বাসি খাবার গরম করে খাওয়া কতটা নিরাপদ?
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৯:৪৩ ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রচলিত ভুল ধারণা রয়েছে যে, ফ্রিজের বাসি খাবার মাইক্রোওয়েভ ওভেনে বা চুলায় বারবার ভালো করে ফুটিয়ে বা গরম করে নিলে, ব্যাকটেরিয়া মরে যায় এবং খাবারটি আরও ৩-৪ দিন বেশি টিকিয়ে রাখা সম্ভব।
তবে খাদ্য নিরাপত্তা এবং খাদ্য-বিষক্রিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল এবং ভিত্তিহীন। ‘সেলফ ডটকম’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, খাবার বারবার গরম করা কোনো ‘ম্যাজিক রিসেট বাটন’ নয়।
খাবারের আসল শত্রু: তাপমাত্রা ‘ডেঞ্জার জোন’
যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অব মেডিসিনের মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি’ বিভাগের অধ্যাপক ড. বিল সালিভান বলেন, “ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের মাধ্যমে খাবারে বিষক্রিয়া বা ‘ফুড পয়জনিং’ ঘটে। রান্না করার পর থেকে খাবার ঠান্ডা হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে যখন খাবারের তাপমাত্রা ৪০ থেকে ১৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের (৪ থেকে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) মধ্যে নেমে আসে, তখন চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় তাকে ‘ডেঞ্জার জোন’ বা বিপজ্জনক তাপমাত্রা বলা হয়।”।
এই চিকিৎসক সতর্ক করে বলেন, “এই বিপজ্জনক তাপমাত্রার মধ্যে কিছু কিছু ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া প্রতি ২০ মিনিটে নিজেদের সংখ্যা দ্বিগুণ করে ফেলতে পারে। খাবার যত বেশি সময় এই তাপমাত্রায় থাকবে, সেখানে তত বেশি ব্যাকটেরিয়া জন্মাবে এবং ‘হিট-রেজিস্ট্যান্ট’ বা তাপ-প্রতিরোধী বিষাক্ত পদার্থ স্পোর তৈরি হবে।”
খাবার বারবার গরম করার অদৃশ্য ঝুঁকি
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ড্যারিন ডেটউইলার ব্যাখ্যা করেন, “খাবারকে ১৬৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৭৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় গরম করলে সাধারণ সক্রিয় ব্যাকটেরিয়াগুলো মারা যায় ঠিকই, তবে সব জীবাণু মরে না।”
তাপ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া: ভাতে থাকা ‘ব্যাসিলাস সিরিয়াস’ এবং মাংসে থাকা ‘ক্লস্ট্রিডিয়াম পারফ্রিঞ্জেন্স’ ব্যাকটেরিয়ার ‘স্পোর’ ও ‘টক্সিন’গুলো তাপ-প্রতিরোধী। ওভেনে গরম করলেও এরা সম্পূর্ণ অক্ষত থাকে।
বারবার গরম করার ঝুঁকি: একটি বড় পাত্রের পুরো খাবার বারবার ফ্রিজ থেকে বের করা, গরম করা এবং আবার ঠান্ডা করে ফ্রিজে রাখার ফলে খাবারটি প্রতিবার নতুন করে ‘ডেঞ্জার জোন’ তাপমাত্রায় প্রবেশ করে। এই চক্রাকার অবহেলা খাবারের ভেতরে ক্ষতিকর টক্সিন বা দূষণের পুঞ্জীভূত ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
ফ্রিজের খাবার নিরাপদ রাখার ৪টি বৈজ্ঞানিক নিয়ম
মার্কিন ‘ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)’ এবং বিশেষজ্ঞদের নির্দেশিকা অনুযায়ী ফ্রিজের খাবার সুস্থ উপায়ে খাওয়ার ৪টি নিয়ম নিচে তুলে ধরা হল।
তিন থেকে চার দিনের সময়: এফডিএ’-এর নিয়ম অনুযায়ী, ফ্রিজের সাধারণ বা নরমাল চেম্বারে রাখা বাসি খাবার সর্বোচ্চ ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে খেয়ে শেষ করা উচিত। এর চেয়ে বেশি দিনের পুরানো খাবার গরম করলেও, সম্পূর্ণ বিষমুক্ত হয় না।
শুধু নির্দিষ্ট অংশ গরম করা: পুরো পাত্রের খাবার একসঙ্গে ওভেনে বা চুলায় গরম করা ভুল অভ্যাস। প্রতিবার খাওয়ার সময় ঠিক যতটুকু প্রয়োজন, শুধু ততটুকু খাবারই আলাদা ছোট বাটিতে নিয়ে গরম করা উপকারী। বাকি খাবার পাত্রসহসঙ্গে সঙ্গে ফ্রিজে রেখে দেওয়া নিরাপদ।
চুলার তাপমাত্রা ও ফুড থার্মোমিটার: খাবার গরম করার সময়, সেটা যেন অন্তত ১৬৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উত্তপ্ত হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। একটি ডিজিটাল ফুড থার্মোমিটার দিয়ে যাচাই করে নেওয়া ভালো যে খাবারের ভেতরের অংশটিও সমানভাবে গরম হয়েছে কি-না।
দীর্ঘায়ু বাড়াতে ফ্রিজিং: যদি কোনো খাবার ৪ দিনের বেশি সময় ধরে সংরক্ষণ করার প্রয়োজন হয়, তবে তা সাধারণ বা নরমাল ফ্রিজে না রেখে ডিপ ফ্রিজে বা ফ্রিজারে বাতাসহীন পাত্রে ভালো মতো আটকে রাখতে হবে।
ফ্রিজারের মাইনাস তাপমাত্রা ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি সম্পূর্ণ স্তব্ধ করে দেয়, যা খাবারকে কোনো বিষক্রিয়া ছাড়াই দীর্ঘকাল সুরক্ষিত রাখে।
পরামর্শ
খাদ্যজনিত বিষক্রিয়া বা ‘ফুড পয়জনিং’ সৃষ্টিকারীসহ, কোনো ব্যাকটেরিয়া খালি চোখে দেখা যায় না। তাই ফ্রিজে থাকা কোনো বাসি খাবারের সুঘ্রাণ ঠিক থাকলেও, যদি সেটার রংয়ে সামান্য পরিবর্তন আসে, চটচটে বা পিচ্ছিলভাব তৈরি হয় বা ৪ দিনের বেশি পুরানো হয়ে থাকে, তবে তা গরম করার ঝুঁকি না নিয়ে সরাসরি ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
- ভাত রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুতে বলা হয় কেন?
- মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বর প্লেট রাখা বাধ্যতামূলক
- বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি
- এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
- এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
- ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, ধারণা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
- বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি পরিবর্তন
- ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’, নেহার ভিডিও নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে হাসান মাহমুদ
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
- বিধবা কার্ড দিলে সবার আগে এমপির বউ নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে পুশইন নয়: কলকাতা হাইকোর্ট
- বিয়ের জন্য যেমন ছেলে চান মিমি
- যেসব খাবার একসঙ্গে খেলে বেশি পুষ্টি মিলে
- বিমানবন্দরে ‘সোনার ডিম’ উদ্ধার: ৫ দিনের রিমান্ডে আসামি
- রূপপুরের বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ: রোসাটম
- শান্তিতে নোবেলজয়ী কে এই নাভি পিল্লাই
- হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসে হাসান মাহমুদ
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- হঠাৎ চুল পড়া বাড়লে কি করবেন?
- দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত যেভাবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- একটি দৃশ্যের জন্য এখনো বারবার মহড়া দেন অমিতাভ
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা জাতীয় স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
















