ঢাকা, ১৪ জুলাই মঙ্গলবার, ২০২০ || ৩০ আষাঢ় ১৪২৭
good-food
৮৭

আমলকি মাল্টা কালোজিরার দামে আগুন

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৬:৩২ ২৮ জুন ২০২০  

আমলকির কদর সব শ্রেণি পেশার মানুষের কাছে রয়েছে। ফলে এর প্রতি বাড়তি চাহিদা রয়েছে সবার মধ্যেই। মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে সেই চাহিদা  কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। রাজধানীতে আমলকির কেজি ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মোকাবেলায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অনেকে প্রাকৃতিক উপাদানের দিকে ঝুঁকেছে। এতে বাজারে মধু, কালিজিরা, মাল্টা, কমলা, আদার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম হু হু করে  বাড়ছে।  আদা-রসুনের দাম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলেও  কালিজিরা, মাল্টা ও মধুর দাম কিছুতেই কমছে না। নতুন করে অস্বাভাবিক মাত্রায় বেড়েছে আমলকীর দাম। ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা বলছেন, মাল্টা-কমলার বাজার এক সপ্তাহ পর  কমবে। কালিজিরার বাজারও কমতে শুরু করেছে।  আমলকীর মৌসুম না হওয়ায় বাজারে এই ফল নেই বললেই চলে। অতিরিক্ত চাহিদায় ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়েছে ইচ্ছেমত।

রাজধানীর বাদামতলী, মানিকনগর, মালিবাগ, বাড্ডাসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মানভেদে মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে। বাদামতলীর পাইকারি বাজারে মাল্টা বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। একই দামে বিক্রি হচ্ছে কমলা। বিক্রেতারা বলেন, স্বাভাবিক সময়ে মাল্টা সাধারণত ১১০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। কিন্তু এবার আড়তে মাল একেবারেই কম। কিন্তু বিক্রি বেড়েছে তিন গুণ। 

বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুট ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানান, করোনার কারণে চাহিদা বেড়েছে। আমাদের দেশে মাল্টা-কমলা আসে সাধারণত মিসর, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে।  আমাদের প্রচুর মাল এখন সমুদ্রপথে রয়েছে। 

 এপ্রিল মাসে বাজারে মাল্টার দাম ছিল ১১০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি। ওই সময় দাম কেজিতে ৫০ থেকে ৬০ টাকা বাড়ানোর দায়ে বিভিন্ন বাজারে ব্যবসায়ীদের জরিমানাও করা হয়।  করোনা আসার পর থেকে সবচেয়ে বেশি চাহিদা বেড়েছে কালিজিরার। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, স্বাভাবিক সময়ে কালিজিরা ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। ফেব্রুয়ারিতেও এই দামেই বিক্রি হয়েছে। কিন্তু করোনার প্রভাব শুরু হওয়ার পর দাম বাড়ায় পাইকাররা। ফলে খুচরা বাজারেও দাম বাড়ে। শেষ পর্যন্ত ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। এখন দাম কমে এসেছে। খুচরা বাজারে এখন কালিজিরা বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি। শ্যামবাজারে পাইকারিতে কালিজিরা বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি।

 কালিজিরা ছাড়াও করোনায় চাহিদা বাড়ায় দাম  বেড়েছে মধুর। মধু বিক্রি হচ্ছে  ৭০০ থেকে ১৫০০ টাকা কেজি।