যানজট নিয়ন্ত্রণে যুক্ত হচ্ছে ড্রোন সার্ভিলেন্স
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৫:০৪ ২১ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীতে যানজট নিয়ন্ত্রণ ও সড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরাতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ক্যামেরার পর এবার ড্রোন সার্ভিলেন্স চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
পরীক্ষামূলকভাবে প্রাথমিক পর্যায়ে একটি ড্রোনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও যানজটপ্রবণ এলাকায় রিয়েল টাইম তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্ত, সতর্কবার্তা প্রদান এবং পরবর্তী সময়ে অটোমেটেড নম্বর প্লেট রিডার (এএনপিআর) যুক্ত করে ভিডিও মামলা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। ট্রাফিকে নতুন এ প্রযুক্তি যুক্ত হলে রাজধানীতে যানজট অনেকাংশ কমে আসবে।
সম্প্রতি ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান ডিএমপি সদর দপ্তরে বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ পরিকল্পনার কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘‘ড্রোন সার্ভিলেন্স পৃথিবীর বহু দেশে আছে। তবে, এটি আমাদের জন্য একেবারে নতুন একটি কনসেপ্ট। অনেক সময় দেখা যাচ্ছে সড়কের পাশাপাশি ফ্লাইওভার ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েও যানজট তৈরি হয়। অনেক সময় এসব যানজটের সঠিক কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না বা জানতে দেরি হয়। সেজন্য আমরা চিন্তা করেছি, গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন জায়গায় যদি আমরা ড্রোন সার্ভিলেন্স চালু করতে পারি, তাহলে এটি আমাদের তাৎক্ষণিক রিয়েল টাইম ইনফরমেশন দিবে। এতে আমাদের জন্য নির্দেশনা দিতে সহজ হবে।’’
তিনি বলেন, ‘‘ড্রোনে যদি অটোমেটিক নাম্বার প্লেট রিকগনিশন (এএনপিআর) প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হয়, তাহলে এখান থেকে আমার ভিডিও মামলা দেওয়া সম্ভব হবে।’’
আনিছুর রহমান বলেন, ‘‘ঢাকা শহরে সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো বাসগুলো নির্দিষ্ট বাস স্টপেজে থামে না। এটা না থামার প্রধান কারণ হচ্ছে বাসগুলো মালিকপক্ষ থেকে কন্টাক্ট দেওয়া হয়। এগুলো মালিকের নিয়ন্ত্রণে নাই। শ্রমিকরা বাস কন্টাক্ট নিয়ে চালায়। বাসের কন্ডিশন অনুযায়ী পার ডে তারা মালিককে টাকা দেয়। এই টাকা দেওয়ার ফলে নিজেদের মধ্যে কম্পিটিশন করে যে তাকে প্রতিদিনের টাকা প্রতিদিন দিতে হবে, আদায় করতে হবে। কম্পিটিশনের কারণে বাসগুলো যাত্রী ছাউনিতে না থামিয়ে ইচ্ছেমতো যেখানে সেখানে থামে এবং পেছনের পুরো রাস্তা ব্লক করে দেয়।’’
তিনি বলেন, ‘‘উন্নত দেশগুলোতে নির্দিষ্ট সময় পরপর বাস চলাচল করে। কোন বাসের পর কোন বাস আসবে এবং কোন বাস কখন কোথায় দাঁড়াবে—সবকিছু একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। আমাদের দেশে এ ধরনের ব্যবস্থা নেই। এ কারণে বাসগুলো যাত্রী পাওয়ার জন্য একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। ফলে ঢাকা শহরের প্রায় সব বাসের গায়ে অসংখ্য দাগ ও ক্ষত দেখা যায়। দেখতে অনেকটা বসন্ত রোগীর মুখের মতো। এটা যতদিন পর্যন্ত বন্ধ না হবে এবং ই-টিকিটিং সিস্টেম ও বাস রুট রেশনালাইজেশন—এই দুইটা কাজ যতদিন আমরা যথাযথভাবে করতে না পারব, ততদিন পর্যন্ত এই ভোগান্তি কমবে না।’’
ড্রোনগুলো ঠিক কী ধরনের কাজ করবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘ড্রোনে ভয়েস বা শব্দের ব্যবস্থা থাকবে। এর মাধ্যমে আইন ভঙ্গকারী যানবাহনকে সতর্কবার্তা দেওয়া যাবে। যেমন— কোনো গাড়ি যানজট সৃষ্টি করলে ড্রোন থেকে বলা যাবে, ‘আপনি যানজট সৃষ্টি করছেন, সরে যান।’’
তিনি বলেন, ‘‘ড্রোনের মাধ্যমে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় মামলাও করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে। তবে এটি এখনো একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। একটি সংস্থা পরীক্ষামূলকভাবে আমাদের কাছে একটি ড্রোন দিয়েছে। আমরা সেটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি। আশা করছি, খুব দ্রুত এটি নিয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করতে পারব।’’
ড্রোনের মাধ্যমে রিয়েল টাইম ডেটা সরাসরি পাওয়া যাবে কিনা- জানতে চাইলে আনিছুর রহমান বলেন, ‘‘একদম রিয়েল টাইম ডেটা পাওয়া সম্ভব। তবে, এগুলো পেতে আমাদের অবকাঠামো লাগবে। কারণ এগুলো সবই হচ্ছে ইন্টারনেট বেইজড, সার্ভার বেইজড। এগুলোর জন্য স্পেস দরকার, অবকাঠামো দরকার। এগুলোর জন্য ব্যয় আছে। কারণ প্রতি মুহূর্তে তো খরচ। কারণ আপনি যখন ইন্টারনেট ইউজ করবেন, ইন্টারনেট তো আপনাকে কারো না কারো কাছ থেকে নিতে হবে। সেখানে পয়সা খরচ হবে।’’
ড্রোনের মাধ্যমে যে মামলা হবে, সেটি কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হবে, নাকি ফুটেজ দেখে ম্যানুয়ালি মামলা দেওয়া হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে আমরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়ার পর্যায়ে যাইনি। তবে এভাবে মামলা দেওয়া সম্ভব। কিন্তু এতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। আমরা এ দেশেরই নাগরিক এবং এখানেই বসবাস করি। তাই আমরা চাই, কারো সঙ্গে যেন সামান্যও অনিয়ম বা অন্যায় না হয়। এ কারণে আমরা মামলার ফুটেজগুলো প্রথমে বিশ্লেষণ করি। এরপর মামলা দেওয়া হয়।’’
তিনি বলেন, ‘‘আমি বারবার সবাইকে একটি কথা বলি— মামলার সংখ্যা দিয়ে কখনো কাজের মান বিচার করা যায় না। বরং বেশি মামলা হওয়ার অর্থ হলো, বেশি মানুষ ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করছে। আমাদের লক্ষ্য বেশি মামলা দেওয়া নয়। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো- মানুষ যেন সড়ক আইন মেনে চলে।’’
ড্রোন পরিচালনার জন্য আলাদা কোনো প্রশিক্ষণ দরকার আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘‘ড্রোন চালানো একটি কারিগরি বিষয়। তাই আমরা ইতোমধ্যে আমাদের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছি। প্রথমে তেজগাঁও বিভাগ থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সেখানে আমাদের একটি দল ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। পরবর্তী ধাপে উত্তরা বিভাগের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আগামী সপ্তাহ থেকে তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হবে।’’
আনিছুর রহমান বলেন, ‘‘শুরুতে কিছুটা সময় লাগবে। কারণ আমরা আগে এভাবে কাজ করিনি। আমরা প্রথমে ট্রাফিক সিগন্যাল নিয়ে কাজ শুরু করেছি। শাহবাগ থেকে শুরু করে ১৪টি এবং লেক রোডে একটি— মোট ১৫টি সিগন্যাল এআই প্রযুক্তির আওতায় আনা হয়েছে। এর পাশাপাশি ডিএমপির অন্যান্য সিগন্যালও রয়েছে।’’
তিনি বলেন, ‘‘আমরা প্রথমে দেখতে চেয়েছিলাম, এই ব্যবস্থা কাজ করে কি না। আপাতত কাজ করছে। তবে সমস্যা যে নেই, তা নয়। সমস্যা রয়েছে। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি, মানুষ যেন ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলতে শেখে। তবে এই অভ্যাস তৈরি হতে কিছুটা সময় লাগছে। আশা করি, ড্রোনের ক্ষেত্রেও সময় লাগবে। আমরা এটি পরীক্ষা করে দেখব। যদি কোনো নেতিবাচক দিক দেখা যায়, তাহলে এটি চালু করা হবে না।’’
- মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা
- ঝগড়ার পরে সম্পর্ক ঠিক করবেন যে ৫ উপায়ে
- মির্জা ফখরুল: যুদ্ধ থেকে কারাগার, অতঃপর রাষ্ট্রপতি
- নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি : শাকিব খান
- ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে যা জানালেন তামিম
- বেসরকারি শিক্ষকদের বদলি আবেদন শুরু, করবেন যেভাবে
- যানজট নিয়ন্ত্রণে যুক্ত হচ্ছে ড্রোন সার্ভিলেন্স
- মিথ্যা বললে শরীরের যত ক্ষতি হয়
- আইয়ুব বাচ্চু: ছয় তারের জাদুকর
- বল কেটে ভাগ করলেন টাং ও রবিনসন
- স্বামীকে শেষ বিদায় জানাতে ঢাকার বাসায় দীপু মনি
- সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে, তদন্তে জোর বিএফআইইউর
- সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: মির্জা ফখরুল
- গলাব্যথা-সর্দি-কাশিতে আরাম দেবে ৩ ঘরোয়া পানীয়
- গোলাপি বাস নিয়ে ট্রল: সমালোচকদের কড়া জবাব সাদিয়া আয়মানের
- প্রিমিয়ার লিগের যে পাঁচ তারকার ওপর নজর থাকবে
- ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী, জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা
- জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবো: দুদক চেয়ারম্যান
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ব্যালট ‘ওপেন’, কে কাকে ভোট দেবেন দেখা যাবে
- সন্তান সম্পর্কে অন্যদের যেসব কথা বলতে দেবেন না
- ঢাকায় ২০০ ইভি বাস কিনছে সরকার, নারীদের জন্য ১০০টি
- ‘আমি বন্দী কারাগারে’ গানের শিল্পী মুজিব পরদেশী কারাগারে
- দিল্লির পর ঝাড়খণ্ডেও জেন জি আন্দোলন সফল
- নতুন নিয়মে প্রথম শাস্তি পেলেন নেইমার
- সাবেক সেনাপ্রধান আজিজকে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলে চিঠি
- স্পাইডারম্যানের আয় ছাড়ালো ২৪,৫০০ কোটি টাকা
- বাংলাদেশের কাছে হারের পর শাস্তির কবলে অস্ট্রেলিয়া
- বাংলাদেশে আশ্রিত ৩,৯০০০০ রোহিঙ্গা রাখাইনের বাসিন্দা: মিয়ানমার
- ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, পাহাড়ধসের সতর্কতা
- বৃষ্টির দিনে ইন্টারনেটের গতি কি আসলেই কমে?
- ডেস্কে টানা কাজ: কোমর-পিঠের ব্যথা এড়াবেন যেভাবে
- গলাব্যথা-সর্দি-কাশিতে আরাম দেবে ৩ ঘরোয়া পানীয়
- সন্তান সম্পর্কে অন্যদের যেসব কথা বলতে দেবেন না
- আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী: এনডিটিভি
- বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপন: প্রধানমন্ত্রী
- অস্ট্রেলিয়ায় যেখানে পাকিস্তান-ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমানোর যত ঘরোয়া উপায়
- দিল্লির পর ঝাড়খণ্ডেও জেন জি আন্দোলন সফল
- ভারতে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক ওয়াংচুকের
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ব্যালট ‘ওপেন’, কে কাকে ভোট দেবেন দেখা যাবে
- বৃষ্টির দিনে ইন্টারনেটের গতি কি আসলেই কমে?
- বাংলাদেশে আশ্রিত ৩,৯০০০০ রোহিঙ্গা রাখাইনের বাসিন্দা: মিয়ানমার
- মিথ্যা বললে শরীরের যত ক্ষতি হয়
- যেভাবে রিয়াজকে খুঁজে পেয়েছিলেন জসিম
- গোলাপি বাস নিয়ে ট্রল: সমালোচকদের কড়া জবাব সাদিয়া আয়মানের
- ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, পাহাড়ধসের সতর্কতা
- পান মশলার প্রচার করে বিপাকে শাহরুখ-অজয়-টাইগার
- সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষক্রিয়ায় নিহত ৮
- সাবেক সেনাপ্রধান আজিজকে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলে চিঠি
- সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: মির্জা ফখরুল
















