শীত কি সত্যিই প্রেমের মৌসুম?
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৪:০৬ ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রতি বছর শরৎ শেষ হতে না হতেই শীতের ঠান্ডা মাসগুলোতে প্রেম ভালোবাসা নিয়ে একটা মজার ঘটনা ঘটে—যাকে বলে ‘কাফিং সিজন’।
এ সময় অনেক অবিবাহিত মানুষ হঠাৎ করে একটা রোমান্টিক সম্পর্ক খুঁজতে শুরু করেন, যাতে শীতটা একা না কাটাতে হয়। কিন্তু এর পেছনে কি সত্যিই কোনো বিজ্ঞান আছে, নাকি শুধুই সংস্কৃতি?
কাফিং সিজন আসলে কী?
গ্রীষ্মের স্বাধীনতা ও হালকা সম্পর্কের সময় শেষ হলে শীতকালে অনেক মানুষ একজন স্থায়ী বা অন্তত কাছের সঙ্গী খোঁজেন। শীতের দীর্ঘ রাত, কম আলো আর উৎসবমুখর পারিবারিক আয়োজন—সব মিলিয়ে সঙ্গের প্রয়োজনটা যেন বেশি অনুভূত হয়।
ঝলমলে আলোয় কারও সঙ্গে হাঁটা, কিংবা পারিবারিক অনুষ্ঠানের ভিড়ে কারও পাশে থাকা—এসবই আরামদায়ক মনে হয়। বিশেষ করে যখন কোনো আত্মীয় খেতে খেতেই জিজ্ঞেস করে বসে, “তা, তোমার প্রেমের খবর কী?, “তোমার গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড কোথায়?”
‘কাফিং সিজন’ শব্দটির সঠিক উৎস জানা না গেলেও ধারণা করা হয়, ২০০৯ সালের দিকে এটি জনপ্রিয় হয়। এখানে ‘কাফড’ বলতে বোঝানো হয়—একটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সম্পর্কে আবদ্ধ হওয়া।
কিন্তু মানুষ কি সত্যিই শীতের জন্য আলাদা করে সঙ্গী খোঁজে?
সম্পর্ক কি সত্যিই মৌসুমি?
বিজ্ঞানীরা বলছেন, পুরোপুরি না। কিছু পুরনো গবেষণায় দেখা গেছে, পর্নোগ্রাফি, ডেটিং সাইট বা যৌনতা-সংক্রান্ত অনলাইন সার্চ বছরে দু’বার বাড়ে, একবার শীতে, আরেকবার গ্রীষ্মে।
১৯৯০–এর দশকের আরেকটি গবেষণায় দেখা যায়, শীতের সময় যৌন কার্যকলাপ (এমনকি ঝুঁকিপূর্ণ যৌনতাও) বেড়ে যায়।

শীতে অনেকের মন খারাপ হয় (সিজনাল অ্যাফেক্টিভ ডিসঅর্ডার)। কম সূর্যের আলো পাই, সেরোটোনিন হরমোন কমে—মেজাজ খারাপ হয়। তখন মনে হয়, কারও কাছাকাছি থাকলে ভালো লাগবে।
ক্যালিফোর্নিয়ার সান হোসে স্টেট ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ক্রিস্টিন মা-কেলামস বলেন, “কাফিং সিজন বলতে বোঝানো হয় মানুষের সম্পর্ক বা যৌন আচরণ নাকি মৌসুমি।”
গবেষণায় বিবাহের বাইরে জন্ম, গর্ভপাত, যৌনরোগ এবং কনডম বিক্রির তথ্য থেকে দেখা গেছে, শীতকালে যৌন কার্যকলাপ (এবং অরক্ষিত যৌনতা) বাড়ে।
ডেটিং অ্যাপ কী বলে?
ডেটিং অ্যাপগুলোর তথ্য স্পষ্ট: নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত মানুষ সবচেয়ে বেশি “সোয়াইপ” করে। গবেষকরা মজা করে বলেন—এটা ভ্যালেন্টাইনস ডে–এর ঠিক আগে সম্পর্ক ভাঙারও আদর্শ সময়।
শীতে ঘরে বেশি থাকি, বাইরে কম বের হই—তাই ফোনে নতুন মানুষ খোঁজা সহজ হয়।
শীতে মন খারাপ আর ভালোবাসা
শীতে অনেকের মন খারাপ হয় (সিজনাল অ্যাফেক্টিভ ডিসঅর্ডার)। কম সূর্যের আলো পাই, সেরোটোনিন হরমোন কমে—মেজাজ খারাপ হয়। তখন মনে হয়, কারও কাছাকাছি থাকলে ভালো লাগবে।
প্রাণীজগত থেকে শিক্ষা
কিন্তু মানুষ অন্য প্রাণীর মতো মৌসুমী নয়। গরু বা পাখির মতো নির্দিষ্ট সময়ে প্রজনন করি না আমরা। সুযোগ পেলেই অনেকে সম্পর্কে জড়াতে চান—বছরের যেকোনো সময়।
জন্মহারের ওঠানামাও দেখায়—অনেক সময় ফসল কাটার পর বা উৎসবের পর জন্মহার বাড়ে, যা মূলত সামাজিক কারণে হয়, জৈবিক কারণে নয়।
ভালোবাসার হরমোন
অক্সিটোসিন নামে একটা হরমোন আছে, যাকে বলা হয় ‘লাভ হরমোন’। আলিঙ্গন, স্পর্শ বা ঘনিষ্ঠতায় এটা বাড়ে। এটি আমাদের একসঙ্গে থাকতে সাহায্য করে। শীতে এই হরমোনের চাহিদা বোধহয় একটু বেশি হয়।
সু কার্টার বলেন,“অক্সিটোসিন আমাদের কাছাকাছি আনে এবং একসঙ্গে থাকতে সাহায্য করে।”
ঠান্ডা আর শরীরের চাহিদা
শীতে শরীর ঠান্ডা লাগে, নারীরা সাধারণত ঠান্ডা বেশি অনুভব করেন, বিশেষ করে হাত-পা। ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক র্যান্ডি নেলসন বলেন, “শীতে হয়তো অবচেতনে মনে হতে পারে, কাউকে পেলে হাত-পা গরম থাকবে।”

শীতে অক্সিটোসিন হরমোনের চাহিদা বোধহয় একটু বেশি হয়।
পরিবারের চাপ
জাস্টিন গার্সিয়ার মতে, শীতকাল আমাদের সম্পর্ক নিয়ে ভাবার সুযোগ দেয়। পরিবার ও আত্মীয়দের মাঝে থাকলে মানুষ নিজেকে প্রশ্ন করে—আমি কাকে নিয়ে এই উৎসবগুলো কাটাতে চাই?
তিনি বলেন, “পরিবারের প্রত্যাশা আমাদের সম্পর্ক খোঁজার পেছনে বড় ভূমিকা রাখে।”
তাহলে বিজ্ঞান কতটা?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন—মানুষের সম্পর্কের আচরণ মৌসুমী নয়। এটা বেশিরভাগই সামাজিক ও সাংস্কৃতিক। শীতে একা থাকা কষ্টকর লাগে, তাই সঙ্গী খোঁজা হয়।
গার্সিয়া বলেন, “যুবকরা মনে করছে, সম্পর্কে যাওয়ার আগে নিজেকে তৈরি করতে হবে।” কিন্তু সম্পর্কেই আমরা পরিপক্ক হই, ভুল থেকে শিখি।”
শীত এলে যদি মনে হয় “কাউকে দরকার”—তাহলে সেটা খুব স্বাভাবিক। মানুষ তো সামাজিক প্রাণী। একটু ঠান্ডা লাগলে কারও কাছে জড়িয়ে থাকতে কার না ভালো লাগে?
- ভাত রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুতে বলা হয় কেন?
- মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বর প্লেট রাখা বাধ্যতামূলক
- বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি
- এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
- এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
- ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, ধারণা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
- বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি পরিবর্তন
- ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’, নেহার ভিডিও নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে হাসান মাহমুদ
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
- বিধবা কার্ড দিলে সবার আগে এমপির বউ নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে পুশইন নয়: কলকাতা হাইকোর্ট
- বিয়ের জন্য যেমন ছেলে চান মিমি
- যেসব খাবার একসঙ্গে খেলে বেশি পুষ্টি মিলে
- বিমানবন্দরে ‘সোনার ডিম’ উদ্ধার: ৫ দিনের রিমান্ডে আসামি
- রূপপুরের বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ: রোসাটম
- শান্তিতে নোবেলজয়ী কে এই নাভি পিল্লাই
- হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসে হাসান মাহমুদ
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- হঠাৎ চুল পড়া বাড়লে কি করবেন?
- দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত যেভাবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- একটি দৃশ্যের জন্য এখনো বারবার মহড়া দেন অমিতাভ
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা জাতীয় স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
















