ঢাকা, ২৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার, ২০২১ || ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭
good-food
১১৬

শনিবার বাড়ি পাচ্ছে ভূমিহীন-গৃহহীন ৬৬০০০ পরিবার

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৩:৪৯ ২২ জানুয়ারি ২০২১  

সরকার মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিশ্বে এ প্রথমবার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে হস্তান্তর করার লক্ষ্যে ৬৬,১৮৯টি বাড়ি তৈরি করেছে।  শনিবার পরিবারগুলোকে সেগুলো দেয়া হবে।  এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় ভার্চুয়ালভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাড়ি বিতরণ উদ্বোধন করবেন।

 

তার কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস জানান, আগামী মাসে আরও প্রায় ১ লাখ বাড়ি হস্তান্তর করা হবে। শেখ হাসিনার কার্যালয়ে অধীন আশ্রয়ণ প্রকল্প মুজিববর্ষ উদযাপনকালে ২১টি জেলায় ৩৬টি উপজেলায় ৪৪টি প্রকল্পের অধীনে ৭৪৩টি ব্যারাক নির্মাণ করে ৩,৭১৫টি পরিবারকে পুনর্বাসিত করছে।

 

মুখ্য সচিব আরো জানান, আশ্রয়ণ প্রকল্প ২০২০ সালে ৮,৮৫,৬২২টি পরিবারের তালিকা তৈরি করে। তাদের মধ্যে ২,৯৩,৩৬১টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার এবং ৫,৯২,২৬১টি পরিবারের ১-১০ শতাংশ ভূমি রয়েছে। তবে তাদের বসবাসের বাড়ি নেই। আশ্রয়ণ প্রকল্প ১৯৯৭ সালে থেকে ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩,২০,০৫৮টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসিত করেছে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলোর জন্য ব্যারাক নির্মাণ করছে।

 

তিনি বলেন, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প ৪,৮৪০.২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে (জুলাই ২০১০ থেকে জুন ২০২২ পর্যন্ত) ২ লাখ ৫০ হাজার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার ও ছিন্নমূল পরিবারকে পুনর্বাসিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ২০১০ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত সারাদেশে ১,৯২,২২৭টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ইতোমধ্যে পুনর্বাসিত করা হয়েছে।

 

মুখ্য সচিব বলেন, এখন পর্যন্ত মোট ৪৮,৫০০ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ব্যারাকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের প্রত্যেকের ১ থেকে ১০ শতাংশ ভূমি রয়েছে। কিন্তু তাদের বাড়ি করার সক্ষমতা নেই।

 

ড. কায়কাউস বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে উদ্বাস্তু কক্সবাজারের খুরুশকুলে ৬ শত পরিবারের জন্য ২০টি পাঁচ তলা ভবন নির্মান করেছে।  সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ডিটেইল্ড প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) এর মাধ্যমে আরো ১১৯টি বহুতল ভবন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকা- বাস্তবায়ন করছে।

 

মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেন, পুনর্বাসিত পরিবারগুলোর সদস্যদেরকে আয় সংস্থানমূলক কাজে সম্পৃক্ত হতে সক্ষম করে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি, দক্ষতা অর্জন এবং মানব সম্পদ উন্নয়নের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ভিশন-২০২১ বাস্তবায়ন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ (এসডিজি) অজর্নের জন্য দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ভবিষ্যতে প্রকল্প কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করা হবে।

বাংলাদেশ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর