ঢাকা, ২১ অক্টোবর বুধবার, ২০২৬ || ৫ কার্তিক ১৪৩৩
good-food
৭

বাংলাদেশ, নেপালের মতো ভারতে সরকার বদল হবে না: আরএসএস প্রধান

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ০০:১০ ২১ অক্টোবর ২০২৬  

বাংলাদেশের মতো ভারতেও সরকার বদলের চেষ্টা চলছে বলে এবার অভিযোগ তুললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ম সেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত। মঙ্গলবার সকালে দশেরার ভাষণে এমনই দাবি করলেন তিনি। এসআইআর-এ অনিয়ম, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে যখন উত্তাল ভারত, সেই সময়ই এমন মন্তব্য করলেন ভাগবত। 

বাংলাদেশ, নেপালের মতো দেশে ক্ষমতার পালাবদলের সাক্ষী হয়েছে গোটা বিশ্ব। এই মুহূর্তে ফ্রান্সেও আন্দোলন হিংসাত্মক আকার ধারণ করেছে। সেই প্রসঙ্গেই ভারতের কথা তুললেন ভাগবত।

তাঁর কথায়, “পশ্চিমে ঝড় উঠেছে। ফ্রান্স, বাংলাদেশ, নেপালের ঘটনাবলীর দিকে তাকিয়ে দেখুন। ভারতে ক্ষমতার পালাবদল হবে না। ভারতেও সেই চেষ্টা চলছে। ভারত, হিন্দু এবং সঙ্ঘকে কী ভাবে ধ্বংস করা যায়, সেই চিন্তাই করে অশুভ শক্তিগুলি। পরিকল্পনা রচনা করছে এবং সেই মতো কাজ করছে। নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে, বিচক্ষণতার অভাবে এর সঙ্গে জড়িে পড়ছেন কিছু উচ্চাকাঙ্খী নেতাও। তবে ভারত অবিচল সঙ্কল্প নিয়ে এগিয়ে চলেছে। সমাজের সম্মিলিত শক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতে।”

ভাগবতের মতে, প্রতিবাদ-আন্দোলন চলতেই থাকে। তবে বিদ্বেষ না ছড়িয়ে আন্দোলনের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সমাধানসূত্র বের করা। তিনি বলেন, “সমস্যা তৈরি হলে আন্দোলন শুরু হয়। তবে সমাধানসূত্র বের করাই আন্দোলনের লক্ষ্য় হওয়া উচিত। সমস্যার নিরসন মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত এবং আমাদের কোনও কাজকর্ম যেন বিদ্বেষ না ছড়ায়, শালীনতার সীমা যেন বজায় থাকে।”

প্রতিবাদ-আন্দোলনগুলি ভোট বা জনপ্রিয়তা পাওয়ার লক্ষ্যে পরিচালিত হওয়া উচিত নয় বলেও মত ভাগবতের। তাঁর বক্তব্য, “ভোট পাওয়ার আকাঙ্খা বা সস্তার জনপ্রিয়তা দ্বারা যেন চালিত না হয় এই ধরনের প্রচেষ্টা। শুধুমাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে সমস্যার সমধান হয় না। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই প্রকৃত সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসে।”

জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে যে আন্দোলন মাথাচাড়া দিয়েছে দেশ জুড়ে, মূলত সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতেই তা ছড়িয়ে পড়ে মুখে মুখে। সেই নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন ভাগবত। তিনি বলেন, “যথেষ্ট সচেতনতা ছাড়াই লোকজন এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং অন্য প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রচুর তথ্য হাতে পেয়ে যান। সেই তথ্যের অপব্যবহারও হতে পারে। বেশ কিছু দেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং ওটিটি নিয়ে বিধিনিষেধ চালু থাকলেও,ভারতে তেমন কিছু নেই. তাই তরুণ প্রজন্মকে শিক্ষিত করে তুলতে হবে।”

অপরাধ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর