ঢাকা, ২৯ আগস্ট শুক্রবার, ২০২৫ || ১৪ ভাদ্র ১৪৩২
good-food
২২৫

টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বাজে হার বাংলাদেশের

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৪:২৫ ২৭ অক্টোবর ২০২২  

এ যেনো এক করুন পরাজয়। যে মাঠে ৫ উইকেটে করেছিল ২০৫ রানের পাহাড় গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, সেখানে অর্ধেকও করতে পারল না বাংলাদেশ। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় রথ থামল মাত্র ১০১ রানে। এতে ১০৪ রানের হেরেছে টাইগাররা, যা বিশ্বকাপে তো বটেই, টি-টোয়েন্টিতেই সবচেয়ে বড় হার।

 

এর আগে ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সবচেয়ে বড় হার ছিল বাংলাদেশের। সেই ব্যবধান ছিল ৭৫ রান। এবার তা ১০০ ছাড়িয়ে গেলো। আর টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বড় হার ছিল পাকিস্তানের বিপক্ষে, ২০০৮ সালে ১০২ রানে।

 

ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে এ ম্যাচে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারের রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ। অথচ এ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার রাইলি রুশো একাই করেছেন ১০৯ রান। বাংলাদেশ সেই রুশোর রানটাই তুলতে পারেনি। টাইগার একাদশের সব ব্যাটার মিলিয়ে করতে পেরেছেন মোটে ১০১ রান। বরং ইনিংস শেষ হওয়ার ২০ বল আগেই অলআউট হয়ে গেছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।

 

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে এদিন টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০৫ রান করেল দক্ষিণ আফ্রিকা। দলটির পক্ষে রুশো ৫৬ বলে ৭ চার ও ৮ ছয়ে করেন ১০৯ রান। এছাড়া কুইন্টন ডি ককের ব্যাট থেকে আসে ৩৯ বলে ৬৩ রান।

 

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই ১৭ রান তোলেন সৌম্য সরকার ও নাজমুল শান্ত। তবে সেখানেই থেমে যান তারা। প্রোটিয়া পেসার আনরিখ নরকিয়ে বল করতে এসেই তুলে নেন ২ উইকেট। সৌম্য ও শান্তকে ফেরান তিনি।

 

পাওয়ার প্লের মধ্যে আবার বোলিংয়ে এসে শিকার করেন সাকিবের উইকেট। টাইগার অধিনায়ক অবশ্য আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তে এলবির ফাঁদে পড়েন। অবশ্য নিজেও রিভিউ নেননি তিনি। পাওয়ার প্লের মধ্যে ব্যক্তিগত ১ রান করে ফেরেন আফিফ হোসেনও।

 

মেহেদী হাসান মিরাজও ১১ রান করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। পরে টেলএন্ডারদের কেউ প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। একপ্রান্তে লিটন ৩৪ রান করার পর তাবরেইজ শামসিকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে শামসি ২০ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন।

খেলাধুলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর