ঢাকা, ১৭ জুন সোমবার, ২০১৯ || ২ আষাঢ় ১৪২৬
LifeTv24 :: লাইফ টিভি 24
১২৮

হাতে অস্ত্র, শরীরে বোমা

মারা পড়লেন বিমান ছিনতাই চেষ্টাকারী  

প্রকাশিত: ২১:৪৫ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  


বিমানবন্দরের সব নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যেই হাতে আগ্নেয়াস্ত্র, আর শরীরে ‘বোমাপেঁচিয়ে উড়োজাহাজে উঠে পড়েছিলেন ওই ব্যক্তি। যাত্রীদের জিম্মি করার চেষ্টা চালিয়ে শেষ পর্যন্ত মারা পড়লেন তিনি।

 

ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বেড়াজাল ডিঙিয়ে অস্ত্র নিয়ে রোববার বিকেলে বিমানের দুবাইগামী ফ্লাইটে কীভাবে উঠেছিলেন ওই ব্যক্তি, তা জানতে এখন সবেই উদগ্রীব।

 

বিমানে উঠে পাইলটের মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে তার ‘পারিবারিক সমস্যানিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চাইছিলেন বলে বিমানযাত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

 

সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে উড়োজাহাজটি শাহ আমানতে অবতরণের পর আইনশঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘিরে ফেলেন। এর কিছুক্ষণ পর অভিযানে নামেন নিরাপত্তা বাহিনীর কমান্ডোরা।

 

কমান্ডো অভিযান শুরুর ৮ মিনিটের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা ২৪ মিনিটে রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থার বোয়িং-৭৩৭ উড়োজাহাজটি মুক্ত করা হয়। এ তথ্য জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এম নাঈম হাসান।

 

রাত ৮ টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারীকে জখম অবস্থায় আটক করা হয়েছে।

 

তার পৌনে ১ ঘণ্টা পর আরেক সংবাদ সম্মেলনে এসে সেনাবাহিনীর চট্টগ্রাম অঞ্চলের জিওসি মেজর জেনারেল এস এম মতিউর রহমান জানান, আহত ওই ব্যক্তি মারা গেছেন।

 

নিহত ওই ব্যক্তির নাম ‘মাহদী- শুধু একটুকুই বলতে পেরেছেন অভিযানে থাকা সেনা ও বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারা। তার বিস্তারিত আর কোনো পরিচয় জানাতে পারেননি।

 

অভিযানের আগেই বিমানের ১৩৪ জন যাত্রীর সবাই নিরাপদে নেমে আসেন বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছিলেন।

 

ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারী একজন ক্রুকে জিম্মি করেছিলেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। তবে পাইলটসহ ক্রুদের সবাই অক্ষত রয়েছেন।

 

এ ঘটনায় সন্ধ্যা পৌনে ৬টার পর চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। অভিযান শেষে রাত ৮টা থেকে বিমান ওঠানামা স্বাভাবিক বলে বেবিচক চেয়ারম্যান জানান।


এই বিভাগের আরো খবর