ঢাকা, ১৭ জুন সোমবার, ২০১৯ || ২ আষাঢ় ১৪২৬
LifeTv24 :: লাইফ টিভি 24
১৭৪

ইংল্যান্ডের রাণি শেষ নবীর বংশধর?

প্রকাশিত: ২০:৩৬ ২১ ডিসেম্বর ২০১৮  


ইতিহাসবিদরা অতীত ঘেঁটে মাঝে মধ্যে এমন তথ্য হাজির করেন যা শুনলে অবাক হতে হয়। তাদের সেই তথ্য বা দাবি নিয়ে হইচই পড়ে যায় গোটা বিশ্বে।

এমনই এক আজব খবর প্রকাশ করেছে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

মরক্কোর সংবাদপত্র আল-ওসবোর খবর, রাণি দ্বিতীয় এলিজাবেথ তথা ব্রিটেনের বর্তমান রাজবংশের সঙ্গে ইসলাম ধর্মের সবশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর রক্তের সম্পর্ক রয়েছে!

ডেইলি মেইলের খবর,  নবী মুহাম্মদ (সা.) এর রক্তধারার ৪৩তম প্রজন্ম হচ্ছেন রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ

আর-ওসবো দাবি, বর্তমান ব্রিটিশ রাজবংশীয়রা ১৪ শতকে আর্ল অব কেমব্রিজের বংশের সঙ্গে বৈবাহিকভাবে সংযুক্ত হয়। এই আর্ল বা সামন্ত বংশ স্পেনের প্রথম ইসলামী রাজবংশের সঙ্গে রক্তবন্ধন যুক্ত।

কারণ, স্পেনে ইসলামী শাসনের গোড়াপত্তন করেছিলেন যারা, তারা নবীকন্যা ফাতিমার বংশধর

যদি এমনটি হয়, তাহলে জর্ডান মরক্কোর রাজবংশ এবং ইরানের বিখ্যাত নেতা আয়াতুল্লাহ্ আলী খামেনিও রাণি এলিজাবেথের নিকটাত্মীয়

এই দাবির সত্যতা নিয়ে ইউরোপ আরব উভয় দিকের ইতিহাসবিদরাই বিভিন্ন মতপোষণ করতে শুরু করেছেন

একদল ইতিহাসবিদ জানাচ্ছেন, জাইদা নামে স্পেনের ইসলামী রাজবংশের এক রাজকন্যা সেভিল শহর বর্বরদের দ্বারা আক্রান্ত হলে ১১ শতকে সেখান থেকে পালাতে বাধ্য হন। পরে কাস্তাইয়ের খ্রিস্টান রাজা ষষ্ঠ আলফোনসোর কাছে আশ্রয় নেন। সেখানেই জাইদা খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন। তার নতুন নাম হয় ইসাবেলা। তিনি আলফোনসোকেই বিয়ে করেন। তাদের এক পুত্রসন্তান হয়। সেই পুত্রেরই কোনও বংশধর কেমব্রিজের আর্লকে বিয়ে করেন

জাইদার বংশপরিচয় নিয়ে ইতিহাসবিদরা নিশ্চিত নন। তবে অনেকেই তাকে মহানবীর বংশধর মুহাম্মদ বিন আব্বাসদের সদস্য বলে মনে করেন। আবার অনেকের মতে, জাইদার সঙ্গে মুহাম্মদ বিন আব্বাসদের বংশের কারোর বিয়ে হয়েছিল

যাহোক, খবর আরব দুনিয়ায় শোরগোল ফেলে দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, মহানবীর বংশের সঙ্গে নিজেদের সংযুক্তি প্রমাণ করে ব্রিটিশ রাজবংশ তার হৃতগৌরব পুনরুদ্ধার করতে চেষ্টা করছে।  

আবার অনেকের মতে, এক আনন্দের সংবাদ! উদ্ভট খবর!


এই বিভাগের আরো খবর