ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর সোমবার, ২০১৯ || ১ আশ্বিন ১৪২৬
LifeTv24 :: লাইফ টিভি 24
১৫০

দ্বিতীয় ধাপে ১১৬ উপজেলায় নিরুত্তাপ ভোট

প্রকাশিত: ১১:০১ ১৮ মার্চ ২০১৯  


পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে চলছে ১৫ জেলার ১১৬ উপজেলায় ভোট নেয়া।

আজ সোমবার সকাল ৮টায় এসব উপজেলার ৭ হাজার ৩৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট শুরু হয়। একটানা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। নির্বাচনী এলাকায় আজ সাধারণ ছুটি।

 

এসব নির্বাচনী এলাকায় মোট ভোটার ১ কোটি ৭৯ লাখ ৯ হাজার ৬ জন।

 

বিএনপিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের বর্জনে প্রথম ধাপের মত দ্বিতীয় ধাপেও নির্বাচনের উত্তাপ সেভাবে নেই।

 

এই ধাপের ১২৯ উপজেলায় ভোটের তফসিল ঘোষণা করা হলেও পরবর্তী ধাপে স্থানান্তর, আদালতের আদেশে স্থগিত হওয়া এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একক প্রার্থীরা নির্বাচিত হওয়ায় ১৩ উপজেলা সোমবার ভোট হচ্ছে না।

 

এর মধ্যে পাবনা সদর, ফরিদপুর সদর, নওগাঁ সদর, চট্টগ্রামের মিরসরাই ও রাউজান এবং নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় কোনো পদেই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নেই। ফলে ভোট করারও দরকার হচ্ছে না।

এছাড়া ৬ উপজেলার ভোট পিছিয়েছে। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত রয়েছে।

এই ধাপে ২৩ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ১৩ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১২ উপজেলার নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদেও একক প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সব মিলিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ৪৮ জন প্রার্থী।

 

এই ধাপে চেয়ারম্যান পদে ৩৭৭ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫৪৮ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪০০ জন ভোটের লড়াইয়ে আছেন।

 

ভোটের সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়মিত আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে খাগড়াছড়ির ৮ উপজেলা, বান্দরবানের ৭ উপজেলা ও রাঙ্গামাটির ১০ উপজেলায় সেনা সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।

 

 

এবার উপজেলার ভোট হচ্ছে পাঁচ ধাপে। এর মধ্যে প্রথম ধাপের ভোট শেষ হয়েছে ১০ মার্চ। নানা অনিয়মের কারণে সেদিন ২৮টি কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করা হয়; গ্রেপ্তার করা হয় অন্তত তিনজন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাকে। তারপরও প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণকে ‘মোটামুটি শান্তিপূর্ণবলেছে নির্বাচন কমিশন।

 

দলীয় প্রতীকে এই প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হলেও বিএনপিসহ বেশিরভাগ দলের বর্জনের কারণে প্রথম দফার ভোটে লড়াইয়ের আমেজ দেখা যায়নি। সেদিন ভোট পড়ে ৪৩ শতাংশ। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় প্রথম ধাপে ২৮ জন বিনা ভোটে নির্বাচিত হন।

 

ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৪ মার্চ তৃতীয় ধাপে, ৩১ মার্চ চতুর্থ ধাপের উপজেলাগুলোয় হবে ভোট।

পঞ্চম ও শেষ ধাপের ভোট হবে ১৮ জুন।

নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানিয়েছেন, নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে ইসি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলা করলে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

তিনি বলেন, উপজেলা নির্বাচনে পক্ষপাত ও অনিয়মের অভিযোগে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া ও গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করেছে ইসি। এ ছাড়া দিনাজপুরের বীরগঞ্জ, বগুড়ার শিবগঞ্জ, নওগাঁর মান্দা ও বান্দরবানের আলীকদমের ওসিকে নির্বাচনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর