দিনাজপুরে লিচুর বাম্পার ফলন: গাছে গাছে ঝুলছে পাকা লিচু
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ২২:৫৬ ১৭ মে ২০২২
মধু মাস হিসেবে পরিচিতি জ্যেষ্ঠ মাসে জেলার সবক’টি উপজেলাতেই এবারে বাম্পার লিচু ফলন অর্জিত হয়েছে। জেলায় ৭ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে লিচুর বাগান রয়েছে। এছাড়া বাসা বাড়িগুলোতেও লিচুর গাছ রয়েছে। ওইসব গাছে টস-টসে পাকা লিচু শোভা পাচ্ছে।
দিনাজপুর কৃষি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক প্রদীপ কুমার গুহ আজ মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুর ১২টায় তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মধু মাসে লিচু সমারোহ ও অর্জিত লিচুর বিষয় নিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, লিচুর রাজ্য হিসেবে পরিচিত দিনাজপুরে দিন-দিন লিচু চাষ বাড়ছে। প্রতি বছরই ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলেছে লিচু চাষের জমির পরিমাণ। এখন সারাদেশে কম বেশি লিচু চাষ হলেও দিনাজপুরের লিচুর কদর আলাদা। রসালো ফল লিচু অনেকের কাছে ‘রসগোল্লা’ হিসেবে পরিচিত। এবার মধুমাসের ফল লিচুর বাম্পার ফলন অর্জিত হয়েছে। জেলার প্রতিটি লিচু গাছে শোভা পাচ্ছে থোকায় থোকায় রসালো লাল টস-টসে পাকা লিচু।
সূত্রটি জানায়, প্রতিবছর দিনাজপুরের লিচু দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এবার পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোতে লিচু রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। লিচুর ব্যবসা লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছরই জেলাতে লিচু চাষ দিন-দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও প্রকৃতিক কোনো দুর্যোগ এখন পর্যন্ত না হওয়ায় দিনাজপুরে রেকর্ড পরিমাণ লিচুর ফলন অর্জিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের লিচু নিয়ে গবেষণায় নিয়োজিত সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান জানান, এবার জেলায় ৭ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে লিচু চাষ অর্জিত হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সাইদুর রহমান জানান, চলতি বছরে দিনাজপুর জেলায় ৭ হাজার হেক্টর জমিতে লিচু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অতিরিক্ত ২৫০ হেক্টর জমিতে লিচুর উৎপাদন অর্জিত হয়ে মোট ৭ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে লিচুর চাষ অর্জিত হয়েছে। দিনাজপুরের লিচু সুস্বাদু ও মিষ্টি হওয়ায় দেশব্যাপী এর চাহিদা রয়েছে। এবার দিনাজপুরের লিচু পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোতে রফতানি করা হবে।
সূত্রটি জানায়, দিনাজপুরের লিচুর মধ্যে চায়না থ্রি, বেদানা, বোম্বাই ও মাদ্রাজি, কাঠালী উল্লেখয্যেগ্য।
দিনাজপুরের যেসব স্থানে লিচু চাষ হয় তার মধ্যে সদর, বিরল, চিরিরবন্দর, বীরগঞ্জ, খানসামা উপজেলা বিখ্যাত।
সদর উপজেলা লিচু চাষি মতিউর রহমান জানান, লিচুর ফুল আসা শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই পরিচর্যা শুরু করে দিতে হয়। নিয়মিত স্প্রে ও সেচ দিয়ে লিচুর পরিপক্কতা আশায় লিচু পাকা শুরু করেছে। বর্তমান সময়ে জ্যেষ্ঠ মাসের প্রথমেই বোম্বে ও মাদ্রাজি লিচু বাজারে এসেছে। দেশী প্রজাতির এই লিচু প্রতি’শ ১৫০ টাকা থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যেই দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী বেদানা লিচু বাজারে আসতে শুরু করবে।
গত দুই বছর সারা বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থাকায় এবং পবিত্র রমজান মাস হওয়ায় দিনাজপুরের লিচু চাষী ও ব্যবসায়ীরা এখান থেকে বাইরে পাঠাতে না পারায় লিচুর মন্দা ভাব ছিল। এবারে লিচু চাষী ও ব্যবসায়ীদের আশা করোনা সংক্রমণ সেরকম না থাকায় এবং রমজান মাসও অতিবাহিত হওয়ায় অর্জিত লিচুর ভাল মূল্য পাওয়ার আশায় লিচু বাগানের পরিচর্যা ও লিচু সংরক্ষণে দিন অতিবাহিত করছেন বাগান মালিকরা।
লিচু চাষী আমজাদ হোসেন বলেন, তার সাড়ে ৩ একর জমির উপর ৩টি লিচু বাগান রয়েছে। তার বাগান সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ও মাসিমপুর গ্রামে। এ ২টি গ্রামে দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী বেদানা লিচুর সমারোহ হয়ে থাকে। এই ৩টি বাগানের মধ্যে ২ একর ৫০ শতকের ২টি বাগান সাড়ে ৬ লাখ টাকায় ঢাকার সাভার এলাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে আগাম লিচু বিক্রি করেছেন। এবারে বাম্পার লিচু অর্জিত হয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যেই এ বাগানগুলো থেকে ঐতিহ্যবাহী বেদেনা লিচু ওই ব্যবসায়ী পাড়তে শুরু করবে। অনেক সংস্থার লোকজন এবাগানে লিচু ক্রয় করতে ব্যবসায়ীর সাথে যোগাযোগ শুরু করেছে।
বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন ভাল বেদানা লিচু বাগান থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিভিন্ন সংস্থার লোকজন ভাল মূল্যে লিচু ক্রয় করে নিয়ে যায়। এবারও সেভাবেই আগাম লিচু ক্রয় করতে ওইসব ব্যক্তিরা যোগাযোগ করে আগাম বায়না দিয়েছেন। তার ওই দুটি বাগান থেকেই এবারে ১০ লাখ টাকার অধিক লিচু বিক্রি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বিভিন্ন লিচু ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত বছরগুলোর তুলনা এবারে দিনাজপুরের লিচু ফলন অনেক বৃদ্ধি পাবে। দেশের চাহিদা অনুযায়ী লিচু পুরণ হয়ে দেশের বাইরেও রপ্তানি করা যাবে বলে লিচু চাষীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
- বিশ্বকাপ স্টেডিয়ামে পানির বোতল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
- নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ
- ঘুম ভাঙা মাত্রই মোবাইলে চোখ, কী ক্ষতি হচ্ছে জানেন?
- যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- সীমান্তে বিএসএফের ১০ পুশইন চেষ্টা রুখে দিলো বিজিবি
- শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ের তারিখ নির্ধারণ
- প্রতিদিন কেন সাইক্লিং করবেন? রইল ৫ কারণ
- ক্যান্সার গবেষণায় নতুন অগ্রগতি
- ফের বিয়ে করছেন আমির খান, পাত্রী কে
- নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয় ফাইনালে বাংলাদেশ
- হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু ছাড়ালো ৬০০
- খুলনায় বিরল প্রজাতির প্রাণীর সন্ধান
- মমতাজউদ্দীন আহমদের চলে যাওয়ার দিন
- নেতানিয়াহুকে ‘পাগল’ বলে ‘গালাগাল’ ট্রাম্পের
- এলপিজির দাম কমলো
- আদালতে অঝোরে কাঁদলেন রামিসার মা
- যে ৭ অভ্যাস সন্তানকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তোলে
- বিশ্বকাপ স্কোয়াড চূড়ান্ত সৌদির, আছেন যারা
- FIFA World Cup 2026: A Grand Continental Celebration Begins
- রক্তচাপের আড়ালে কি লুকিয়ে হাইপারটেনশন? জানুন সংকেত
- কোরবানির ঈদ: অতিরিক্ত মাংস খেলে হবে যেসব সমস্যা
- পুরুষরা বেশি হাসেন নাকি মহিলারা?
- ঐশ্বরিয়াকে কটাক্ষ, ফুঁসে উঠলেন কঙ্গনা
- মেসির বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে শঙ্কা
- গরমে যে ডাল রোজ খেতে পারেন
- মুক্তির অনুমতি পেল শাকিব খানের ‘রকস্টার’
- রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: অভিযোগপত্র গ্রহণ, বিচারের জন্য বদলির নির্দেশ
- ঈদ: জমজমাট মসলার বাজার, ভেজালের শঙ্কা
- যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ছে, খসড়ায় যা আছে
- মেসি, এমবাপ্পে, রোনালদো ও নেইমারের সঙ্গে তুলনায় না ইয়ামালের
- FIFA World Cup 2026: A Grand Continental Celebration Begins
- নেতানিয়াহুকে ‘পাগল’ বলে ‘গালাগাল’ ট্রাম্পের
- যে ৭ অভ্যাস সন্তানকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তোলে
- মমতাজউদ্দীন আহমদের চলে যাওয়ার দিন
- প্রতিদিন কেন সাইক্লিং করবেন? রইল ৫ কারণ
- আদালতে অঝোরে কাঁদলেন রামিসার মা
- হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু ছাড়ালো ৬০০
- ফের বিয়ে করছেন আমির খান, পাত্রী কে
- ক্যান্সার গবেষণায় নতুন অগ্রগতি
- এলপিজির দাম কমলো
- খুলনায় বিরল প্রজাতির প্রাণীর সন্ধান
- নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয় ফাইনালে বাংলাদেশ
- বিশ্বকাপ স্কোয়াড চূড়ান্ত সৌদির, আছেন যারা
- শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ের তারিখ নির্ধারণ
- সীমান্তে বিএসএফের ১০ পুশইন চেষ্টা রুখে দিলো বিজিবি
- যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- ঘুম ভাঙা মাত্রই মোবাইলে চোখ, কী ক্ষতি হচ্ছে জানেন?
- নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ
- বিশ্বকাপ স্টেডিয়ামে পানির বোতল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা










