ঢাকা, ২৪ নভেম্বর মঙ্গলবার, ২০২০ || ১০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৭
good-food
১২৬

বিমানের চেয়ে রেস্তোরাঁ-মুদিখানায় করোনার ঝুঁকি বেশি

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ২২:৫৩ ৩০ অক্টোবর ২০২০  

বিমানে যাত্রার চেয়ে মুদির দোকানে কেনাকাটা করা কিংবা রেস্তোরাঁতে খাওয়ায় করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। খোদ যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এই দাবি করেছেন।

 

চলতি সপ্তাহে ‘এভিয়েশন পাবলিক হেলথ ইনিশিয়েটিভ’ নামের গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন তারা। তাদের পর্যবেক্ষণ, করোনা আবহে মুদিখানায় গিয়ে জিনিসপত্র কেনা অথবা রেস্তোরাঁয় খেতে যাওয়া যথেষ্ট বিপদের। সেই তুলনায় বিমানযাত্রায় প্রাণঘাতী ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা কম।

 

গবেষকদের মতে, কিছু সুরক্ষাবিধি মেনে চললে বিমানযাত্রীরা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে পারেন। এ বিষয়ে উৎসাহ দিতে ফের সেরকম কয়েকটি স্বাস্থ্যবিধির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন তারা।

 

গবেষক দল জানিয়েছেন, সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে বিমানযাত্রার নির্দেশিকায় বারবার হাত ধোয়া, সবসময় মাস্ক পরার কথা বলা আছে। বিমানে সর্বদা ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা থাকতে হবে। যানে ও বিমানবন্দরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের দিকে নজর দিতে হবে। এছাড়া নিয়মিত বিমান পরিষ্কার রাখা এবং স্যানিটাইজ করার দিকে জোর দেয়া দরকার। এসব সুরক্ষাবিধি মেনে চললেই বিমানযাত্রায় কোভিড-১৯ এ সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি কম। অন্তত রেস্তোরাঁয় খাওয়া বা মুদির দোকানে নিত্যপণ্য কিনতে যাওয়ার চেয়ে।

 

হার্ভার্ডের গবেষণায় করোনা নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বাড়ানোর বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে সাধারণ মানুষকে যথাসম্ভব শিক্ষিত করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন গবেষকরা। 

 

গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বিমানযাত্রার সময় সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে যে যে বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত, সেসব নিয়ে  প্রচার চালাচ্ছে বিমানসংস্থা ও বিমানবন্দরগুলো। এর মধ্যে বুকিং, চেক-ইনের সময় অথবা বিমানে অবস্থানকালে জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষার দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে। বিমানকর্মীদের এ বিষয়ে নিয়মিত ট্রেনিংও দেয়া হয়। কোনও যাত্রী করোনা সন্দেহভাজন হলে তাকে চিহ্নিত করা কিংবা আইসোলেট করাও সেই ট্রেনিংয়ের অঙ্গ।

 

তবে করোনা নিয়ে গবেষকদের এই দাবিতে সচেতনতা বাড়বে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। শুক্রবার বিশ্বে সংক্রমিতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে সাড়ে ৪ কোটি। জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯১ জন। বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১১ লাখ ৮২ হাজারের বেশি মানুষের।