ঢাকা, ১০ মার্চ মঙ্গলবার, ২০২৬ || ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২
good-food

দিনে রাইড শেয়ার মোটরসাইকেলে মিলবে ৫ লিটার তেল

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৬:০৪ ১০ মার্চ ২০২৬  

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ঘোষণা করেছে, রাইড-শেয়ারিং সেবায় নিয়োজিত মোটরসাইকেলের চালকরা এখন থেকে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫ লিটার অকটেন বা পেট্রোল কিনতে পারবেন। এর আগে এই সীমা ছিল ২ লিটার।

চট্টগ্রাম কার্যালয় থেকে জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিপিসি জানায়, দেশে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং জ্বালানির প্রাপ্যতা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ কমাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

করপোরেশন জানায়, ইতোমধ্যে নিয়মিত জ্বালানি আমদানির সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। ধারাবাহিকভাবে দেশে জ্বালানি তেলের চালান পৌঁছাচ্ছে। পাশাপাশি স্থিতিশীল সরবরাহ বজায় রাখতে প্রধান স্থাপনাগুলো থেকে সারাদেশের ডিপোগুলোতে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকার ট্রাকের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।

নতুন এই ৫ লিটারের সীমা শুধু মহানগর এলাকায় রাইড-শেয়ারিং সেবায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের চালকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

তবে জ্বালানি নেওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত দেওয়া হয়েছে। জ্বালানির ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষকে ক্রয় রসিদ দেখাতে হবে চালকদের। পরেরবার জ্বালানি নেওয়ার সময় আগের ক্রয়ের মূল রসিদ জমা দিতে হবে তাদের। এছাড়া জ্বালানি দেওয়ার আগে মোটরসাইকেলের নিবন্ধন নম্বর এবং চালকের পরিচয় সংশ্লিষ্ট রাইড-শেয়ারিং অ্যাপের মাধ্যমে যাচাই করতে হবে কর্তৃপক্ষকে।

বিপিসি সতর্ক করেছে, সরকার নির্ধারিত দামের বেশি দামে জ্বালানি বিক্রি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। একই সঙ্গে করপোরেশন জানিয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত সরকার নেয়নি।

নতুন এ নির্দেশনা থেকে স্পষ্ট, চলমান আমদানি ও বিতরণ ব্যবস্থার মাধ্যমে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখতে কর্তৃপক্ষ আত্মবিশ্বাসী।

গত শুক্রবার একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়ার নির্দেশনা দেয় বিপিসি। ওই দিন বলা হয়, প্রাইভেটকারে ১০ লিটার, জিপ ও মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল নেওয়া যাবে। 

এছাড়া পিকআপ বা লোকাল বাসে দিনে ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল পাওয়া যাবে। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে।