ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, ২০২০ || ৯ আশ্বিন ১৪২৭
good-food
৪৩

বাংলাদেশ-শ্রীলংকা সিরিজ নিয়ে সবশেষ যা জানালেন দূর্জয়

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ২২:০৯ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০  

করোনাভাইরাসের কারণে গেল মার্চ থেকে মাঠের বাইরে টাইগাররা। তবে পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে শ্রীলংকার বিপক্ষে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজ খেলতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। কিন্তু সম্পূর্ণ প্রস্তুতির সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের সামনে বড় বাধা লংকান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কোভিড-১৯ নিয়ম-কানুন। সফরকারী দেশের জন্য ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনের নির্দেশ দিয়েছে তারা। তবে বিসিবি ও লংকা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি) সাতদিনের বিষয়ে একমত হয়েছে।

 

বাংলাদেশের পরিকল্পনায় ছিল কোয়ারেন্টিন চলাকালীন নিজেদের প্রস্তুতি সারা। কিন্তু শ্রীলংকার সর্বশেষ সিদ্বান্ত অনুসারে, তামিম-মুশফিকদের হোটেলে কোয়ারেন্টিইনে থাকতে হবে। জাতীয় দল ও হাই পারফরমেন্সের (এইচপি) ৬০ জন খেলোয়াড়ের সঙ্গে অফিসিয়ালদের পাঁচতারকা হোটেলে ১৪ দিন রাখা বিসিবির জন্য সহজ নয়।

 

যেহেতু বাংলাদেশ জাতীয় ও এইচপি দল নির্ধারিত সময়ের আগেই শ্রীলংকায় পৌঁছাবে, সিরিজের জন্য স্বাগতিকরা দায়িত্ব নেয়ার আগে প্রথমদিকে দু’দলের যাবতীয় খরচ বিসিবিকেই বহন করতে হবে। তবে সমাধানের ব্যাপারে আলোচনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বোর্ডের ডিরেক্টর নাইমুর রহমান দূর্জয়।

 

বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক বলেন, শ্রীলংকা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ১৪ দিনের নির্দেশ থাকলেও দু’টি বোর্ড সাতদিনের কোয়ারেন্টিনে একমত হয়েছে। আমরা কোয়ারেন্টিনে থাকাকালীন অনুশীলন করার চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু এটি করা যাচ্ছে না। আমরা আমাদের সবকিছু জানিয়েছি। তবে এটি শ্রীলংকা ক্রিকেট বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে নেই। তাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সেনাবাহিনী এখানে অর্ন্তভুক্ত আছে। তারা এ সফরের সদস্য সংখ্যা কমানোর কথাও ভাবছেন। এটিও একটি বিষয়। কিন্তু আমরা সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর তথ্য দিয়েছি।

 

শ্রীলংকা বোর্ড প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য বাংলাদেশকে কোনও দল দিতে পারছে না। জাতীয় ও এইচপি দল নিজেদের মধ্যে দু’টি অনুশীলন ম্যাচ খেলবে। সফরের আগে বেশ কিছু ইস্যু তৈরি হওয়ায় সিরিজ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও সেটা মানতে নারাজ দূর্জয়।

 

গেম ডেভলপমেটে কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, উদ্বেগের কারণ নেই। আপনি আসলে খেলতে চান, তবে সেখানে খেলার পরিবেশ থাকতে হবে। সেই পরিবেশটি তৈরি হয়েছে এবং আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েই খেলতে যাচ্ছি। ছয়-সাত মাস পর টেস্ট ম্যাচ খেলব। যদি আমরা পুরোপুরি প্রস্তুতি নিতে না পারি, তবে তা খুব কঠিন হবে। উভয় বোর্ড আন্তরিক যাতে আমরা মাঠে নামতে পারি।

 

সিরিজটি আইসিসি বিশ্বকাপ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের অংশ হওয়ায় বাংলাদেশকে তিন ম্যাচই খেলতে হবে বলে মনে করেন দূর্জয়। যদি সিরিজটি মিস করা হয়, তবে পরবর্তীতে তা খেলার জন্য সুযোগ পাওয়া কঠিন হবে।

 

তিনি বলেন, সিরিজটি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের অংশ, তাই জাতীয় দলকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আমরা যদি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপটি মিস করি, তবে পরবর্তীতে নতুন সূচি বের করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই জাতীয় দলের জন্য টেস্ট সিরিজটিকে অনেক বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

 

দূর্জয় বলেন, আমাদের এখনো জাতীয় ও এইচপি দলের একত্রে শ্রীলংকায় খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানকার বোর্ড এবং আমাদের বোর্ড বেশ কিছু বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছেছে। তবে শ্রীলংকা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কিছু পর্যবেক্ষণ করছে। এজন্য আমাদের কিছুটা ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে। আমরা রোববার বৈঠক করেছি। সবকিছু লংকান বোর্ডকে জানাব। এরপর শ্রীলংকা বোর্ড তাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমাদের জানাবে।

খেলাধুলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর