হাসবেন, কিন্তু কেন ?
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ২৩:০৩ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
হাসি আমাদের দেহ-মন সুস্থ রাখার মহা ঔষধ। এর অর্থ সুস্থ থাকতে হলে আমাদের বেশি করে হাসতে হবে।
বিজ্ঞানের ভাষায় হাসি আমাদের দেহকে সর্বক্ষণ সুস্থ রাখতে সহায়তা করে থাকে। তাই যদি আপনি সর্বদা সুস্থ থাকতে চান তাহলে বেশি করে হাসুন।
চলুন তাহলে আজ জেনে নেই দেহের সুস্থতায় হাসি কেন এতো জরুরি :
যুগে যুগে জ্ঞানীগুণীরা সবাই হাসির প্রয়োজনীয়তার কথা বলে গেছেন। হাসি একটা পুরো চেহারাই বদলে দিতে পারে। হাসিমাখা মুখ দেখলেই কেমন মন ভালো হয়ে যায়। হাসি মুখের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় যেন শতগুণ। সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয় হাসি। তবে শুধু মুখের সৌন্দর্যই না, হাসি আমাদের আরও অনেক উপকার করে।
বেশি হাসি আপনার হার্টের জন্য খুব ভালো। গবেষণায় পাওয়া যায় যে সব মানুষ বেশি হাসে তাদের হার্টের সমস্যা তুলনামূলক ভাবে খুব কম এবং যারা কম হাসেন তাদের হার্টের সমস্যা হয়ে থাকে।
তাছাড়া যারা বেশি হাসতে পারেন না তারা তাদের ব্যক্তিগত জীবনেও নানা রকমের সমস্যায় থাকেন। তাই সুস্থ হার্টের জন্য মন-প্রাণ খুলে হাসুন।
হাসি আপানর দেহকে ক্যান্সার রোগ থেকে বাঁচাতে সাহায্য করবে।
আমেরিকার ক্যান্সার ট্রিটমেন্ট সেন্টারে ক্যান্সার রোগীদের হাসানোর জন্য বিশেষ থেরাপি দেয়া হয়ে থাকে। যা একজন ক্যানসার রোগীর দেহের ব্যথা দূর করে ও মন ভালো রাখে।
হাসি সম্পর্কের ত্রুটি দূর করে। হাসি মানুষকে একে অপরকে কাছাকাছি রাখতে সাহায্য করে থাকে। যে কোন ধরণের রাগ দূর করতে সুন্দর একটি হাসির উপকারিতা অনেক বেশি।
হাসি আপনার মনের সমস্ত দুশ্চিন্তা দূর করবে ও আপনাদের সম্পর্ক ভালো রাখতে সাহায্য করবে।
আপনার কাজ যেমনই হয়ে থাকুক না কেন সেই কাজটিকে আনন্দের সঙ্গে করার চেষ্টা করুন। কর্মক্ষেত্রে দুর্দান্ত উপায়ে, দলবদ্ধভাবে ও মানসিকভাবে শক্তি নিয়ে কাজ করতে হাসি খুশি থাকা খুবই জরুরি।
হাসি আপনার মানসিক চাপ দূর করে থাকে। কিন্তু এই বিষয়টি হয়তো আমরা বুঝি না, কারণ যখন একজন মানুষ মানসিকভাবে চাপের ওপর থাকে, স্বভাবগত ভাবেই তার মন খারাপ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তাছাড়া দৈনন্দিন যুগে মানসিক চাপ একটি রোগে পরিনত হয়েছে। তাই যখনই যেমন অবস্থায় থাকুন না কেন মন ভালো রাখতে ও মানসিক চাপ দূরে রাখতে হাসুন।
অট্ট হাসি আপানর দেহের যেকোন ব্যথা নিমিষেই দূর করতে সাহায্য করবে। অট্ট হাসি আমাদের মস্তিষ্কের এনডোরফিন (হরমোন) নামের একটি কেমিক্যাল নিঃসরণ করে থাকে যা আমাদের দেহের ব্যথা দূর করে থাকে।
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির জরিপে দেখা গেছে, যে মানুষ যত বেশি হাসবে তার দেহের ব্যথা তত বেশি কমে যাবে।
অনেক কারণেই আমরা বিষণ্ণতায় ভুগে থাকি। তাই হাসি আপনাকে সবসময় প্রফুল্ল রাখবে ও আপনার মনের গভীর থেকে বিষণ্ণতা দূর করবে।
গবেষণায় দেখা যায় যারা বেশি হাসতে থাকেন তাদের ভেতর অনেক কম দুশ্চিন্তা ভর করে। এবং বিষণ্ণতার প্রভাব থাকে না।
হাসি আপনার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। আপনি যখন হাসেন তখন আপনার দেহের রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায় এবং অক্সিজেন গ্রহণের মাধ্যমে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়।
হাসি ব্লাডপ্রেসার কমাতেও সাহায্য করে। আপনার কাছে যদি ব্লাডপ্রেসার মাপার যন্ত্র থাকে তাহলে খুব সহজেই এই পরীক্ষাটি করতে পারবেন। যখন বাড়িতে বসে বই পড়ছেন, তখন একবার মেপে নিন আপনার ব্লাডপ্রেসার তারপর কিছুক্ষণ পর হাসুন কয়েক মিনিট। তারপর আরেকবার মেপে নিন আপনার ব্লাডপ্রেসার। পার্থক্যটা আপনিই ধরতে পারবেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, ব্রেইনের নার্ভাস সিস্টেম ঠিক রাখতে, রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে এবং ব্যাথা নিরাময়ে হাসি প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
হাসি মানুষের মুখের রেখা টানটান রাখতে সহায়তা করে ফলে চামড়া ঝুলে পড়ে মানুষকে বৃদ্ধ দেখায় না। এছাড়াও যারা সবসময় হাসে তাঁদের তারুণ্যদীপ্তা অন্যদের চেয়ে বেশি এবং তাঁদের দেখতেও ভালো লাগে।
মন খুলে হাসতে পারলে অ্যাজমা, এমফাইসেমিয়া বা সাইনোসাইটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। শিশুকে বেশির ভাগ সময়ে হাসি-খুশির মধ্যে রাখতে পারলে তার লিভার ও ডাইজেস্টিভ সিস্টেম-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হয় না।
হাসি মানুষের নেতিবাচক মনোভাব কমিয়ে ইতিবাচক চিন্তা করতে সাহায্য করে। হাসির মাধ্যমে মনের অবসাদ, হতাশা দূর হয়। হাসি মানুষের শুধু শরীরের অসুখই সারায় না পাশাপাশি মনের অসুখও সারায়।
হাসি আপনাকে ভালো করে ঘুমাতে সাহায্য করে থাকে। জাপানে এক গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে যে সন্ধ্যায় আপনি যত বেশি হাসবেন রাতে আপনার ঘুম তত বেশি ভালো হবে। তাই ভালো ঘুমের জন্য রাতে ঘুমানোর আগে কোন মজার গল্পের বই পড়ুন কিংবা কোন মজার সিনেমা দেখুন যা আপনাকে অনেক বেশি হাসতে সাহয়তা করবে।
- এমসিসির আজীবন সদস্যপদ পেলেন তামিমসহ পাঁচজন
- ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’: বাজেট শুনলে চমকে উঠবেন?
- কিডনির সবচেয়ে বড় শত্রু কী?
- ‘বংশ রক্ষায়’ জুলাই শহীদের ‘অনুদানের টাকায়’ বাবার দ্বিতীয় বিয়ে
- একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই
- ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৫০০
- ভেবেছিলাম হয়তো মরেই যাব: সাইফ
- টানা ৯০ দিন চা না খেলে শরীরে কী ঘটবে?
- জুলাই হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার আলোচিত সেই মিষ্টি
- শেষ ৩২-এ কোন দল, কবে, কার মুখোমুখি
- পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নে ১৬৩ উপজেলা উপকৃত হবে
- কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবককে গুলি: ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড
- The Massive Payday Awaits the FIFA World Cup Champions
- The Story of Football’s Most Coveted Prize
- প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ১৭ সমঝোতা স্মারক সই
- কাবা শরিফ দেখে আবেগঘন বার্তা ভাবনার
- ১ শতাংশ ঘুম কমলেই ডিমনেশিয়ার ঝুঁকি বাড়ে ২৭%
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব চীনের
- কখন, কীভাবে শুরু হয়েছিল তাজিয়া মিছিল?
- বিশ্বকাপে গোলবন্যার নেপথ্যে ‘ট্রাইওন্ডা’
- ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত ৩২, আহত ৭০০
- বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় টুরিস্ট ভিসা চালুর ঘোষণা
- হামে মৃত্যুর দায় কার?
- হ্যান্ডমেড এমব্রয়ডারি ও মেশিনে কাজ করা কাপড় চেনার উপায়
- বিজয়কে প্রকাশ্যে শুভেচ্ছা না জানানো নিয়ে মুখ খুললেন রজনীকান্ত
- ভিনি’র জাদুতে নকআউট পর্বে ব্রাজিল
- ৪ মোবাইল অপারেটরের কাছে পাওনা ১৩,১৪৪ কোটি টাকা
- চ্যালেঞ্জ দিলেন ববি
- ১৭ থেকে ৩৯: কোন বয়সে কত গোল করেছেন মেসি
- রাইস না প্রেশার কুকার, রান্নার জন্য কোনটি ভালো?
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব চীনের
- ৯২ বছরের বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম জয় পেল মিশর
- ৪ মোবাইল অপারেটরের কাছে পাওনা ১৩,১৪৪ কোটি টাকা
- গরমে গ্যাস, অম্বল ও বদহজমের সমস্যা বাড়ে কেন?
- কাবা শরিফ দেখে আবেগঘন বার্তা ভাবনার
- হ্যান্ডমেড এমব্রয়ডারি ও মেশিনে কাজ করা কাপড় চেনার উপায়
- The Story of Football’s Most Coveted Prize
- রাইস না প্রেশার কুকার, রান্নার জন্য কোনটি ভালো?
- ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত ৩২, আহত ৭০০
- ভেবেছিলাম হয়তো মরেই যাব: সাইফ
- অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল বন্ধে হাইকোর্টে রিট
- বিশ্বকাপে গোলবন্যার নেপথ্যে ‘ট্রাইওন্ডা’
- চ্যালেঞ্জ দিলেন ববি
- ভিনি’র জাদুতে নকআউট পর্বে ব্রাজিল
- প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ১৭ সমঝোতা স্মারক সই
- নতুন ভূমিকায় মৌ
- ১৭ থেকে ৩৯: কোন বয়সে কত গোল করেছেন মেসি
- কখন, কীভাবে শুরু হয়েছিল তাজিয়া মিছিল?
- করের আওতায় আসছে মুদি দোকান-বিউটি পার্লারসহ ১৬ খাত
- The Massive Payday Awaits the FIFA World Cup Champions
















