জামায়াত - যে নামে ডাকো জামায়াতই
জাফর ওয়াজেদ
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৪:০০ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০
সাপের খোলস বদলানোর মানে এই নয় যে, স্বভাব-চরিত্র বদলে যায়। সাপ নির্বিষ হয়ে ওঠে না। বিষ তার দেহে ঠিকই রয়ে যায়। কামড়ে দেয়ার জন্য শিকারের সন্ধান থেকে সরে আসে না। বরং গতি যেন আরও তীব্রতা পায়। তেমনি সাপের চেয়েও বিষধর জামায়াতে ইসলামী একাত্তরের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চাইলে কিংবা দলের নাম বদলালে পরিশুদ্ধ হয়ে যাবে বলে যারা মনে করছেন, সাফাই গাইছেন, তারা জামায়াতের ইতিহাস না জেনে, না বুঝে তা অবলীলায় বলে ফেলছেন বলেই ধারণা হয়।
জামায়াত নামক দলটি নিষিদ্ধ করা হলে বা নয়া নামে আবির্ভূত হলেই মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার অভিশাপ থেকে দেশ মুক্ত হবে - এমন কথা স্বয়ং জামায়াতও মনে করে না। মওদুদীবাদ ও ওহাবীবাদের চেতনা সঠিক রেখে স্রেফ খোলস বদলানোই যেন। এসব মতাদর্শ যারা ধারণ করেন, তাদের মনোজগতে পরিবর্তন আসা সম্ভব কি-না, সেদিকটি খতিয়ে দেখা গেলে স্পষ্ট হবে যে, ‘পুরনো বোতলে নতুন মদ’ নামক প্রবাদটির মাজেজা।
ধর্মের ব্যবহারহীন রাজনীতির চর্চা জামায়াতীদের দিয়ে সম্ভব- এমন চিন্তা অলীক, অসার এবং অকল্পনীয়ও বৈকি। জামায়াতের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, দার্শনিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক যে অভিব্যক্তি রয়েছে এবং তাকে প্রতিষ্ঠিত করেছে, সেই অবস্থান থেকে সরে এসে ‘খাঁটি গাওয়া ঘি’-এ পরিণত হওয়া দুঃসাধ্য কাজ বৈকি। আর তা সম্ভব হলে, জামায়াতী চেতনা বলে কিছুই থাকে না।
জামায়াতীদের জীবন চেতনায় ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা বলে কিছু নেই। অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া তাদের ধাতে সয় না। রাজনীতি থেকে ধর্মের ব্যবহার বন্ধ করার কথা তারা ভাবতেও পারে না। কেননা ধর্মই হচ্ছে তাদের রাজনীতির প্রথম বর্ম। ধর্মকে পুঁজি করে দেশভাগের আগে থেকেই রাজনীতির আসরে নেমেছিল জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা ‘ধর্মগুরু’ সৈয়দ আবুল আলা মওদুদী। অশিক্ষিত কুসংস্কারাচ্ছন্ন দরিদ্র জনগণকে নানাভাবে শোষণ এবং শাসন করার জন্য অর্থবান স্বার্থপর ধুরন্ধর সম্প্রদায় নানাবিধ উপায় উদ্ভাবন করেছিল। ধর্ম ছিল এদের হাতে একটি প্রধান হাতিয়ার। ধর্মের দোহাই দিয়ে উৎপীড়িত বঞ্চিতদের বোঝানো হতো, ধর্মই হচ্ছে ইহকাল ও পরকালের মুক্তির পথ। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এসবই ধর্মবিরোধী কার্যকলাপ। সরলপ্রাণ ধর্মান্ধরা ওই আশ্বাসের বিশ্বাসেই আপ্লুত হতো।
জামায়াত পাকিস্তান আন্দোলনের বিরোধিতা করেছে। আবার পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ভারতের বিরোধিতায় নেমেছে। কিন্তু জামায়াতীরা এটা বুঝতে নারাজ যে, বিশেষ কোন ধর্মাবলম্বী হওয়া অতি সহজ, কিন্তু মানুষ হওয়া বড় কঠিন। তাই তারা অমানুষে পরিণত হয়েছিল ১৯৭১ সালে। তারা বিশ্বাসই করে না, ধর্ম আচার-প্রচারের জিনিস এবং আচরণের জিনিস। দৈনন্দিন জীবনে চিন্তায় কর্মে আচরণে সত্যিকারের ধার্মিক মানুষ হয়ে উঠতে পারেনি জামায়াতীরা। তাদের যদি যথার্থ ধর্মবোধ যদি থাকত, তবে একাত্তরে গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটপাটসহ অনৈতিক ও অধর্মের কাজগুলো করতে পারত না। পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে রগকাটা, প্রগতিশীলদের হত্যা, পেট্রোলবোমায় জীবন্ত মানুষ হত্যা, জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসবাদের প্রসার ঘটতে পারত না। ধর্মের নামে জামায়াত যে মুখোশ পরেছিল, একাত্তরে সে মুখোশ খুলে দিয়েছিল।
ধর্মীয় মৌলবাদের যে প্রকোপ জামায়াত দেশব্যাপী ছড়াতে সচেষ্ট ছিল, তা প্রশ্রয় পেলে জামায়াতের ইতিহাস একাত্তরের মতো আবার বর্বরতার দিকে মোড় নিত। প্রায় গিয়েছিল সহোদর বিএনপির হাত ধরে। তারা দেশ পরিচালনায় মানুষের তৈরি সংবিধানের ঘোর বিরোধী হিসেবে নিজেদের জাহির করে সরলপ্রাণ মানুষকে বোঝাতে চেয়েছিল, আল্লাহর আইনের ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হবে। আর তা পরিচালনা করতে পারে একমাত্র জামায়াতই। কিন্তু আল্লাহর আইনে গণহত্যা, ধর্ষণ, রগকাটার কোন বিধান নেই। বরং এসবের বিরুদ্ধে শান্তির বার্তা ছড়ায় ইসলাম। আর সেই ইসলামকে তারা অশান্তির ধর্মে পরিণত করার জন্য গত পঁচাত্তরের বেশি বছর ধরে তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। সন্ত্রাসই তাদের পুঁজি, তাই তারা একাত্তরে আলবদর, আলশামস, রাজাকার, মুজাহিদ বাহিনী গঠন করে বাঙালী নিধনে মত্ত হতে পেরেছিল। এসবই করেছে ধর্ম রক্ষার নামে।
জামায়াতীরা নিজেরাও জানে, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বিপুলভাবে হত্যা, ধর্ষণ, লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগে মেতে উঠেছিল। সেই জামায়াত যখন কথায় কথায় ধর্মের দোহাই দিত, জনগণ বুঝতে পারত অধর্মের যুগ এনে দিতে চায় ওরা। তাই ওদের বর্জন এবং প্রত্যাখ্যান করাই ছিল জনগণের প্রধান লক্ষ্য। গত ত্রিশে ডিসেম্বরের নির্বাচনে জামায়াতীরা সহোদরের ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বৈতরণী পার হওয়া দূরে থাক, বরং জামানত হারিয়েছে। জামায়াতীরা সভ্য সমাজকে বিশ্বাস করে না। তারা চায় অন্ধকারাচ্ছন্ন জগত। আলোহীন হোক মানবজাতি, যাতে জামায়াতীরা যে আলো ছড়াবে, মানুষ যেন সেই আলোই শুধু দেখতে পায়। তারা বিশ্বাসই করে না যে, সভ্য হতে হবে। জানে তারা, সভ্য মানুষের ধর্ম হবে বাক্যে চিন্তায় কর্মে যুক্তির অনুশাসন মেনে চলা। কিন্তু তারা এসবের ঘোর বিরোধী।
ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় বিশ্বব্যাপী বিরাট মুসলিম সমাজ শিক্ষা-দীক্ষায় দীর্ঘকাল পিছিয়ে ছিল। এখনও যে এগিয়ে আছে তা নয়। জামায়াতের মৌলবাদী আন্দোলন তাকে আরও পিছিয়ে দিতে তৎপরই রয়েছে বলা যায়। মাদ্রাসাকেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা দীর্ঘকাল ধরেই জামায়াতের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পাশাপাশি জামায়াতীরা নিজেরা আধুনিক শিক্ষাতেও আগ্রহী হয়েছে রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়াতে এবং সমাজের শিক্ষিত সমাজে নিজেদের মতাদর্শের প্রসার ঘটাতে। কিন্তু দেশের শিক্ষিত মুসলিম সম্প্রদায় সর্বপ্রকারে এর বিরুদ্ধে থাকায়, এরা হালে পানি পায়নি এতকালেও। অর্থ, বিত্ত, সম্পদে পরিপুষ্ট হয়ে জামায়াত দেশের তরুণ সমাজের একাংশকে নানাভাবে প্রলুব্ধ করতে পেরেছে। যে কারণে ইসলামী ছাত্র শিবির নামক সন্ত্রাসী সংগঠনকে সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে দিতে পেরেছে। প্রতিপক্ষ সংগঠনের নেতাকর্মীদের হত্যা, রগকাটা, মারামারি চর্চা অব্যাহত রেখেছে।
পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক জান্তা শাসক জিয়া বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীকে প্রতিষ্ঠিত করেন। একাত্তরের নরঘাতকদের শীর্ষ ঘাতক যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে দেশে ফিরিয়ে এনে নাগরিকত্ব প্রদানে তৎপর হয়েছিল শুধু নয়, জামায়াতকে রাজনীতি, ব্যবসা বাণিজ্যে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। যে কারণে জিয়া পুত্র জামায়াতকে তাদের সহোদর হিসেবে মর্যাদা দিয়ে আসছে এবং জনসমক্ষে প্রচারও করছে। তাই আজকে জামায়াত-বিএনপি পরস্পরকে ছেড়ে যাবার কথা বললেও বাস্তবে তা অলীক। কারণ জোড়া মাথা কখনও বিচ্ছিন্ন করা যায় না। বিএনপিকে দীর্ঘদিন ধরে জামায়াতের রাজনীতিকে ধারণ করতে হচ্ছে শুধু নয়, তা কার্যকর করার জন্য নিজেরাও সন্ত্রাসে প্রশিক্ষিত হয়ে এখন বিশ্বে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে। এই অর্জনকে সহজেই মুছে ফেলা যাবে না। এমনকি বিচ্ছিন্নতাবাদের আড়ালে ‘প্রেম ও অনুরাগ’ হয়ে উঠতে পারে আরও গভীর।
বন জঙ্গলে গিয়ে যেমন পশু শিকার করা হয়; তেমনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রাম গঞ্জে তো বটেই, শহরে বন্দরে রাজপথে প্রকাশ্য দিবালোকে জামায়াতীরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীদের শিকার করে বেড়িয়েছে পঁচাত্তরের পর থেকেই। বাঙালীর মানবাধিকার হরণের কাজটি তারা একাত্তরের পূর্ব থেকেই করে আসছে। জামায়াতীরা ইসলাম ও মানব সভ্যতার চেয়েও বর্বরতার চর্চা করে এসেছে অত্যধিক। তারা মানুষের অধিকারে বিশ্বাসী নয়। সমাজ ও রাজনীতির পরিবেশকে দূষিত করে হানাহানির পরিবেশ তৈরি করে রাষ্ট্র ও সমাজকে কলুষিত করেছে। মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের মাধ্যমে মানুষের মনোজগতকে বিকারগ্রস্ত করে গড়ে তোলার কাজটিও চালিয়ে আসছে সুনিপুণভাবে। জামায়াতীরা বাঙালীর ঐতিহ্যধারী বিষয়গুলোকে বেমালুম হজম করার জন্য সেসব নাম ব্যবহার করে আসছে।
জামায়াতের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংগঠনগুলোর নাম দেখলে স্পষ্ট হবে, এরা বাঙালীদের ঐতিহ্যকে বিপথে পরিচালিত করার জন্য পরিকল্পিতভাবেই সচেষ্ট। কিন্তু তাতে যে শেষ রক্ষা হবে না, তা তারা বোঝে না। জামায়াতীরা কথায় কথায় যতই ধর্মের দোহাই দেয়, তাতে সত্যিকারের ধর্মবোধই লোপ পেতে থাকে। এরা ভাবে ধর্ম জিনিসটা অতিমাত্রায় নিরীহ এবং অসহায়। সে আত্মরক্ষায় অসমর্থ, অতএব বাহুবলে তাকে রক্ষা করতে হবে। যত বেশি বাহুবলের ব্যবহার তারা করছে, ধর্ম তত বেশি হীনবল হচ্ছে তাদের কাছেই। তারা এটাও বিশ্বাস করে, ভিন্নধর্মাবলম্বী নিধনই শ্রেয়। শুধু তাই নয়। ইসলাম ধর্মাবলম্বী হলেও জামায়াতী মতাদর্শ ধারণ না করলে, তাকেও নিধনে তারা পিছপা হয় না।
ধর্মোন্মাদী জামায়াতীদের মধ্যেও ধৈর্য নেই বলা যায়। অথচ ইসলাম ধর্মে বলা হয়েছে, ধৈর্যই মহত্বের লক্ষণ। জামায়াতীদের ধর্মীয় রাজনীতি অন্ধতাজাত নয়। বরং মতলবীদের কুমতলবের সৃষ্টি। সব দেখেশুনে ভেবে চিন্তেই করা হয়। নরঘাতক প্রধান গোলাম আযম, নিজামীরাও বলত, ‘নারী নেতৃত্ব হারাম।’ অথচ তারা নারী নেতৃত্ব মেনেই সরকারে আশ্রয় যেমন নিয়েছে, তেমনি ২০ দলীয় জোটেও রয়েছে।
ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে কী ভয়ঙ্কর ব্যাপার ঘটতে পারে, তা জামায়াত দেখিয়েছে এবং এদেশের মানুষ তার ভুক্তভোগী। ধর্ম এবং রাজনীতিতে জট পাকিয়ে গেলে যে অবস্থার সৃষ্টি হয় জামায়াতই তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। জামায়াতের কার্যকলাপ থেকে রাজনীতি বুঝে নিয়েছে যে, সমাজদেহের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অর্থাৎ দুর্বলতম স্থান হচ্ছে ধর্ম। কোন বিষয়ের প্রতি সমাজকে উন্মুখ বা বিমুখ করে তুলতে হলে আবেদন জানাতে হবে ওই দুর্বল স্থানটিতে অর্থাৎ মানুষের ধর্ম বিশ্বাসের কাছে।
এককালে অশিক্ষিত জনগণের ধর্মবিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে দুর্বলকে অসহায়কে শোষণ করেছে পাকিস্তানী সামরিক শাসকরা। তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছিল জামায়াত। যার নিদর্শন রেখেছে একাত্তর সালে। বাংলাদেশ তাদের সেসব ঘৃণিত কার্যকলাপ ভুলে যেতে পারে না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও শাস্তির মধ্য দিয়ে সেই ক্ষত মুছে যেতে পারে না। জামায়াতের যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়ে তাদের গাড়িতে পতাকা তুলে দিয়েছিল বিএনপি নেত্রী। কিন্তু গণরোষে তাদের অবস্থান নড়বড়ে হয়ে গেছে। এই অবস্থা থেকে উদ্ধারের জন্য খ্যাতিমান আইনজীবী ড. কামাল হোসেনকে ‘পালের গোদা’ বানিয়েও পার পায়নি। জেনারেল জিয়ার প্রতিষ্ঠিত জামায়াতকে ‘ক্রেন’ দিয়ে তুলে আনার চেষ্টা চালিয়েও সফল হতে পারেননি। শেষ ভরসা ছিল ড. কামালরা। কিন্তু ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে উদ্ধার তো দূরে থাক, পতনের শেষ সিঁড়িতে নামিয়ে দিয়েছে জামায়াতকেও।
আজ জামায়াত নতুন নামে বাজারে আসতে চাইলেও তাতে গুণগত কোন পরিবর্তন আসবে না। কারণ ‘কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না।’ আর একাত্তরের অপকর্মের জন্য ক্ষমা চাইলেই ক্ষমা পাওয়া যাবে, সে নিশ্চয়তা নেই। শহীদ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার পরম্পরায় জামায়াতকে ক্ষমা করতে পারে না। রাজনৈতিক দল তাদের ক্ষমা করে আবার রাজনীতিতে পুনর্বাসনের যতই চেষ্টা করুক না কেন, তাতে ফলোদয় হবে না।
জামায়াত থাকবে জামায়াতেই। জামায়াত গোলাপ নয়, গোলাপের কাঁটার চেয়েও ভয়ঙ্কর। তাই যে নামেই তাদের ডাকা হোক, তাতে স্বভাবগত দিকের পরিবর্তন হবার নয়। বলা হয়, গোলাপকে যে নামে ডাকো, তা গোলাপই। আর জামায়াতকে যত আধুনিক নামেই ডাকা হোক, আর তাতে নয়া প্রজন্ম অন্তর্ভুক্ত হলেও স্বভাব অবিকলই থেকে যাবে। জামায়াতের মনোজগতে পরিবর্তন আনা লৌকিকভাবে সম্ভবপর হয়তো হবে না। যদি হয়, তবে তা অলৌকিকভাবেই হবে।
লেখক : জাফর ওয়াজেদ
- অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা কে কোথায় ভোট দিচ্ছেন
- ‘এটা পাকিস্তানের নাটক ছিল’
- অসুস্থ পরীমণি, ফের পেছাল জেরা
- প্রধান উপদেষ্টাসহ ২৭ জনের সম্পদের বিবরণী প্রকাশ
- ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন যারা
- যেসব কারণে বাতিল হতে পারে আপনার ভোট
- জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট বৃহস্পতিবার, প্রস্তুতি সম্পন্ন
- নির্বাচনি মিছিলে অসুস্থ হয়ে ২ জনের মৃত্যু
- নির্বাচনের ইতিহাস: প্রাচীন থেকে আধুনিক
- ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে ৪ পদ্ধতি চালু করল ইসি
- ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোনে নিষেধাজ্ঞা
- বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণসহ ৩ শর্তে ভারতের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান
- নির্বাচনে তিন সংগীতশিল্পীর যে প্রত্যাশা
- গোপালগঞ্জ–৩: কার হাতে যাচ্ছে হাসিনার আসন
- আমেরিকার ইতিহাসে আলোচিত ১১ নির্বাচন
- ‘আত্মঘাতী’ বইমেলায় অংশ নেবে না ৩২১ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান
- নির্বাচনে ছুটি ও রমজানে কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন
- ৫ খাবার নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা
- ফোন রেকর্ড ফাঁস করলেন পরীমণি
- বুলবুলের আচমকা পাকিস্তান সফর নিয়ে মুখ খুললেন ফারুক
- NASA Opens Door to Personal Smartphones in Space
- Seed Paper: A Plantable Paper Turns Waste into Living Green
- বিহারি ক্যাম্পে মিললো একই পরিবারের চারজনের মরদেহ
- ববিতা, শফিক, আইয়ুব বাচ্চুসহ একুশে পদক পাচ্ছেন যারা
- রমজানে অফিস সময় নির্ধারণ
- বোতলজাত পানির চেয়ে কলের পানি নিরাপদ
- সন্তান জন্ম দিতে দেশ ছাড়ছেন বুবলী!
- চড়া দামে পিএসএলে দল পেলেন মোস্তাফিজ
- আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো: ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড, সাতজনের যাবজ্জীবন
- নির্বাচনে ভারতসহ বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ নাহিদের
- Seed Paper: A Plantable Paper Turns Waste into Living Green
- NASA Opens Door to Personal Smartphones in Space
- বিহারি ক্যাম্পে মিললো একই পরিবারের চারজনের মরদেহ
- এপস্টেইন নথিতে নাম নেই যে ৫ প্রভাবশালী রাষ্ট্রপ্রধানের
- রোজায় ৬৫০ টাকায় মিলবে গরুর মাংস, ৮ টাকায় ডিম
- বাচ্চাদেরও শেখান মানি ম্যানেজমেন্ট
- আ’লীগ সমর্থকদের পছন্দ বিএনপি, নতুনদের ঝোঁক জামায়াতে
- রমজানে অফিস সময় নির্ধারণ
- ঘুমের আগে দাঁত না মাজলে ক্ষতি হতে পারে হৃদ্যন্ত্রের
- নির্বাচনি মিছিলে অসুস্থ হয়ে ২ জনের মৃত্যু
- কাজ পাচ্ছেন না অঙ্কিতা
- নির্বাচনে ভারতসহ বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ নাহিদের
- শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত
- বদলে যাচ্ছে র্যাবের নাম, পোশাকও পাল্টাবে
- সন্তান জন্ম দিতে দেশ ছাড়ছেন বুবলী!
- আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো: ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড, সাতজনের যাবজ্জীবন
- রুনা লায়লার বিনিময়ে যা দিতে চেয়েছিল ভারত
- নাহিদের রিট খারিজ, ভোটে থাকবেন বিএনপির কাইয়ুম
- বোতলজাত পানির চেয়ে কলের পানি নিরাপদ
- ববিতা, শফিক, আইয়ুব বাচ্চুসহ একুশে পদক পাচ্ছেন যারা

