ঢাকা, ০১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার, ২০২০ || ১৬ আশ্বিন ১৪২৭
good-food
২৭২

‘বিদ্রোহী-স্বতন্ত্র’ কাউন্সিলর প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আ.লীগ-বিএনপি

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১২:৪২ ১৫ জানুয়ারি ২০২০  

ঢাকা সিটি নির্বাচনে জমে উঠেছে প্রচারণা। এই নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীরা লড়ছেন সরাসরি দলীয় প্রতীকে। আর কাউন্সিলর প্রার্থীরা পেয়েছেন দলীয় সমর্থন। দুই সিটির প্রতিটি ওয়ার্ডেই ভোটের মাঠে রয়েছেন প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা। তবে তাদের সঙ্গে দুই দলেরই সমর্থনবঞ্চিতরা ‘স্বতন্ত্র’ অথবা ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে দলীয় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নির্বাচনে রয়েছেন। ফলে এই বিদ্রোহী কিংবা স্বতন্ত্র প্রার্থীরাই দলের সমর্থিত প্রার্থীদের জন্য বড় শূল হয়ে দেখা দিয়েছে।

দুই দলেরই সাংগঠনিক শাস্তির কড়া হুঁশিয়ারির পরও দমানো যায়নি এসব প্রার্থীদের। মনোনয়ন প্রত্যাহারে দলীয় নির্দেশ উপেক্ষা করেই দুই সিটির ৩১টি ওয়ার্ডে নির্বাচনী লড়াইয়ে অনড় আওয়ামী লীগের ৪২ প্রার্থী। নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকে বেশকিছু জায়গায় দল সমর্থিত ও সমর্থনবঞ্চিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা-সংঘাতের খবরও এসেছে।

অন্যদিকে, দুই সিটিতেই অন্তত ২৫টি ওয়ার্ডে নির্বাচন করছেন বিএনপির বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীরা। দল থেকে সমঝোতার চেষ্টা ও কঠোর হুঁশিয়ারির পরও প্রচারাভিযানের মাঠ থেকে সরেননি তারা। কোনো কোনো ওয়ার্ডে সমর্থনবঞ্চিত দলের সর্বোচ্চ তিনজন কাউন্সিলর প্রার্থীও প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে প্রচারকাজ অব্যাহত রেখেছেন। দলীয় সমর্থন পাওয়া প্রার্থীদের মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছেন তারা।
জানা যায়, দুই সিটির ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের অন্তত ৪২ জন স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ডিএনসিসির ১৪টি ওয়ার্ডে ১৭ জন এবং ডিএসসিসির ১৭টি ওয়ার্ডে ২৫ জন।

আবার কোনো কোনো ওয়ার্ডে একাধিক বিদ্রোহী রয়েছেন। ডিএসসিসির ৩৬ ও ৬৯ নম্বর ওয়ার্ডে তিনজন করে বিদ্রোহী প্রার্থী দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোটের মাঠে রয়েছেন। সংরক্ষিত কয়েকটি নারী ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদেও রয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী। 
 
আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকা সিটিতে ভোট হবে। দুই সিটিতে মেয়র ছাড়াও ১২৯টি সাধারণ ও ৪৩টি সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড মিলিয়ে মোট ১৭২ জন নির্বাচিত হবেন। এর মধ্যে ডিএনসিসিতে ৫৪টি সাধারণ ও ১৮টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড আর ডিএসসিসিতে ৭৫টি সাধারণ ও ২৫টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড।

 জানা যায়, দুই সিটির ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের অন্তত ৪২ জন স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ডিএনসিসির ১৪টি ওয়ার্ডে ১৭ জন এবং ডিএসসিসির ১৭টি ওয়ার্ডে ২৫ জন।

আবার কোনো কোনো ওয়ার্ডে একাধিক বিদ্রোহীও রয়েছেন। ডিএসসিসির ৩৬ ও ৬৯ নম্বর ওয়ার্ডে তিনজন করে বিদ্রোহী প্রার্থী দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোটের মাঠে রয়েছেন। সংরক্ষিত কয়েকটি নারী ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদেও রয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী। প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর তারা প্রচারাভিযানেও রয়েছেন।

সূত্রমতে, দলটির ও সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের প্রভাবশালী নেতাদের কেউ কেউ কাউন্সিলর পদে সমর্থন প্রত্যাশী ছিল। সমর্থনবঞ্চিত হয়ে তারাই স্বতন্ত্র কিংবা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। দলের সমর্থিত ও প্রত্যাখ্যাত প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে প্রভাব বিস্তারের প্রবণতা থেকে সহিংসতার আশঙ্কাও করা হচ্ছে।