ঢাকা, ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার, ২০১৯ || ৬ কার্তিক ১৪২৬
LifeTv24 :: লাইফ টিভি 24
২৮২

সৈয়দ আশরাফের দাফন বনানী কবরস্থানে

প্রকাশিত: ১২:৩২ ৫ জানুয়ারি ২০১৯  

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত


আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম'কে  রোববার বাদ আসর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে ।  শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় বাংলাদেশ বিমানে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে।

এর আগে  সংসদ ভবন, কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ইদগাহ মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। 

 রোববার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রথম, দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠে দ্বিতীয়ও বেলা ২টায় ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ইদগাহ মাঠে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। 

 আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলীয় নেতারা সৈয়দ আশরাফের মরদেহ গ্রহণ করবেন। সন্ধ্যা ৭টায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ ২১ বেইলি রোডে তাঁর সরকারি বাসভবনে নেওয়া হবে। সেখান থেকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে মরদেহ রাখা হবে।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো একনজর দেখার অপেক্ষায় আছেন কিশোরগঞ্জবাসী। শুক্রবার জুমার নামাজে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে কিশোরগঞ্জের প্রায় সব মসজিদে দোয়া মাহফিল করা হয়।

অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের টাইমলাইন ভরে গেছে শোকবার্তায়। সবার কথা একটাই, বড় ভালো মানুষ ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। কোনো দলের না, তিনি ছিলেন সবার। অনেকে লিখেছেন তিনি এই সময়ের সবছেয়ে গ্রহণযোগ্য নেতা ছিলেন। অনেকে তার মৃত্যুতে ফেসবুক প্রোফাইল ছবি সৈয়দ আশরাফ ছবি দিয়েও শোক প্রকাশ করছেন। 

তাঁর বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন। সৈয়দ আশরাফ ১৯৯৬ সাল থেকে কিশোরগঞ্জ-১ আসনে টানা পাঁচবার নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন। গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনেও বিজয়ী হন তিনি। ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে গত জুলাই থেকে সৈয়দ আশরাফ থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে আশরাফ মারা যান। 


এই বিভাগের আরো খবর