বাড়ান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, খান এসব খাবার
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১১:৪৩ ৪ মে ২০২০
কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় অনুমোদিত কোনো প্রতিরোধক বা প্রতিষেধক এখনও নেই। এ অবস্থায় মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া এ রোগের উপসর্গ প্রশমনই এখন পর্যন্ত একমাত্র চিকিৎসা।
নতুন এ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে জ্বর, সর্দি, গলাব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের মত উপসর্গ দেখা দেয়। আর হাসপাতালগুলোতে সেগুলোরই চিকিৎসা দেওয়া হয় । শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে রোগীকে অক্সিজেন দেওয়া কিংবা ভেন্টিলেটরে সহায়তা দেওয়ারও দরকার হতে পারে।
চিকিৎসকরা বলছেন, এই সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সবল রাখা জরুরি। সেজন্য প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে নিয়মিত।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং উপসর্গগুলোর উপশমে ‘চিরায়ত চিকিৎসা পদ্ধতি’সহায়ক হতে পারে বলে পরামর্শ দিচ্ছে সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অল্টারনেটিভ মেডিকেল কেয়ার (এএমসি) বিভাগ।
এই বিভাগের লাইন ডিরেক্টর মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকীর পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সবাইকে আদা ও লবঙ্গ মিশ্রিত গরম পানি, কালোজিরা / মধু, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলমূল খেতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদা-রসুনের মত ভেষজ উপাদান অনেক দিক থেকেই শরীরের উপকার করে। কিন্তু এর কোনোটি করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে কার্যকর বলে এখনও প্রমাণিত হয়নি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শহীদুল্লাহ সিকদার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর নিজের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিয়ে সম্প্রতি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এ সময় পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় আমিষ, শর্করা ও চর্বি বা স্নেহজাতীয় খাবার এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার রাখা দরকার।
প্রোটিনের মধ্যে মাছ, মাংস, ডিম এগুলো খেতে হবে। ভাত, রুটি - এগুলো খুব বেশি না হলেও খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। ভিটামিন সি, এ, ই, বি কমপ্লেক্স, মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। ফলের মধ্যে কমলা, মাল্টা, পেয়ারা খাওয়া যায়।
পাশাপাশি ‘বিকল্প’কিছু খাবারও এক্ষেত্রে উপকার দিতে পারে। কালোজিরার সাথে অল্প মধু মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। আদা, দারুচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচ অল্প পরিমাণে খাওয়া যায় প্রতিদিন। এসব উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।
একই ধরনের পরামর্শ দিয়েছেন সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের প্রভাষক নাজমুল হুদা।
তিনি বলেন, আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা প্রাচীন ও কার্যকর পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে মূলত রোগ প্রতিরোধের ওপর বেশি গুরুত্বারোপ করা হয়ে থাকে।
আয়ুর্বেদের কিছু নিয়ম মেনে চললে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি সর্দি-কাশির মত উপসর্গ উপশমে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে আদা ও লবঙ্গ মিশ্রিত, অথবা লবণসহ কুসুম গরম পানি দিয়ে অন্তত দিনে দুই বার গড়গড়া করলে শ্বাসতন্ত্র ভালো থাকে। সেজন্য আদা, লবঙ্গ, দারুচিনি, গোলমরিচ দিয়ে ভেষজ চা তৈরি করে খাওয়া যায়। এই সংমিশ্রণের সাথে চাইলে লেবুর রস বা তুলসি পাতাও যোগ করা যায়।
মধুর সাথে কালোজিরার তেল সকাল-বিকাল খেলে, কাঁচা হলুদের রস মধু বা গুঁড়ের সাথে মিশিয়ে খেলে, আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়া দুধের সাথে মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে খেলেও নানা উপকার পাওয়া যায়।
পাশাপাশি খেতে হবে - লেবু, আমলকি, পেয়ারা, কামরাঙ্গা, জাম্বুরার মত ভিটামিনসৃদ্ধ ফল; গাজর, পেঁপে, মিষ্টি কুমড়ার মত সবজি; ডিম ও দুধ।
চিকিৎসকরা বলছেন, প্রতিবেলা খাওয়ার পর কুসুম গরম পানি খাওয়া ভালো। ঠাণ্ডা খাবার, কোমল পানীয়, অতিরিক্ত মসলাজাতীয় খাবার, তেলে ভাজা খাবার এড়িয়ে চলাই উত্তম।
চল্লিশ বছরের বেশি সময় ধরে হোমিওপ্যাথি নিয়ে কাজ করছেন কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। হোমিওপ্যাথি বিষয়ে গবেষণা, গ্রন্থ রচনার পাশাপাশি তিনি চিকিৎসাও দেন।
তিনি বলছেন, করোনাভাইরাসের কারণে যেসব উপসর্গ দেখা দেয়, সেগুলো প্রশমনে হোমিওপ্যাথি ওষুধ ইতিবাচক ফল দিতে পারে। তবে রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথের তত্ত্বাবধানেই সেসব ওষুধ সেবন করা উচিৎ।
হোমিওপ্যাথি ওষুধ সেবন করলে অ্যালোপ্যাথি ওষুধ নেওয়া করা যায় না - একে তিনি ‘ভ্রান্ত ধারণা” বলছেন।
নূরুল হুদা বলেন, হোমিওপ্যাথি ওষুধ সেবন করলে এর পাশাপাশি অ্যালোপ্যাথি যদি প্রয়োজন হয়, সেটা সেবন করা যাবে। এতে কোন অসুবিধা নেই।
করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে দেহের ইমিউনিটিকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, "হোমিওপ্যাথিতে এই ইমিউনিটিকে ‘ভাইটাল ফোর্স, বলা হয়। প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য সুনির্বাচিত কনস্টিটিউশনাল ওষুধ দিয়ে এই ভাইটাল ফোর্স শক্তিশালী করা যায়।"
তিনি বলেন, প্রচলিত কিছু মশলা যেমন - আদা, লবঙ্গ, কালোজিরা, গোলমরিচ, মেথির সংমিশ্রণে চা তৈরি করে সেবন করলে সর্দি, কাশি, হাঁপানি হওয়ার সম্ভাবনা কমে, কারণ তাতে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়।
এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন সকালে এককোয়া রসুন ও এক চিমটি কালোজিরা খাওয়ার পরামর্শ দেন নূরুল হুদা।
খেতে খারাপ লাগলে সঙ্গে সামান্য মধুও খেতে পারেন। সকাল, দুপুর ও বিকালে তিন কাপ চিনিহীন আদা চা পান করতে পারেন। এগুলো নিয়মিত সেবনে সর্দি, কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হাঁপানি, নিউমোনিয়া জাতীয় রোগে উপকার হয়।
ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে হোমিওপ্যাথি ওষুধ ব্যবহারের ফলে সেখানে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা কম বলেও নূরুল হুদার বিশ্বাস।
এসব পরামর্শ সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হোমিও এবং দেশজ ওষুধ বিভাগের পরিচালক মনোয়ারা সুলতানা বলেন, আমাদের অল্টারনেটিভ মেডিসিন কেয়ারের ডাক্তাররা গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর। ইমিউনিটি সিস্টেমকে মজবুত করতে তারা বেশ কিছু মেডিসিন প্রেসক্রাইব করছেন। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে আলাদাভাবে বা নির্দিষ্ট করে কোনো অল্টারনেটিভ মেডিসিন সাজেস্ট করার চিন্তাভাবনা এখনও আমাদের নাই।
কোনো ওষুধে করোনাভাইরাস সেরে যাবে বলে কেউ দাবি করলে সে বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটির সদস্য ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহনীলা ফেরদৌসী।
তিনি বলেন, আমরা এখনও অল্টারনেটিভ মেডিসিন নিয়ে চিন্তাভাবনা করিনি। নানারকম ওষুধের কথা আমরা শুনেছি। হোমিও, আয়ুর্বেদ চিকিৎসকদের অনেকে বলছেন, এ ওষুধ করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করবে।
“একটা ওষুধ আবিষ্কারের পর তা মানবদেহে কতটা কার্যকর তা পরীক্ষা করতেও বেশ সময় লাগে। হুট করে একটা ওষুধ মানবদেহে প্রয়োগ করে ফেলবে, এমন পারমিশনও আমরা দেব না। আমরা সতর্ক করে দিচ্ছি, এ ধরনের কোনো বিকল্প ওষুধ আমরা অনুমোদন করিনি, যা করোনাভাইরাস সারিয়ে দেবে।”
- ‘ব্লাড সুগার’ হয়েছে নাকি ডায়াবেটিস? বুঝবেন যেভাবে
- ১টি নতুন থানা ও ৩টি উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত
- দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন
- খামেনির জানাজায় অংশ নেবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
- আমরাও বাংলাদেশকে ভীষণ ভালোবাসি: ব্রাজিল গোলরক্ষক
- বিনামূল্যে প্রাথমিক সেবা পাবে তৃণমূলের মানুষ
- এমসিসির আজীবন সদস্যপদ পেলেন তামিমসহ পাঁচজন
- ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’: বাজেট শুনলে চমকে উঠবেন?
- কিডনির সবচেয়ে বড় শত্রু কী?
- ‘বংশ রক্ষায়’ জুলাই শহীদের ‘অনুদানের টাকায়’ বাবার দ্বিতীয় বিয়ে
- একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই
- ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৫০০
- ভেবেছিলাম হয়তো মরেই যাব: সাইফ
- টানা ৯০ দিন চা না খেলে শরীরে কী ঘটবে?
- জুলাই হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার আলোচিত সেই মিষ্টি
- শেষ ৩২-এ কোন দল, কবে, কার মুখোমুখি
- পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নে ১৬৩ উপজেলা উপকৃত হবে
- কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবককে গুলি: ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড
- The Massive Payday Awaits the FIFA World Cup Champions
- The Story of Football’s Most Coveted Prize
- প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ১৭ সমঝোতা স্মারক সই
- কাবা শরিফ দেখে আবেগঘন বার্তা ভাবনার
- ১ শতাংশ ঘুম কমলেই ডিমনেশিয়ার ঝুঁকি বাড়ে ২৭%
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব চীনের
- কখন, কীভাবে শুরু হয়েছিল তাজিয়া মিছিল?
- বিশ্বকাপে গোলবন্যার নেপথ্যে ‘ট্রাইওন্ডা’
- ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত ৩২, আহত ৭০০
- বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় টুরিস্ট ভিসা চালুর ঘোষণা
- হামে মৃত্যুর দায় কার?
- হ্যান্ডমেড এমব্রয়ডারি ও মেশিনে কাজ করা কাপড় চেনার উপায়
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব চীনের
- ৪ মোবাইল অপারেটরের কাছে পাওনা ১৩,১৪৪ কোটি টাকা
- The Massive Payday Awaits the FIFA World Cup Champions
- কাবা শরিফ দেখে আবেগঘন বার্তা ভাবনার
- The Story of Football’s Most Coveted Prize
- হ্যান্ডমেড এমব্রয়ডারি ও মেশিনে কাজ করা কাপড় চেনার উপায়
- ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত ৩২, আহত ৭০০
- ভেবেছিলাম হয়তো মরেই যাব: সাইফ
- রাইস না প্রেশার কুকার, রান্নার জন্য কোনটি ভালো?
- প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ১৭ সমঝোতা স্মারক সই
- বিশ্বকাপে গোলবন্যার নেপথ্যে ‘ট্রাইওন্ডা’
- ১৭ থেকে ৩৯: কোন বয়সে কত গোল করেছেন মেসি
- চ্যালেঞ্জ দিলেন ববি
- ভিনি’র জাদুতে নকআউট পর্বে ব্রাজিল
- কখন, কীভাবে শুরু হয়েছিল তাজিয়া মিছিল?
- এমসিসির আজীবন সদস্যপদ পেলেন তামিমসহ পাঁচজন
- শসা তেতো কি না বুঝবেন কীভাবে?
- করের আওতায় আসছে মুদি দোকান-বিউটি পার্লারসহ ১৬ খাত
- মেসিকে বাড়তি সুবিধা ফিফার, বিশ্বরেকর্ড গড়া গোল নিয়ে বিতর্ক
- একযোগে ৭ ডেপুটি ও ১১ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ


