ঢাকা, ৩০ আগস্ট শনিবার, ২০২৫ || ১৪ ভাদ্র ১৪৩২
good-food
৭১২

‘দ্বিতীয় ইনিংস শুরু’

কাজে যোগ দিলেন ওবায়দুল কাদের

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১২:৫৭ ১৯ মে ২০১৯  

চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পর প্রথমবারের মতো সচিবালয়ে নিজ দফতরে অফিস করলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার সকাল ১০টার কিছু সময় পর তিনি সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে আসেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আড়াই মাস পর অফিস করলেন তিনি।

 

মন্ত্রণালয়ে আসার পর জরুরি ফাইলে সই করেন সেতুমন্ত্রী। পরে বেলা ১১টার দিকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, আল্লাহর রহমতে ও দেশবাসীর দোয়ায় আমি বেঁচে আছি। আমার বেঁচে থাকা নিয়ে সংশয়ে ছিলেন অনেকেই।

 

চিকিৎসার সার্বিক তত্ত্বাবধান করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা মাতৃস্নেহে আমার চিকিৎসার ব্যবস্থা করিয়েছেন, সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছেন। আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।

 

সবার সহযোগিতা কামনা করে সেতুমন্ত্রী বলেন, আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে আমি নতুন করে পথ চলতে চাই। বাকি জীবনটা দেশের ও মানুষের সেবায় কাটিয়ে দিতে চাই।

 

সেতুমন্ত্রী বলেন, যানজট নিরসন, মেগা প্রকল্পের বাস্তবায়ন এগুলো এখন আমার প্রধান চ্যালেঞ্জ। দলীয় বিষয়ে পার্টি অফিসে কথা বলবো। সড়ক ব্যবস্থা আগের চেয়ে ভালো। এবার ঈদযাত্রায় কোনও ভোগান্তি হবে না। আশা করছি, এবার ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে।

 

ওবায়দুল কাদের বলেন, মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসে জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছি। শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ আছি। আগামীকাল সোমবার (২০ মে) দলের কেন্দ্রীয় অফিসে যাবো। ধীরে সুস্থে কাজ করতে হবে। দেড় মাস পর পুরো উদ্যোগে কাজ করতে পারবো। দলের কাউন্সিল যথাসময়ে হবে।

 

দীর্ঘ দুই মাস ১০ দিন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে গত বুধবার দেশে ফেরেন ওবায়দুল কাদের। এদিন দলীয় নেতাকর্মীরা ওবায়দুল কাদেরকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান।

 

শুক্রবার দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এদিন নেতাদের সঙ্গে নিয়ে দলীয় প্রধানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান তিনি।

 

এখন সীমিত পরিসরে কাজ করবেন ওবায়দুল কাদের। দলে এবং মন্ত্রণালয়েও সাধ্যমতো সময় দেবেন।

 

গত ৩ মার্চ সকালে বুকে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হন ওবায়দুল কাদের। সেখানে এনজিওগ্রাম করার পর তার করোনারি ধমনিতে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। সেদিন তাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

পরে উপমহাদেশের বিখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠির পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৪ মার্চ তাকে সিঙ্গাপুর নেয়া হয়। সেখানে দীর্ঘ দুই মাস তার চিকিৎসা চলে। বুধবার তিনি দেশে ফেরেন।

 

ওই দিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে স্ত্রীকে নিয়ে গণভবনে যান ওবায়দুল কাদের।

বাংলাদেশ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর