ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, ২০২০ || ৯ আশ্বিন ১৪২৭
good-food
১০৬

কেন খান ক্যাপসিকাম?

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৯:৪২ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০  

সালাদ থেকে শুরু করে নুডলস, স্যুপ, পাকোড়া, চিকেন ফ্রাই তরকারির বিভিন্ন পদে ব্যবহৃত হচ্ছে লাল, হলুদ, সবুজ ক্যাপসিকাম। এটি বেল পেপার নামেও পরিচিত। গুণাগুণ না জেনেই হয়তো বিভিন্নভাবে খাচ্ছেন এ সবজি। কিন্তু এর রয়েছে দারুণ স্বাস্থ্য উপকারিতা। খাদ্যতালিকায় রাখার আগে জেনে নিন কেন খাবেন ক্যাপসিকাম?

রান্নার নিয়ম

এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। তবে অতিরিক্ত তাপমাত্রায় ক্যাপসিকাম রান্না করলে এই উপাদান অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। বরং কাঁচা অবস্থায় সালাদে খেলেই এর পুষ্টিগুণ পুরোপুরি পাওয়া যায়। স্টার-ফ্রাই মেথডে এটি রান্না করে খেতে পারেন। উচ্চ তাপমাত্রায় বেশিক্ষণ রান্না না করাই ভালো।

ভারতীয় ডায়াটিশিয়ান কোয়েল পাল চৌধুরী বলেন, তবে কী রঙের ক্যাপসিকাম খাচ্ছেন সেটার ওপরেও নির্ভর করবে ভিটামিন সি-র কনসেনট্রেশন কতটা। যেমন- রেড বেল পেপারে ভিটামিন সি সর্বাপেক্ষা বেশি পাওয়া যায়।

গুণাগুণ

# ভিটামিন সি একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি শরীরকে রোগের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

# ভিটামিন এ, ই পাওয়া যায় বেল পেপারে। তাই চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এটি দারুণ সহায়ক। একই সঙ্গে চুল ও ত্বকের জন্যও খুব কার্যকর। হাড় ও হার্ট দুই-ই ভালো রাখে। এটি ব্রণ কমাতে সাহায্য করে।

# পটাসিয়াম, ফোলেট ইত্যাদি উপাদানও ব্যাপক হারে পাওয়া যায় ক্যাপসিকামে। তাই শরীরে আয়রন গ্রহণ করার ক্ষমতা বাড়ায়।

# এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি ও প্রোটিন আছে।  ক্যালরি আমাদের দেহে শক্তির জোগান দেয়। আর প্রোটিন শরীরের ত্বক, চুল, নখ, হাড় বিকাশে সহায়তা করে। ভাইরাস ও  ব্যাকটেরিয়া থেকে শরীরকে প্রতিরক্ষা করে।

# ক্যাপনিকামে বিদ্যমান ফাইবার হজম স্বাস্থ্য এবং নিয়মিত অন্ত্রের ক্রিয়া ঠিক রাখে। এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট আমাদের দেহে গ্লুকোজ হিসেবে দ্রুত রক্ত প্রবাহে সাহায্য করে।

# বেল পেপার ভিটামিন কে’র উৎস। এটি একটি চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় ভিটামিন যা স্বাস্থ্যকর হাড় এবং সাধারণ রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রোটিন তৈরি করে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ফ্রিজে রেখে ক্যাপসিকাম না খাওয়াই ভালো। বাজার থেকে কিনে দু’তিন দিনের মধ্যে খেয়ে নিলেই উপকার বেশি।