মির্জা ফখরুল: যুদ্ধ থেকে কারাগার, অতঃপর রাষ্ট্রপতি
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৬:৫০ ২১ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘ভদ্রলোক’ হিসেবে খ্যাত ৭৮ বছর বয়সী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন তিনি। পরে জাতীয় নির্বাচনি, ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলীয় রাজনীতি করেছেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা।
ইতোমধ্যে কয়েক দফা কারাবরণ করেছেন মির্জা ফখরুল। সবমিলিয়ে তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবন নানা বৈচিত্রে পরিপূর্ণ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে জীবনের নতুন এক অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন তিনি।
বাংলাদেশের বিতর্কিত ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের কয়েক দিন আগে মির্জা ফখরুলের একটি নির্বাচনি প্রচারণামূলক ভিডিও প্রকাশ হয়। এখানে তিনি ভোটারদের ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব ওই ভিডিওতে গণতন্ত্র, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার অধীনে কর্তৃত্ববাদ এবং ভোট দেওয়ার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেছিলেন। ওই ভিডিওতে জানান, ১৯৭১ সালে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তিনি অংশ নিয়েছিলেন। গৌরবের এ বিষয়টি নিয়ে এর আগে প্রকাশ্যে উচ্চারণ করেননি। ফলে তা অনেকেরই অজানা ছিল।
মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল জানান, তিনি চান বাংলাদেশের মানুষ আবারও লড়াই করুক। এবার তা হবে ভোটের বাক্সের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য। বাংলাদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ এই ঘটনায় নিজের ভূমিকার কথা খুব কমই সামনে এনেছেন সিনিয়র নেতা।
কিছুদিন আগে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন বিএনপি মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেয়। ফলে সংসদ সদস্যদের ভোটের আগেই তার জয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায়।
বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন। বিএনপি ও তাদের মিত্রদের সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদে কোনো সদস্য নিজের দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারেন না।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট আরেক প্রবীণ রাজনীতিক ও লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান অলি আহমদকে প্রার্থী করেছিল। তবে বিএনপির প্রার্থীকে হারানোর মতো প্রয়োজনীয় সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় তার মনোনয়ন অনেকটাই প্রতীকী হয়ে দাঁড়ায়।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ফখরুল ২৫৫ জন সংসদ সদস্যের সমর্থন পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
মুক্তিযুদ্ধ থেকে বিরোধী রাজনীতি
১৯৪৮ সালে দেশের উত্তরাঞ্চলের ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্ম নেওয়া মির্জা ফখরুল রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় একটি পরিবারে বেড়ে ওঠেন। তার বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন একজন আইনজীবী ও রাজনীতিক। পরবর্তীতে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তার চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ পরবর্তী সময়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও মন্ত্রিসভার সদস্য হন।
মির্জা ফখরুলের নিজের রাজনৈতিক জীবন অবশ্য শুরু হয়েছিল বামপন্থী রাজনীতির মধ্য দিয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে পড়ার সময় তিনি কমিউনিস্ট আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে যোগ দেন। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের শাসনের বিরুদ্ধে ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি হন।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিরোধ আন্দোলনে যোগ দেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানান, পুলিশ অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র সংগ্রহ, স্থানীয় প্রতিরোধ গড়ে তোলা, অস্ত্র প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং পাকিস্তানি সেনাদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে একটি সেতু ধ্বংসে তিনি ভূমিকা রেখেছিলেন।
স্থানীয় প্রতিরোধ ভেঙে পড়ার পর ভারতে যান মির্জা ফখরুল। সেখানে প্রশিক্ষণ শিবিরে পাঠানোর জন্য তরুণ বাংলাদেশিদের সংগঠিত করার কাজে যুক্ত হন। বিস্ময়করভাবে সত্যি হলেও মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকা বিগত কয়েক দশক ধরে খুব কমই আলোচিত হয়েছে। অথচ এমন এক রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে তিনি সক্রিয় ছিলেন, যেখানে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ প্রায়ই গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
স্বাধীনতার পর মির্জা ফখরুল ঢাকা কলেজে অর্থনীতি বিষয়ে অধ্যাপনায় যুক্ত হন। পরবর্তীতে সরকারি চাকরিতেও যোগ দেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রপতি থাকাকালে উপপ্রধানমন্ত্রী এস এ বারির সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে শিক্ষকতায় ফিরে যান।
পরবর্তী সময়ে সরকারি চাকরি ছেড়ে নির্বাচনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন মির্জা ফখরুল। ১৯৮৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় বিএনপিতে যোগ দেন তিনি। ১৯৯২ সালে দলটির ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি হন।
২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল। পরে তিনি কৃষি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তবে বিএনপি ক্ষমতা হারানোর পরই জাতীয় রাজনীতিতে তার উত্থান আরও স্পষ্ট হয়।
২০০৯ সালে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ২০১১ সালে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসচিব হন মির্জা ফখরুল। এরপর দলের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোতে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অন্যতম প্রধান ব্যক্তি হয়ে ওঠেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া যখন কারাগারে এবং তারেক রহমান লন্ডনে নির্বাসিত ছিলেন, তখন স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দমন-পীড়নের কয়েক বছর দলটির প্রধান মুখপাত্র হয়ে ওঠেন মির্জা ফখরুল। বাংলাদেশের রাজনীতির তীব্র ও সংঘাতপূর্ণ বক্তব্যের বিপরীতে তার সংযত আচরণ প্রায়ই আলাদা করে নজর কেড়েছে। এমনকি প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সদস্যরাও বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও ২০১৯ সালে মির্জা ফখরুলকে ‘ভদ্রলোক’ ও ‘ভালো মানুষ’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ফখরুলকে কখনো গালিগালাজ করতে শোনেননি।
রাজপথের সংঘাতপূর্ণ রাজনীতি, একের পর এক মামলা এবং কারাবরণের মধ্যেও মির্জা ফখরুলের এই ভাবমূর্তি টিকে ছিল। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির বড় সমাবেশ ঘিরে সহিংসতার পর পুলিশ তাকে নিজ বাসা থেকে আটক করে। ২০২৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ধরপাকড়ের সময় তিনি কারাগারেই ছিলেন। ওই নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি।
ততদিনে মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে প্রায় ১০০টি ফৌজদারি মামলা ছিল বলে জানা যায়। এর মধ্যে একটি গ্রেপ্তার ছিল তার জন্য বিশেষভাবে কঠিন ব্যক্তিগত মুহূর্তে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম গুরুতর অসুস্থতার পর অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। রাত প্রায় ৩টার দিকে পুলিশ মির্জা ফখরুলকে আটক করে। পরে বিএনপি মহাসচিব লিখেছিলেন, “আমার স্ত্রী যখন অস্ত্রোপচার করছিলেন, আমি তখন কারাগারে।”
উদার জাতীয়তাবাদী থেকে রাষ্ট্রপতি
মির্জা ফখরুল নিজেকে একজন উদার গণতন্ত্রী হিসেবে বর্ণনা করেন। বামপন্থী ছাত্ররাজনীতি থেকে মধ্য-ডানপন্থি বিএনপিতে রাজনৈতিক যাত্রা তার এই অবস্থান গঠনে ভূমিকা রেখেছে।
২০২৪ সালে দ্য ডেইলি স্টারকে তিনি বলেছিলেন, “আমি একসময় বামপন্থী বিপ্লবী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম।” তার মতে, সেই অভিজ্ঞতায় তিনি বুঝেছেন অগ্রগতি অর্জনের পথ গণতন্ত্রের মধ্য দিয়েই যেতে হবে। তবে বাংলাদেশের প্রচলিত রাজনৈতিক বিভাজনের সঙ্গে তার রাজনীতি সবসময় পুরোপুরি মেলেনি।
বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে কেন্দ্রীয় গুরুত্বের পক্ষে মির্জা ফখরুল বরাবরই অবস্থান নিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার বিরোধিতা করা জামায়াতে ইসলামির সঙ্গেও বিভিন্ন সময়ে তার বিরোধ হয়েছে।
২০২৪ সালে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এরপর ২০২৫ সালের মার্চে তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্ব কমিয়ে দেখানোর চেষ্টার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছিলেন। তিনি বলেন, “যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের পক্ষে ভূমিকা নিয়েছিল, তারা আবারও প্রকাশ্যে সক্রিয় হয়ে উঠছে।”
একই সময়ে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের রাজনীতির সঙ্গে নিজের উদারনৈতিক অবস্থানেরও সমন্বয় করেছেন মির্জা ফখরুল। ২০২৬ সালের নির্বাচনি প্রচারে আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ধর্মনিরপেক্ষতা বিএনপির লক্ষ্য নয়।”
বরং সব ধর্মের অনুসারীদের সমান অধিকারের ওপর জোর দেন মির্জা ফখরুল। দণ্ডিত হাসিনার পতনের পর সাবেক কৌশলগত মিত্র জামায়াত নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হলে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে দলটির বিরোধ আরও তীব্র হয়।
সম্প্রতি রংপুরে মির্জা ফখরুল মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন যে, ভোটাররা বারবার বিএনপি ছাড়া অন্য দলকে সমর্থন করায় অঞ্চলটি এখনো অনুন্নত রয়ে গেছে। জামায়াতের সংসদ সদস্যরা এর প্রতিবাদ করেন এবং তার সমর্থকদের একাংশ মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে থাকা মির্জা ফখরুল এখন দৈনন্দিন দলীয় রাজনীতি থেকে সরে গেলেন। রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়ার পর তিনি বিএনপির মহাসচিবের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির পদ মূলত আনুষ্ঠানিক। তবে সাংবিধানিক দায়িত্বের পাশাপাশি বিশেষ করে প্রাতিষ্ঠানিক বা রাজনৈতিক সংকটের সময়ে এই পদের যথেষ্ট প্রতীকী গুরুত্ব রয়েছে।
মির্জা ফখরুলের জন্য বঙ্গভবন তাই এক অস্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিণতি। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক যুগের মধ্য দিয়ে যাওয়া একজন রাজনীতিক হিসেবে তার জন্য এটি একেবারেই ভিন্ন ধরনের গন্তব্য।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মির্জা ফখরুল খুব কমই নিজের মুক্তিযুদ্ধের ভূমিকা রাজনৈতিক যোগ্যতা হিসেবে ব্যবহার করেছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভাষা ক্রমেই তিক্ত হয়ে উঠলেও তিনি ব্যক্তিগত আক্রমণ দূরে থেকেছেন। আর এই সংযত আচরণেই বছরের পর বছর ধরে তার নামের সঙ্গে ‘বাংলাদেশের রাজনীতির ভদ্রলোক’ বিশেষণটি যুক্ত হয়ে রয়েছে।
- মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা
- ঝগড়ার পরে সম্পর্ক ঠিক করবেন যে ৫ উপায়ে
- মির্জা ফখরুল: যুদ্ধ থেকে কারাগার, অতঃপর রাষ্ট্রপতি
- নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি : শাকিব খান
- ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে যা জানালেন তামিম
- বেসরকারি শিক্ষকদের বদলি আবেদন শুরু, করবেন যেভাবে
- যানজট নিয়ন্ত্রণে যুক্ত হচ্ছে ড্রোন সার্ভিলেন্স
- মিথ্যা বললে শরীরের যত ক্ষতি হয়
- আইয়ুব বাচ্চু: ছয় তারের জাদুকর
- বল কেটে ভাগ করলেন টাং ও রবিনসন
- স্বামীকে শেষ বিদায় জানাতে ঢাকার বাসায় দীপু মনি
- সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে, তদন্তে জোর বিএফআইইউর
- সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: মির্জা ফখরুল
- গলাব্যথা-সর্দি-কাশিতে আরাম দেবে ৩ ঘরোয়া পানীয়
- গোলাপি বাস নিয়ে ট্রল: সমালোচকদের কড়া জবাব সাদিয়া আয়মানের
- প্রিমিয়ার লিগের যে পাঁচ তারকার ওপর নজর থাকবে
- ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী, জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা
- জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবো: দুদক চেয়ারম্যান
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ব্যালট ‘ওপেন’, কে কাকে ভোট দেবেন দেখা যাবে
- সন্তান সম্পর্কে অন্যদের যেসব কথা বলতে দেবেন না
- ঢাকায় ২০০ ইভি বাস কিনছে সরকার, নারীদের জন্য ১০০টি
- ‘আমি বন্দী কারাগারে’ গানের শিল্পী মুজিব পরদেশী কারাগারে
- দিল্লির পর ঝাড়খণ্ডেও জেন জি আন্দোলন সফল
- নতুন নিয়মে প্রথম শাস্তি পেলেন নেইমার
- সাবেক সেনাপ্রধান আজিজকে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলে চিঠি
- স্পাইডারম্যানের আয় ছাড়ালো ২৪,৫০০ কোটি টাকা
- বাংলাদেশের কাছে হারের পর শাস্তির কবলে অস্ট্রেলিয়া
- বাংলাদেশে আশ্রিত ৩,৯০০০০ রোহিঙ্গা রাখাইনের বাসিন্দা: মিয়ানমার
- ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, পাহাড়ধসের সতর্কতা
- বৃষ্টির দিনে ইন্টারনেটের গতি কি আসলেই কমে?
- ডেস্কে টানা কাজ: কোমর-পিঠের ব্যথা এড়াবেন যেভাবে
- গলাব্যথা-সর্দি-কাশিতে আরাম দেবে ৩ ঘরোয়া পানীয়
- সন্তান সম্পর্কে অন্যদের যেসব কথা বলতে দেবেন না
- আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী: এনডিটিভি
- বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপন: প্রধানমন্ত্রী
- অস্ট্রেলিয়ায় যেখানে পাকিস্তান-ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমানোর যত ঘরোয়া উপায়
- দিল্লির পর ঝাড়খণ্ডেও জেন জি আন্দোলন সফল
- ভারতে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক ওয়াংচুকের
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ব্যালট ‘ওপেন’, কে কাকে ভোট দেবেন দেখা যাবে
- বৃষ্টির দিনে ইন্টারনেটের গতি কি আসলেই কমে?
- বাংলাদেশে আশ্রিত ৩,৯০০০০ রোহিঙ্গা রাখাইনের বাসিন্দা: মিয়ানমার
- মিথ্যা বললে শরীরের যত ক্ষতি হয়
- যেভাবে রিয়াজকে খুঁজে পেয়েছিলেন জসিম
- গোলাপি বাস নিয়ে ট্রল: সমালোচকদের কড়া জবাব সাদিয়া আয়মানের
- ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, পাহাড়ধসের সতর্কতা
- পান মশলার প্রচার করে বিপাকে শাহরুখ-অজয়-টাইগার
- সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষক্রিয়ায় নিহত ৮
- সাবেক সেনাপ্রধান আজিজকে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলে চিঠি
- সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: মির্জা ফখরুল













