মেঘনার চরে সয়াবিন উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনা
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১২:২৪ ১৮ জানুয়ারি ২০২১
বাংলাদেশ সয়াবিন উৎপাদনে বিশ্বের ৩৫তম দেশ। আর দেশে তা উৎপাদনে প্রধান জেলা লক্ষীপুর। সেখানকার মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা চরে হাজার একর জমিতে সেটি চাষ হয়েছে। এ কাঁচা সয়াবিনের পুরোটাই বীজ হিসেবে দেশের বিভিন্ন জেলার কৃষকদের কাছে বিক্রি হচ্ছে। এ অঞ্চলের কয়েকটি চর থেকে অসময়ে উৎপাদিত সয়াবিনের পরিমাণ ১০ হাজার টনেরও বেশি, যার বাজার মূল্য প্রায় ২০০ কোটি টাকা।
আর এ বীজ উৎপাদনে জড়িয়ে আছে চরের ভূমিহীন ৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। ফলে নদীর বুকে জেগে ওঠা বিশাল চরাঞ্চলগুলোতে তা উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। পৌষ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে এ সয়াবিন সংগ্রহ, মাড়াইসহ ক্রয়-বিক্রয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষি।
এ অঞ্চলের কৃষকরা স্থানীয়ভাবে এবং বিএডিসি থেকে এর বীজ সংগ্রহ করেন। পরে পৌষ মাসে এসব বুনে সয়াবিনের আবাদ শুরু করেন। জেলার চরকাচিয়া, কানিবগার চর, টুনুর চর, খাসিয়ার চর ও চরইন্দুরিয়ার বিশাল অঞ্চলজুড়ে কৃষকরা আশ্বিন মাসের মাঝামাঝিতে তা বপন করেন। আর পৌষের শুরুতেই সেটি বিক্রির উপযোগী হয়।
কৃষক নিজেদের উৎপাদিত বীজ দিয়েই আবার নতুন আবাদ শুরু করেন। তারা জানান, প্রতি দেড় শতক জমিতে সয়াবিন আবাদ হয় ২০ কেজি। আর মৌসুমে এক একর জমিতে তা উৎপাদন হয় ৪০ মণ। কাঁচা বীজ সয়াবিন প্রতিমণ বিক্রি হয় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। আর মৌসুমে সেটি বিক্রি হয় প্রতিমণ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, রায়পুর উপজেলার উত্তর ও দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের মেঘনার নদীর চরকাচিয়া, কানিবগার চর, টুনুর চর, খাসিয়ার চর, চর ইন্দুরিয়া এবং সদর উপজেলার মেঘার চরে ৩-৪ বছর ধরে অসময়ে (বর্ষাকালে) সয়াবিন চাষ করছেন কৃষকরা। প্রায় ২০ হাজার একর জমিতে এটি চাষ হচ্ছে। প্রচলিত সয়াবিনের তুলনায় এর দামও বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
রায়পুর উপজেলার চরকাচিয়া পানির ঘাট এলাকার সয়াবিন ব্যবসায়ী স্বপন গাইন জানান, চরকাচিয়া পানির ঘাট ও মোল্লারহাটে প্রতি শনি ও মঙ্গলবার এর হাট বসে। চরকাচিয়া, কানিবগার চর, টুনুর চর, খাসিয়ার চর ও চরইন্দুরিয়ায় উৎপাদিত বীজ এসব বাজারে আসে। প্রতি হাটে গড়ে প্রায় ৫০০ থেকে এক হাজার টন তা বিক্রি হয়। ওই বাজারের সয়াবিন নিয়ে হায়দারগঞ্জ, হাজীমারাসহ উপজেলার আরও পাঁচটি বাজারে বিক্রি হয়। লক্ষীপুর ছাড়াও নোয়াখালী, চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ব্যবসায়ীরা তা কেনেন।
চরকাচিয়া ও টুনুর চরে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের বিশাল এলাকাজুড়ে সয়াবিনের আবাদ করা হয়েছে। কৃষক-কিষানি গাছ থেকে পাকা সয়াবিন মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। মাড়াই করা বীজ আবাদের জন্য চাহিদা অনুসারে রেখে বাকি অংশ নৌকায় করে ঘাটে নিয়ে যাচ্ছেন কৃষক। সেখানে আড়তদার ও পাইকারি বিক্রেতারা তা সংগ্রহ করে প্যাকেট করে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছেন অন্যত্র।
মোল্লারহাট বাজার এবং পানিরঘাট বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পুরোনো শুকনো বীজ কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। আর কাঁচা নতুন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২১০ টাকায়। কানিবগার চরের সয়াবিন চাষি ইসমাইল ব্যাপারী বলেন, ‘আগের বছরের শুকনো বীজের তুলনায় নতুন কাঁচা উৎপাদিত শতভাগ গজায়। যে কারণে দ্বিগুণ দামেও কৃষক কাঁচা সংগ্রহ করেন।
চরকাচিয়ায় ২০ একর জমিতে সয়াবিন আবাদ করেছেন শাহজাহান মোল্লা। তিনি জানান, দুই বছর আগেও স্থানীয় কৃষক ও বিএডিসি থেকে বীজ সংগ্রহ করতেন। গত বছর তিনি স্থানীয় এক কৃষকের পরামর্শে কাঁচা সয়াবিন জমিতে বপন করেন, ফলনও হয় ভালো। এ মৌসুমে ২০ একর জমিতে আগাম তা আবাদ করে প্রতি একরে তিনি ১২ মণ করে পেয়েছেন।
একই এলাকার সয়াবিন চাষি নুর নবী হাওলাদার জানান, দুই একর জমিতে তিনি আগাম আবাদ করেছেন। কাঁচা বীজ কেজি ২০০ টাকা দরে ৪০০ কেজি বিক্রি করেছেন তিনি। তবে এ বছর চরে কয়েক দফা জলোচ্ছাসের কারণে উৎপাদন কম হয়েছে। তবুও তিনি ২৫ মণ সয়াবিন পেয়েছেন এবং দাম ভালো পাওয়ায় মুনাফা হয়েছে বলেও জানান।
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার বীজ ব্যবসায়ী মহিন হোসেন বলেন, প্রতি টন সয়াবিন ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা দরে ৪ টন ক্রয় করেছেন তিনি। খুচরা বিক্রেতাদের কাছে কেজিতে ৫ টাকা লাভে বিক্রি করছেন।
কয়েকজন সয়াবিন চাষি জানান, ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাস তা চাষের প্রধান মৌসুম। এ সময়েই চরের বালুময় মাটি থেকে বীজ ঘরে তোলেন কৃষক। সেটি সপ্তাহখানেক পর আবার মাটিতে বপন করেন কৃষক।
উল্লেখ্য, সয়াবিন উৎপাদনে শীর্ষে থাকার কারণে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সরকার উপকূলীয় জেলা লক্ষীপুরের ব্র্যান্ডিং নাম রাখে সয়াল্যান্ড।
- বিশ্বকাপ স্টেডিয়ামে পানির বোতল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
- নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ
- ঘুম ভাঙা মাত্রই মোবাইলে চোখ, কী ক্ষতি হচ্ছে জানেন?
- যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- সীমান্তে বিএসএফের ১০ পুশইন চেষ্টা রুখে দিলো বিজিবি
- শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ের তারিখ নির্ধারণ
- প্রতিদিন কেন সাইক্লিং করবেন? রইল ৫ কারণ
- ক্যান্সার গবেষণায় নতুন অগ্রগতি
- ফের বিয়ে করছেন আমির খান, পাত্রী কে
- নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয় ফাইনালে বাংলাদেশ
- হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু ছাড়ালো ৬০০
- খুলনায় বিরল প্রজাতির প্রাণীর সন্ধান
- মমতাজউদ্দীন আহমদের চলে যাওয়ার দিন
- নেতানিয়াহুকে ‘পাগল’ বলে ‘গালাগাল’ ট্রাম্পের
- এলপিজির দাম কমলো
- আদালতে অঝোরে কাঁদলেন রামিসার মা
- যে ৭ অভ্যাস সন্তানকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তোলে
- বিশ্বকাপ স্কোয়াড চূড়ান্ত সৌদির, আছেন যারা
- FIFA World Cup 2026: A Grand Continental Celebration Begins
- রক্তচাপের আড়ালে কি লুকিয়ে হাইপারটেনশন? জানুন সংকেত
- কোরবানির ঈদ: অতিরিক্ত মাংস খেলে হবে যেসব সমস্যা
- পুরুষরা বেশি হাসেন নাকি মহিলারা?
- ঐশ্বরিয়াকে কটাক্ষ, ফুঁসে উঠলেন কঙ্গনা
- মেসির বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে শঙ্কা
- গরমে যে ডাল রোজ খেতে পারেন
- মুক্তির অনুমতি পেল শাকিব খানের ‘রকস্টার’
- রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: অভিযোগপত্র গ্রহণ, বিচারের জন্য বদলির নির্দেশ
- ঈদ: জমজমাট মসলার বাজার, ভেজালের শঙ্কা
- যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ছে, খসড়ায় যা আছে
- মেসি, এমবাপ্পে, রোনালদো ও নেইমারের সঙ্গে তুলনায় না ইয়ামালের
- FIFA World Cup 2026: A Grand Continental Celebration Begins
- নেতানিয়াহুকে ‘পাগল’ বলে ‘গালাগাল’ ট্রাম্পের
- যে ৭ অভ্যাস সন্তানকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তোলে
- মমতাজউদ্দীন আহমদের চলে যাওয়ার দিন
- প্রতিদিন কেন সাইক্লিং করবেন? রইল ৫ কারণ
- আদালতে অঝোরে কাঁদলেন রামিসার মা
- হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু ছাড়ালো ৬০০
- ফের বিয়ে করছেন আমির খান, পাত্রী কে
- ক্যান্সার গবেষণায় নতুন অগ্রগতি
- এলপিজির দাম কমলো
- খুলনায় বিরল প্রজাতির প্রাণীর সন্ধান
- নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয় ফাইনালে বাংলাদেশ
- বিশ্বকাপ স্কোয়াড চূড়ান্ত সৌদির, আছেন যারা
- শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ের তারিখ নির্ধারণ
- সীমান্তে বিএসএফের ১০ পুশইন চেষ্টা রুখে দিলো বিজিবি
- যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- ঘুম ভাঙা মাত্রই মোবাইলে চোখ, কী ক্ষতি হচ্ছে জানেন?
- নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ
- বিশ্বকাপ স্টেডিয়ামে পানির বোতল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা










