আমরাই আসছি, মানুষ আমাদের চাইছেন: শেখ হাসিনা
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৯:০৫ ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮
নির্বাচন একেবারে দোড়গোড়ায়। হাতে রয়েছে মাত্র তিনটে দিন। ভোটের সেই উত্তেজনার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেন বড় নিশ্চিন্ত! নির্বাচনের প্রাক্ মুহূর্তে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, তার দল আওয়ামী লীগ ফের জিতছে।
আসছে রোববার বাংলাদেশে ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার ধানমন্ডির সুধাসদনে শেখ হাসিনাকে অন্য মেজাজে পাওয়া গেল। তার মুখে দেখা গেল তৃপ্তির হাসি। বড় নিশ্চিন্তভাবে বললেন, বাংলাদেশের জনগণের ওপর আমার বিপুল আস্থা। মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। জনগনের ভোটেই আমরা নির্বাচিত হব।
এতটা নিশ্চিত কী ভাবে হচ্ছেন? হাসিনার যুক্তি, ২০১৩-র নির্বাচনে প্রায় ৬’শ স্কুল পোড়ানোর কথা বাংলাদেশের মানুষ ভুলে যায়নি। মুছে যায়নি প্রিসাইডিং অফিসারসহ অজস্র নাগরিককে হত্যার স্মৃতি। রাস্তা কেটে মানুষের যাতায়াত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, সেই সময়ে জনগণই রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। ভোটও দিয়েছিলেন তারা। সেই জনগণ ফের তাকেই ভোট দেবেন বলে বিশ্বাস তার।
একই সঙ্গে হাসিনা মনে করিয়ে দিলেন, নির্বাচনের পরে বাংলাদেশে একের পর এক সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। সাধারণ মানুষ সেসব ভোলেননি। আর ভোলেননি বলেই ওই সব ঘটনা যে রাজনৈতিক দল ঘটিয়েছিল, তারা জনসমর্থনহীন হয়ে পড়েছে। আর সেই জোরের জায়গা থেকেই ফের সরকার গঠনের ব্যাপারে আশাবাদী আওয়ামী লীগ।
কিন্তু, নির্বাচনের আগে বিরোধীরা তো তার দলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলছে। কথাটা বলতেই যেন একটু বিরক্ত হলেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন, নালিশ করার পাশাপাশি বিভ্রান্তি ছড়াতে এবং মিথ্যা কথা বলতে ওরা ভীষণ পারদর্শী। হাসিনার পাল্টা দাবি, নির্বাচনে বিরোধীদের হয়ে যারা প্রার্থী হতে চেয়েছেন, তাদেরই ওরা নমিনেশন দিয়েছে। কিন্তু, দলীয় প্রতীক পেয়েছেন একজন। এর পর নিজেদের মধ্যেই সঙ্ঘাত শুরু হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর দাবি। তার কথায়, দলের পুরনো বা জিতবেন এমন নেতাদের নমিনেশন দেয়নি ওরা। যে কারণে বঞ্চিতদের কাছে ওদের আক্রান্ত হতে হচ্ছে। কয়েকজন নেতা-কর্মীকে খুনের ঘটনা ঘটেছে সম্প্রতি। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে শেষ হওয়ার পর সে বিষয়ে তদন্ত হবে বলেও জানালেন তিনি।
বাংলাদেশের যুব সম্প্রদায় আওয়ামী লীগ সম্পর্কে খুবই উৎসাহী বলে মনে করেন হাসিনা। তার মতে, বাংলাদেশে মানুষের মন থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসটাই মুছে ফেলা হয়েছিল। এখনকার নতুন প্রজন্মের মধ্যে সত্যকে জানার একটা আগ্রহ রয়েছে। ইন্টারনেটে খুঁজলেই একাত্তরের অনেক তথ্য এখন জানা যায়। ফলে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার বিষয়টি এখন অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। তার কথায়, এর জেরে আওয়ামী লীগের প্রতি যুব সম্প্রদায়ের মতটাই পাল্টে গিয়েছে।
নির্বাচন উপলক্ষে হাসিনা দেশের বিভিন্ন জায়গায় সফর করেছেন। সেই সফরে তিনি মানুষের কাছ থেকে ভালোই সাড়া পেয়েছেন বলে এদিন দাবি করেন।
তার কথায়, মানুষের মধ্যে সেই ভালোবাসাটা দেখতে পেলাম জানেন! তারা অন্তর থেকে চাইছেন, আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসুক। জনগণ এটা জানেন, আওয়ামী লীগের মাধ্যমেই তাদের ভাগ্য পরিবর্তিত হবে।
নারীদের থেকে তো বটেই, আওয়ামী লীগ তরুণ সমাজের কাছ থেকেও অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছে বলে দাবি করেন হাসিনা। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনটা আগের মতো অত চ্যালেঞ্জিং নয়। বৈরীতার পরিবেশও নেই। বরং আমাদের স্বপক্ষে একটা পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এর আগের নির্বাচনগুলোয় একটা বিভেদ লক্ষ করতাম। এবার কিন্তু একচেটিয়াভাবে সবার সমর্থনটা আমাদের সঙ্গে রয়েছে। সেটা টেরও পাচ্ছি।
পাকিস্তান প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন হাসিনা। তার দাবি, বাংলাদেশে কিছু পাকিস্তানপ্রেমী মানুষ আছেন। যুদ্ধাপরাধীদের মন পড়ে আছে পাকিস্তানে—এমন মন্তব্যও করলেন তিনি। পাশাপাশি জানিয়ে দিলেন, তারা সতর্ক আছেন। কারও সঙ্গে বৈরীতা করতে না চাইলেও, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কাউকে যেকোনও ভাবেই নাক গলাতে দেবে না বাংলাদেশ, সে কথাও এ দিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন হাসিনা।
বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত যে আসামিরা লন্ডনে বসে রয়েছে, তাদের সম্পর্কে আওয়ামী লীগের মনোভাব এদিন স্পষ্ট হয়েছে হাসিনার কথায়। তার মতে, ওই সব আসামিরা সবসময় বিদেশে বসে দেশের ভিতর একটা অশান্ত পরিবেশ তৈরি করতে চায়। অস্ত্রপাচার, চোরাকারবার এবং দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ওই সব মানুষের অঢেল টাকা বলে আওয়ামী লীগ সভাপতির অভিযোগ। তার দাবি, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাতে যারা সুযোগ সুবিধা পেয়েছে, সেসব ব্যবসায়ীরাও ওই দলকে টাকা পয়সা দেয়। তার কথায়, ক্ষমতায় ছিল যখন, দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ না করলেও নিজেদেও আখের ওরা গুছিয়ে নিয়েছে। ওই টাকা তো ওরা এখন ব্যয় করে দেশের ভেতরে অশান্ত পরিবেশ তৈরি করতে। পাশাপাশি তার প্রতিশ্রুতি, ব্রিটেনের সঙ্গে কথা বলে ওই আসামীদের দেশে ফেরত এনে রায় কার্যকর করা হবে।
এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলাম কীভাবে ধানের শীষ প্রতীক পেল তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন হাসিনা। তার প্রশ্ন, যাদের নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন বাতিল করল, তাদের কীভাবে নমিনেশন দেয়া হয়? তিনি বলেন, জামায়াত তো গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল। বুদ্ধিজীবি হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল। মেয়েদের পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া থেকে ঘরবাড়ি দখল করেছিল। ওদের নমিনেশন দেওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই মানুষ শঙ্কিত!
ড. কামাল হোসেনের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন হাসিনা। কামাল হোসেনকে দেশের সংবিধান রচয়িতা বলা হয়। তিনি আওয়ামী লীগ থেকে চলে গিয়ে নিজে দল করেন। ধানমন্ডি থেকে দাঁড়িয়েছিলেন একবার। ওই নির্বাচনে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। হাসিনার কথায়, সেই তিনি কিনা গেলেন জামায়াত-বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে!
এর পরেই একগাল হাসিসহ তার সংযোজন, আমি অবাক হইনি। কারণ কী জানেন? ওর শ্বশুরবাড়ি পাকিস্তানে। ছেলেদের একটু শ্বশুরবাড়ির প্রতি টানটা বেশি থাকে। ঘণ্টাখানেক কথার পর সুধাসদনে তখন সন্ধ্যা বেশ গাঢ় হয়ে নেমে এসেছে। বিদায়পর্বে ফের জিজ্ঞেস করা গেল, ভোটের ফল কেমন হবে? হাসিনা জানালেন, ওই যে প্রথমেই বলেছিলাম, আমরাই আসছি। কারণ, মানুষ আমাদেরই চাইছেন।
- মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা
- ঝগড়ার পরে সম্পর্ক ঠিক করবেন যে ৫ উপায়ে
- মির্জা ফখরুল: যুদ্ধ থেকে কারাগার, অতঃপর রাষ্ট্রপতি
- নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি : শাকিব খান
- ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে যা জানালেন তামিম
- বেসরকারি শিক্ষকদের বদলি আবেদন শুরু, করবেন যেভাবে
- যানজট নিয়ন্ত্রণে যুক্ত হচ্ছে ড্রোন সার্ভিলেন্স
- মিথ্যা বললে শরীরের যত ক্ষতি হয়
- আইয়ুব বাচ্চু: ছয় তারের জাদুকর
- বল কেটে ভাগ করলেন টাং ও রবিনসন
- স্বামীকে শেষ বিদায় জানাতে ঢাকার বাসায় দীপু মনি
- সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে, তদন্তে জোর বিএফআইইউর
- সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: মির্জা ফখরুল
- গলাব্যথা-সর্দি-কাশিতে আরাম দেবে ৩ ঘরোয়া পানীয়
- গোলাপি বাস নিয়ে ট্রল: সমালোচকদের কড়া জবাব সাদিয়া আয়মানের
- প্রিমিয়ার লিগের যে পাঁচ তারকার ওপর নজর থাকবে
- ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী, জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা
- জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবো: দুদক চেয়ারম্যান
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ব্যালট ‘ওপেন’, কে কাকে ভোট দেবেন দেখা যাবে
- সন্তান সম্পর্কে অন্যদের যেসব কথা বলতে দেবেন না
- ঢাকায় ২০০ ইভি বাস কিনছে সরকার, নারীদের জন্য ১০০টি
- ‘আমি বন্দী কারাগারে’ গানের শিল্পী মুজিব পরদেশী কারাগারে
- দিল্লির পর ঝাড়খণ্ডেও জেন জি আন্দোলন সফল
- নতুন নিয়মে প্রথম শাস্তি পেলেন নেইমার
- সাবেক সেনাপ্রধান আজিজকে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলে চিঠি
- স্পাইডারম্যানের আয় ছাড়ালো ২৪,৫০০ কোটি টাকা
- বাংলাদেশের কাছে হারের পর শাস্তির কবলে অস্ট্রেলিয়া
- বাংলাদেশে আশ্রিত ৩,৯০০০০ রোহিঙ্গা রাখাইনের বাসিন্দা: মিয়ানমার
- ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, পাহাড়ধসের সতর্কতা
- বৃষ্টির দিনে ইন্টারনেটের গতি কি আসলেই কমে?
- ডেস্কে টানা কাজ: কোমর-পিঠের ব্যথা এড়াবেন যেভাবে
- গলাব্যথা-সর্দি-কাশিতে আরাম দেবে ৩ ঘরোয়া পানীয়
- সন্তান সম্পর্কে অন্যদের যেসব কথা বলতে দেবেন না
- আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী: এনডিটিভি
- বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপন: প্রধানমন্ত্রী
- অস্ট্রেলিয়ায় যেখানে পাকিস্তান-ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমানোর যত ঘরোয়া উপায়
- দিল্লির পর ঝাড়খণ্ডেও জেন জি আন্দোলন সফল
- ভারতে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক ওয়াংচুকের
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ব্যালট ‘ওপেন’, কে কাকে ভোট দেবেন দেখা যাবে
- বৃষ্টির দিনে ইন্টারনেটের গতি কি আসলেই কমে?
- বাংলাদেশে আশ্রিত ৩,৯০০০০ রোহিঙ্গা রাখাইনের বাসিন্দা: মিয়ানমার
- মিথ্যা বললে শরীরের যত ক্ষতি হয়
- যেভাবে রিয়াজকে খুঁজে পেয়েছিলেন জসিম
- গোলাপি বাস নিয়ে ট্রল: সমালোচকদের কড়া জবাব সাদিয়া আয়মানের
- ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, পাহাড়ধসের সতর্কতা
- পান মশলার প্রচার করে বিপাকে শাহরুখ-অজয়-টাইগার
- সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষক্রিয়ায় নিহত ৮
- সাবেক সেনাপ্রধান আজিজকে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলে চিঠি
- সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: মির্জা ফখরুল



