ঢাকা, ০৮ ফেব্রুয়ারি রোববার, ২০২৬ || ২৬ মাঘ ১৪৩২
good-food
৬৬৭

যত রোগের ‘চিকিৎসা’ গান

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৯:২১ ৯ মার্চ ২০২১  

কাজের ফাঁকে হোক কিংবা ফ্রি টাইমে, সুযোগ পেলেই আমরা গান শোনায় মত্ত হয়ে উঠি। কেউ মনোরঞ্জনের জন্য, কেউ ভালো লাগা থেকে, আবার অনেকে অবসর সময় কাটাতে গান বেছে নেন। তবে আমরা অনেকেই জানি না, এই গান শুধু মনোরঞ্জন কিংবা এসবের জন্য নয়। 

 

আমাদের শরীর-মনের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি এটি। গবেষকদের মতে, গান কেবল মন ভালো, শান্ত ও চনমনে রাখে না, অসুখ-বিসুখও সারাতে পারে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিন গান শোনার উপকারিতা সম্পর্কে-

 

#গবেষকরা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানিয়েছেন, গান মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষদের মন-মেজাজ এবং মস্তিস্ক সচল রাখতে গানের গুরুত্ব অপরিসীম। 


# গবেষকদের মতে, হতাশায় ভুগতে থাকা রোগী ভুলে যেতে পারেন তাঁর কষ্ট, ব্যথা-বেদনার কথা। এই ধরনের মানুষ সাময়িকভাবে হলেও চাঙ্গা হয়ে উঠতে পারেন৷ স্ট্রেস-টেনশনে জর্জরিত মানুষও খুঁজে পেতে পারেন তাঁদের সমস্যার হাল। কারণ, পছন্দের গান সোজা গিয়ে হানা দেয় মস্তিষ্কের আবেগ কেন্দ্র হাইপোথ্যালামাস নামের অংশে৷ তাই কখনও কখনও চিকিৎসকেরা এই ধরনের রোগীদের ওষুধের পরিবর্তে গানকে আপন করিয়ে মিউজিক থেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা করেন। 


# উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, হসপিটাল সিকনেস, বাত, রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো অসুখ, সেরিব্রাল পালস ও অটিজম- এর মতো কঠিন অসুখের চিকিৎসার সঙ্গে মিউজিক থেরাপি করলে রোগী খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে! 


# বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, গান শোনার অভ্যাস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়াতে পারে। আর এটি বাড়লেই নানাবিধ সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। 


# মার্কিন গবেষকদের দাবি, গান মনসংযোগ বৃদ্ধিতে ও বুদ্ধিমত্তার বিকাশে সাহায্য করে। তারা মনে করেন, অঙ্ক করার সময় কেউ যদি গান শোনে; তাহলে বৃদ্ধি পায় সাফল্যের হার। 


# আবার গবেষকরা এও জানাচ্ছেন, খাওয়ার সময় গান শুনলে মাত্রাতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। ফলে ওজন বাড়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।