করতে গিয়ে ডলারের সংকটে পড়েছে।
এ সংকটের সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রেখেছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও বাজারে ডলার বিক্রি করছে খুব কম। ফলে চাহিদা অনুযায়ী ডলার মিলছে না।
এদিকে আমদানির দায় মেটানোর চাপও রয়েছে। ফলে যেসব ব্যাংকের আমদানির দায় বেশি তারা বাড়তি দামে রেমিট্যান্সের ডলার কিনতে শুরু করেছে। গত এক মাস আগে রেমিট্যান্সের ডলারের দাম সর্বোচ্চ ছিল ১১৯ টাকা। পরে তা বেড়ে ১১৯ টাকা ৫০ পয়সা হয়েছে। এরপর থেকে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে আরও বেড়ে ১২২ টাকায় ওঠে। কোনো কোনো ব্যাংক ১২৩ টাকায়ও রেমিট্যান্স কিনছে। ব্যাংকগুলো আমদানিতে এসব ডলার সর্বোচ্চ ১২৪ টাকা করে বিক্রি করছে।
এদিকে আমদানির দায় মেটাতে অনেক ব্যাংক গ্রাহকের পক্ষে আগাম ডলার কিনে রাখছে। এতেও ডলারের দাম বেশি পড়ছে। ফলে বেড়ে যাচ্ছে আমদানি খরচ।
ডলার সংকট প্রকট হলে বাড়তি রেমিট্যান্স সংগ্রহের জন্য ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ আড়াই শতাংশ প্রণোদনা দিত আগে। ডলারের প্রবাহ বাড়লে পরে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এখন আবার সংকট বাড়ায় কোনো কোনো ব্যাংক সর্বোচ্চ আড়াই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে। এ হিসাবে প্রতি ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১২০ টাকা হলে আড়াই শতাংশ বাবদ প্রণোদনা পাচ্ছেন ৩ টাকা। ফলে ডলার প্রতি প্রবাসীরা পাচ্ছেন সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা। এর সঙ্গে সরকার থেকে আড়াই শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। সব মিলে প্রতি ডলারে প্রবাসীরা পাচ্ছেন ১২৬ টাকা।
এদিকে ৩ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে মুদ্রানীতি বিষয়ক কমিটির সভায় ডলারের দাম নির্ধারণের বর্তমান পদ্ধতি ক্রলিং পেগ (একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থেকে ডলারের দাম উঠানামা করা) থেকে বেরিয়ে আসার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, ডলারের দামকে পর্যায়ক্রমে বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে আইএমএফের বৈঠকে এ বিষয়টি ওঠে আসে। তারাও ডলারের দাম নির্ধারণের ক্রলিং পেগ পদ্ধতি তুলে দিয়ে বাজারভিত্তিক করার প্রস্তাব দেয়। বর্তমানে ক্রলিং পেগ পদ্ধতিতে ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১২০ টাকা বাড়তে পারে। আইএমএফ মনে করে ডলারের দাম এখন স্থির হয়ে আছে। অনেকেই মনে করতে পারেন আগামীতে এর দাম বাড়বে, যে কারণে ডলার ধরে রাখছেন। এটি উঠানামা করা উচিত। তাহলে মানুষের হাতে ডলার ধরে রাখার প্রবণতা কমে যাবে। বাজারে ডলারের প্রবাহ বাড়বে।
ব্যাংকে নগদ ডলারের দাম ১২০ টাকার মধ্যে হলেও কয়েকটি ব্যাংক ১২১ টাকায় বিক্রি করছে। আর কিছু ব্যাংক ১২১ টাকার কম কিন্তু ১২০ টাকার বেশি দামে বিক্রি করছে। এদিকে খোলা বাজারে ডলারের দাম আগে কিছুটা কমলেও এখন বাড়তে শুরু করেছে। এছাড়া ভারত থেকে যেসব দেশের ভিসা নিতে হয় সেগুলোও পাওয়া যাচ্ছে না। চিকিৎসার জন্যও ভারত যাওয়া যাচ্ছে না। এতে ডলারের চাহিদা কম। খোলা বাজারে প্রতি ডলার এখন ১২২ থেকে ১২৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগে ছিল ১২১ থেকে ১২২ টাকা।
- স্বাদের চিপস, স্বাস্থ্যের বিপদ
- বেগুনে পোকা থাকলে কি খাওয়া উচিত?
- রোনালদোকে নিষেধাজ্ঞা ও জরিমানা করল পর্তুগাল
- জনতা, সোনালী ও রূপালী ব্যাংকের এমডির চুক্তি বাতিল
- একই আঙিনায় মসজিদ-পূজামণ্ডপ
- গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, বিএনপি কর্মীরা চাঁদাবাজিতে জড়িত নয়
- সংসদ সদস্য কি প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র বহন করতে পারেন?
- বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন ঝুঁকিগুলো
- মুম্বাইয়ে টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, আহত ২
- ২০ অক্টোবর রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- কবি নজরুলের যে কবিতায় কেঁপে উঠেছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য
- পিস্তলকাণ্ডে সমালোচনার মুখে ইশরাক, নাকচ করলেন পদত্যাগের খবর
- কম্বোডিয়ায় ‘আটকা’ ১৮০০ বাংলাদেশি
- ভাত রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুতে বলা হয় কেন?
- মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বর প্লেট রাখা বাধ্যতামূলক
- বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি
- এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
- এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
- ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, ধারণা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
- বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি পরিবর্তন
- ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’, নেহার ভিডিও নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে হাসান মাহমুদ
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- হঠাৎ চুল পড়া বাড়লে কি করবেন?
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- একটি দৃশ্যের জন্য এখনো বারবার মহড়া দেন অমিতাভ
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
- বিধবা কার্ড দিলে সবার আগে এমপির বউ নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই












