ঢাকা, ২৩ মার্চ সোমবার, ২০২৬ || ৯ চৈত্র ১৪৩২
good-food
৩৭

বিশ্ববাজারে তেলের দামে ধস

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৯:২৯ ২৩ মার্চ ২০২৬  

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে আলোচনার ইঙ্গিত দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া এক বিবৃতিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। 

সিএনএন এর বরাতে জানা যায়, সোমবার ট্রাম্পের এই নাটকীয় ঘোষণার পরপরই তেলের বাজার নিম্নমুখী হতে শুরু করে।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭ শতাংশেরও বেশি কমে প্রতি ব্যারেল ৯৯ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। অথচ দিনের শুরুতেই এর দাম ১১৪ ডলারে উঠেছিল। 

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মানদণ্ড ডব্লিউটিআই ৮ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। দিনের শুরুর তুলনায় প্রায় ১০ ডলার কম।

তবে ইরানের শীর্ষস্থানীয় সংবাদ সংস্থাগুলো সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, তেহরান বা তাদের কোনো প্রতিনিধি মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কোনো ধরনের সংলাপে বসেনি।

ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই দাবি মূলত বিশ্ববাজারের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণ বা রাজনৈতিক কৌশল হতে পারে। এর কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই।

এর আগে সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, গত দুই দিনে তেহরানের সঙ্গে অত্যন্ত ‘ফলপ্রসূ ও গঠনমূলক’ আলোচনা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত সম্পূর্ণ নিরসনের লক্ষ্যে এই আলোচনা আগামী এক সপ্তাহ চলবে বলেও জানান তিনি।

একই সঙ্গে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোতে ৫ দিনের জন্য সব ধরনের সামরিক হামলা স্থগিত করার নির্দেশ দেন।

ট্রাপের হুমকির প্রেক্ষিতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেছিল, তাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা হলে তারা কঠোর জবাব দেবে এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে রাখবে। 

ওই হুমকির প্রভাবে রবিবার থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত তেলের দাম ক্রমাগত বাড়ছিল। 

তবে ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার বার্তায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হওয়ায় তেলের বাজারে এই বড় দরপতন ঘটল।

বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ৫ দিনের এই সময়সীমায় কোনও স্থায়ী সমাধান আসলে তেলের দাম আরও কমে স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসতে পারে।

অর্থনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর